Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Sillery Gaon

সিলেরি গাঁও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান? মাথায় রাখুন এই ৫ বিষয়, নাহলে পড়তে পারেন সমস্যায়!

জেনে নিন কোন কোন জিনিস অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০২২, ১৭:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০২২, ১৭:০৮

options
link
সিলেরি গাঁও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান? মাথায় রাখুন এই ৫ বিষয়, নাহলে পড়তে পারেন সমস্যায়! zoom

সুলয়া সিংহ: উত্তরবঙ্গ মানেই এখন আর যুবপ্রজন্মের কাছে শুধু দার্জিলিং, কার্শিয়াং কিংবা জলপাইগুড়ি নয়। আজকাল তাদের ঝোঁক বেশি অফবিট ডেস্টিনেশনের দিকে। পাহাড়ের কোলে বন্ধুবান্ধব বা প্রিয়জনদের সঙ্গে নিরিবিলি একান্তে সময় কাটাতে ছোটখাটো পাহাড়ি গ্রামগুলিকেই বেছে নেয় তরুণ প্রজন্ম। পাহাড় কাটা রাস্তা পেরিয়ে নতুন স্থানের সন্ধান পাওয়ার মধ্যে একটা আলাদাই থ্রিল। সেই অনুভূতির টানেই বারবার ছুটে যাওয়া অজানার খোঁজে। আর এই তালিকায় পর্যটকদের অত্যতম সেরা পছন্দের জায়গা হয়ে উঠেছে সিলেরি গাঁও। ভ্রমণপিপাসুরা নিশ্চয়ই এই নামটার সঙ্গে পরিচিত। অনেকে হয়তো এই শীতে সেই কালিম্পং জেলায় ৬ হাজার ফিট উচ্চতায় অবস্থিত এই অফবিট গ্রামে ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যানও করে ফেলেছেন। কিন্তু শুধুই শীতের পোশাক নিয়ে ব্যাগ গুছিয়ে ফেললে চলবে না। সিলেরি গাঁও যাওয়ার ইচ্ছা থাকলে অবশ্যই মাথায় রাখুন কয়েকটি বিষয়। নাহলে কিন্তু পাহাড়ের কোলে নির্জন এই স্থানে গিয়ে সমস্যায় পড়তে পারেন।

১. প্রথমেই বলে রাখা ভাল, কালিম্পং (Kalimpong) শহর কিংবা লাভা হয়ে সিলেরি গাঁও যাওয়ার রাস্তা কিন্তু বেশ খারাপ। ছোট্ট গ্রামটিতে কয়েকটি বাড়ি আর হোমস্টে রয়েছে। সেখান অবধি পৌঁছতে অন্তত ৬-৭ কিলোমিটার রাস্তা অতি দুর্গম ও এবড়ো-খেবড়ো। মাটি আর পাথর ভাঙা রাস্তায় গাড়ি কিংবা মোটরবাইকে যেতে অনেকটা সময় লাগবে। তাই সিলেরি গাঁওয়ে থেকে যদি আপনি কালিম্পং, ডেলো, পেডং কিংবা ইচ্ছে গাঁওয়ের মতো জায়গাগুলিতে ঘোরার পরিকল্পনা করেন, তাহলে বারবার সেই খারাপ পথ দিয়েই যাতায়াত করতে হবে। তবে শুধুই সেখানে থাকার প্ল্যান হলে অসুবিধা নেই।
২. সিলেরি গাঁওয়ের অন্যতম আকর্ষণ ভোরবেলা কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন। হোমস্টের ব্যালকনিতে দাঁড়াতেই শ্বেতশুভ্র দার্জিলিংয়ের রানির দেখা মেলে। আরও ভালভাবে কাঞ্চনডঙ্ঘা এবং তিস্তার গতিপথ দেখতে চাইলে আধঘণ্টা হেঁটে চলে যেতে হবে রামিতে ভিউ পয়েন্টে। কিন্তু মনে রাখবেন, সেই রাস্তাও বেশ খাড়াই ও এবড়ো-খেবড়ো। সেই ভিউ পয়েন্ট পর্যন্ত গাড়িও পৌঁছায় না। তাই সঙ্গে বয়স্ত কেউ থাকলে সে পথ এড়িয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সারাদিন ঘুরেও খোঁজ মিলল না ভোটকেন্দ্রের! পুরনিগমের নির্বাচনে ক্ষুব্ধ দিল্লিবাসী]

sillery-gaon.jpg1

৩. সিলেরি গাঁওয়ে (Sillery Gaon) খাওয়া-দাওয়া মানে হোমস্টের রান্না। দু-একটা চা, ঠান্ডা পানীয়র দোকান রয়েছে, ব্যাস। তাই সঙ্গে শুকনো খাবার-দাবার অবশ্যই রাখুন। ঘুরতে বেরিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ জলও সঙ্গে রাখুন। আর যদি বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপানের প্ল্যান থাকে, তাহলে আগেভাগেই বন্দোবস্ত করে রাখুন। নাহলে ছোট এই গ্রামে টানাটানি পড়তে পারে।
৪. পাহাড়ি এলাকা মানেই সন্ধে পড়তেই ঝুপ করে নামে অন্ধকার। আর গাছপালায় ঘেরা অফবিট গ্রামে যেন বিকেল গড়ালেই সন্ধে হয়ে যায়। তাই অন্য কোথাও ঘুরতে গেলে দ্রুত হোমস্টে-তে ফিরে আসুন। আর বারবার এই রাস্তায় যাতায়াত করলে কোমরে ব্যথা হওয়া অসম্ভব নয়। তাই সঙ্গে পেন কিলার কিংবা মলম রাখুন।

sillery-gaon.jpg2

৫. ছোট গ্রামগুলিতে কিন্তু মাঝে-মধ্যেই পাওয়ার কাট হয়। তাই যতক্ষণ বিদ্যুৎ পরিষেবা থাকবে, ল্যাপটপ, মোবাইল, ট্যাব কিংবা পাওয়ার ব্যাংক রিচার্জ করে রাখুন। মোবাইলের ফ্ল্যাশের কল্যাণে টর্চের প্রয়োজন হয় না। তবে বিদ্যুৎ না থাকলে কিন্তু টর্চই কাজে দেবে।
সাবধানে ছুটি কাটান। মন ভাল করা হিমেল হাওয়ায় উপভোগ করুন প্রকৃতিকে। আর এই বিষয়গুলি মাথায় রেখে সুস্থ থাকুন, সুস্থ রাখুন।

[আরও পড়ুন: অভিষেকের নির্দেশ শিরোধার্য, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইস্তফা দিলেন মারিশদার পঞ্চায়েত প্রধান-সহ ৩]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.