৪ আশ্বিন  ১৪২৬  রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মানুষের মৃত্যু হয়। কিন্তু আবেগ অমর। সে কথাই নীরবে প্রমাণ করে চলেছেন ফরাসি কবি আর্তুর র‌্যাঁবো। ক্ষণজন্মা এই কবি পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন ১৮৯১ সালে। অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ১২৭ বছর আগে। কিন্তু আজও তাঁর সমাধিস্থলে এসে চিঠি দিয়ে যান অজস্র মানুষ। তাঁদের কেউ প্রেমিক, কেউ গায়ক আবার কেউ স্রেফ তাঁর সৃষ্টির অনুরাগী। দিন যায়, মাস যায়, চিঠির বহর কমে না। উলটে বাড়তেই থাকে। সামলাতে না পেরে তাই পূর্ব ফ্রান্সের শার্লেভিল-মেসিয়ারেস শহরে র‌্যাঁবোর সমাধির ঠিক সামনে একটি পোস্ট বক্স তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। সেখানেই সপ্তাহান্তে উপচে পড়ে চিঠির ডালি। কখনও বা আবার আসে ফুলও। আসে সিগারেট কিংবা মদের খালি বোতল। আর যত্ন করে সব সংগ্রহ করে রাখেন সমাধিস্থলের নিরাপত্তারক্ষী বার্নার্ড কলিন।

[আরও পড়ুন: বিনোদন পার্কে সুনামি! দেখুন হাড়হিম করা ভিডিও]

র‌্যাঁবোর সমাধিস্থলের বয়স্ক সেই রক্ষীই জানান, কীভাবে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে মৃত্যু হওয়া ফরাসি কবির লেখা এখনও হাজার হাজার মানুষকে প্রভাবিত করে। আর শুধুমাত্র সেই অমোঘ আকর্ষণেই সকলে ভুলে যান র‌্যাঁবো প্রয়াত। প্রেমাস্পদকে নিজের মনের অব্যক্ত অনুভূতিই প্রকাশ করা হোক বা ভালবাসা হারানোর দুঃখ-যন্ত্রণা লিখে ‘শেয়ার’ করাই হোক, হলুদ রঙের সেই পোস্ট বক্সে আজও এসে পৌঁছায় কবির নামে লেখা শয়ে শয়ে চিঠি। আর শুধু সাধারণ মানুষই নন, প্রথিতযশা অনেকের ধারণাও সমান। তাই তো প্রখ্যাত মার্কিন গায়ক প্যাটি স্মিথ প্রয়াত ফরাসি কবির সমাধিস্থলে এসে রেখে গিয়েছেন গিটার বাজানোর ‘প্লেকট্রাম’। সম্প্রতি সমাধিস্থল ঘুরে কবিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে গিয়েছেন ফরাসি সঙ্গীতশিল্পী হুবার্ট ফেলিক্স থিফেন। এসেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডমিনিক ডি ভিলপিনও। কারণ একটাই। মৃত্যুর ১২৭ বছর পরও এঁদের প্রত্যেককে সমানভাবে আকৃষ্ট করে র‌্যাঁবোর  কবিতা। তাঁর অমর সৃষ্টি। জন্মের ১৫০ তম বার্ষিকী উপলক্ষে ২০০৪ সালে তাঁরই নামে তৈরি করা হয়েছে একটি সংগ্রহশালা।

[আরও পড়ুন: ট্রাম্পকে শিক্ষা দিতে মেক্সিকো সীমান্তের পাঁচিলে ঢেঁকি লাগালেন দুই অধ্যাপক ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং