৪ আশ্বিন  ১৪২৬  রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্নাটক৷ দক্ষিণ ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটক কেন্দ্র৷ একদিকে যেমন মন্দির, গুহা, প্রাচীন দূর্গ এর বুকে শোভা পায়, তেমনই এখানকার পাহাড় ও জলপ্রপাতে সাজানো প্রাকৃতিক দৃশ্য প্রকৃতিপ্রেমীদের নস্ট্যালজিক করে তোলে৷ এমনই একটি গন্তব্য হল যোগ জলপ্রপাত৷ কর্নাটকে গেলে অনেকেই এই জায়গায় না গিয়ে ফিরে আসেন৷ এই ভেবে, যে সেই তো একই জলপ্রপাত, নতুন আর কী দেখার আছে! যাঁরা যাননি, তাঁরা সত্যিই মিস করেছেন৷

এবার প্রশ্ন করতে পারেন, অন্য জলপ্রপাতের সঙ্গে এর পার্থক্য কোথায়৷ আছে, আছে৷ কর্নাটকের সাগরা তালুকে অবস্থিত জলপ্রপাতটি ভারতের দ্বিতীয় উচ্চতম জলপ্রপাত৷ ৮৩০ ফুট উঁচু থেকে জলরাশি এসে পড়েছে সরাবতী নদীতে৷ আর এখানেই এটি বাকিদের থেকে আলাদা৷ এটি জোগাডা গুন্ডি নামেও পরিচিত৷ পর্যটকদের সুবিধার জন্য জলপ্রপাতটি দেখার একটি ভিউপয়েন্ট তৈরি করেছে রাজ্য সরকার৷ সেখান থেকে জলরাশির গুরু গম্ভীর শব্দ আরও তীব্র হয়ে ওঠে৷ ভিউপয়েন্ট থেকে আরও ১৪০০টা সিঁড়ি নিচে নেমে গেলে পাহাড়ের এক্কেবারে নিচে পৌঁছে যাওয়া যাবে৷ এই জলপ্রপাত দেখার সেরা সময় বর্ষাকাল৷ কারণ বছরের অন্যান্য সময় জলের অভাবে এর আকার অনেকটাই শীর্ণ হয়ে যায়৷

jogfalls_Main_800

কীভাবে যাবেন
হাওড়া থেকে যশবন্তপুর এক্সপ্রেস বা অমরাবতী এক্সপ্রেসে কর্নাটক চলে যান৷ সেখান থেকে গাড়িতে যোগ জলপ্রপাতের উদ্দেশ্যে রওনা দিন৷ আকাশপথে কলকাতা থেকে ম্যাঙ্গালুরুগামী বিমানে চেপে বসতে পারেন৷ সেখান থেকে বুক করে রাখা গাড়িতে বেরিয়ে পড়ুন৷

কোথায় থাকবেন
এই জলপ্রপাতকে কেন্দ্র করেই সিমোগা জেলায় বেশ কিছু হোটেল ও গেস্ট হাউস গড়ে উঠেছে৷ বর্ষাকালে গেলে আগে থেকে হোটেল বুক না করে গেলেও খুব একটা সমস্যা হবে না৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং