Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Tamil Nadu

নিজের অপহরণের গল্প ফেঁদে বাবার কাছে ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি! পুলিশের জালে নবম শ্রেণির ছাত্র

কীভাবে কিশোরের 'নাটক' ধরে ফেলল পুলিশ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০২০, ১৮:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০২০, ১৮:৫০

options
link
নিজের অপহরণের গল্প ফেঁদে বাবার কাছে ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি! পুলিশের জালে নবম শ্রেণির ছাত্র zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ বাবার থেকে টাকা হাতাতে নিজেই নিজের অপহরণের ছক করল পড়ুয়া।‌ এমনকী কাঁদো কাঁদো গলায় ফোন করে টাকাও চাইল! এবং শেষমেশ পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় পুলিশের হাতে ধরা পড়ল। শুনতে সিনেমার মতো মনে হলেও এমনটাই ঘটেছে তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) চেন্নাইয়ে (Chennai)। এক ১৪ বছরের নাবালক বাবার থেকে টাকা নিতে নিজেই নিজের অপহরণের গল্প ফাঁদে। তারপর বাবাকে ফোন করে টাকা চায়। যদিও শেষপর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় সে।

জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন হঠাৎ করেই ওই ছেলেটির বাবার ফোনে একটি ফোন আসে। তাতে ছেলেকে কাঁদো কাঁদো গলায় বলতে শোনেন, তাকে কেউ অপহরণ করেছে। মুক্তিপণ হিসেবে দশ লক্ষ টাকা দিতে হবে। এরপরই পেশায় গাড়ির যন্ত্রাংশের বিক্রেতা ওই ব্যক্তি চেন্নাইয়ের ট্রিপলিক্যানের জ্যামবাজার পুলিশ স্টেশনে যান। পুলিশের কাছে গোটা ঘটনাটি খুলে বলেন। জানান, ছেলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। আইস হাউস (Ice House) এলাকায় কোচিং ক্লাসে সে যাওয়ার  পরই এসেছে অপহরণের ফোন।

Advertisement

[আরও পড়ুন:‌ সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তিহীন পাত্রী চাই! বিজ্ঞাপন দিয়ে নেটদুনিয়ায় হাসির খোরাক বাঙালি যুবক]

এরপর তড়িঘড়ি তদন্তে নামে পুলিশ। যে নম্বর থেকে ফোন এসেছিল, সেটিকে ট্র‌্যাক করা হয়। দেখা যায় ফোনটি চিপক এলাকায় রয়েছে। শেষপর্যন্ত চিপক রেল স্টেশনে ছেলেটিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তখনও আসল ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন না খোদ পুলিশ আধিকারিকরা। এরপরই ছেলেটিকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবা শুরু করেন অফিসাররা। তখনই তার কথায় অসঙ্গতি মেলে।

[আরও পড়ুন:‌ করোনা আবহে অভিনব বিয়ে, গাড়িতে বসে জায়ান্ট স্ক্রিনেই নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা অতিথিদের]

আধিকারিকরা স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। দেখা যায়, একটি অটো রিকশা করে ওই ছাত্র এবং তার বন্ধুরা স্টেশনে নামে। এরপর অটোচালককেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জানা যায়, ওই ছেলেটি তার বন্ধুদের সঙ্গে কোচিংয়ে না গিয়ে ফোন থেকে অটো বুক করে চিপক স্টেশনে আসে। এরপরই সত্যিটা স্বীকার করে নেয় ছেলেটি। শেষপর্যন্ত মামলা রুজু না করে সতর্ক করেই তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.