রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: একটি মাত্র মাছ (Fish) বদলে দিতে পারে ভাগ্য! মৎস্যজীবীরা একাধিকবার তার সাক্ষী। এবারও দিঘার মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়া বিশালদেহি মাছ ঘুরিয়ে দিল ভাগ্যের চাকা। ৫৫ কেজির মাছ বিক্রি হল ১৩ লক্ষ টাকায়। কিনল এসএসটি নামে এক সংস্থা।

সৌভাগ্যদায়ী এই মাছটির নাম তেলিয়া ভোলা। দিঘায় (Digha) ৫৫ কেজি ওজনের তেলিয়া ভোলা মাছ। পূর্ব ভারতের সবথেকে বড় নোনা মাছের মৎস্য নিলাম কেন্দ্র দিঘার মোহনা। এখানেই মৎস্যজীবীদের (Fishermen) জালে ধরা পড়েছে মাছটি। শোরগোলও শুরু হয়ে যায়। ডিমের জন্য ৫ কেজি বাদ দিয়ে মাছটির মোট ওজন দাঁড়ায় ৫০ কেজি। টানা তিন ঘণ্টা দরদামের পর ২৬ হাজার টাকা কেজি দরে মাছটি কিনে নেয় এসএসটি নামে একটি সংস্থা। আর তাতেই দারুণ মুনাফা হল ব্যবসায়ীদের।

কিন্তু কেন তেলিয়া ভোলার এত কদর? জানা গিয়েছে, এই মাছের পেটে প্রচুর পরিমাণে পটকা থাকে। সেই কারণেই অত্যন্ত মূল্যবান এই মাছ। ব্যবসায়ীরা বলেন, “এই মাছের পটকা জীবনদায়ী ওষুধ তৈরির কাজে লাগে। তাই প্রচুর দামে বিদেশের ওষুধ কোম্পানির তরফে কিনে নেওয়া হয় তেলিয়া ভোলা।” দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas)নৈনানের এক বাসিন্দা মাছটিকে নিলামের জন্য নিয়ে এসেছিলেন দিঘা মোহনায়।
[আরও পড়ুন: ‘মাথা কেটে ফেললেও গুয়াহাটি যাব না’, ইডির সমন পেয়ে হুঙ্কার সঞ্জয় রাউতের]
আড়তদার কার্তিক বেরা বলেন, “এই মাছটি স্ত্রী মাছ ছিল। পেটে ডিম থাকায় পটকার পরিমাণ খানিকটা কম। ৬ দিন আগে ৩০ কেজি ওজনের একটি পুরুষ তেলিয়া ভোলা বিক্রি হয়েছিল ৯ লক্ষ টাকায়।” দিঘা ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানা গিয়েছে, এই মাছ বছরে দুই থেকে চারটি ওঠে। যার জালে জড়ায় তাঁরই কপাল খুলে যায়।”

[আরও পড়ুন: চাষিদের থেকে ধান না কিনলে FIR, কিষান মান্ডির বেনিয়ম নিয়ে ফের কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর]
সর্বশেষ খবর
-
সপ্তাহে ২ দিন হাওড়ার মঙ্গলাহাটে হকারদের বসার অনুমতি, শর্ত বেঁধে দিল প্রশাসন
-
এবার রাডারে অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার এফসি, ‘টাকা আসত কোথা থেকে?’, প্রশ্ন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথের
-
উন্নত রাডারেও অদৃশ্য! চিন-পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে ভারতকে সু-৫৭-এর প্রস্তাব পুতিনের
-
কল্যাণীতেই হবে বিমানবন্দর, জোরালো বার্তা শান্তনুর, ওয়াটার মেট্রো নিয়ে কী বার্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর?
-
‘সব কর্মফল! তৃণমূল জিতলে স্বরূপ বিশ্বাসকে আটকানো মুশকিল হত’, বিস্ফোরক দেব