Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
মদ্যপ

মুখ শুঁকবে ২৫ জন, মদের গন্ধ পেলে গুজরাটের এই গ্রামে বাতিল হবে বিয়ে

বউ হারানোর ভয়ে মদ ছেড়েছে অনেক মদ্যপ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০১৯, ২০:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০১৯, ২০:৪৫

options
link
মুখ শুঁকবে ২৫ জন, মদের গন্ধ পেলে গুজরাটের এই গ্রামে বাতিল হবে বিয়ে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিয়ের আগে মুখে শুঁকবে পরিবার ও গ্রামের কমপক্ষে ২৫ জন মানুষ। মুখে মদের গন্ধ পাওয়া গেলে সব শেষ! একলক্ষ টাকা জরিমানা দিয়ে তাকে বাড়ি ফিরতে হয়। আর যদি তা না থাকে তাহলেও ওই গ্রামের মেয়েকে বিয়ে করার অনুমতি পায় বর। শুনতে অবাক লাগলেও এই ঘটনাই ঘটে গুজরাটের গান্ধীনগর জেলার কালোল এলাকার পিয়াজ গ্রামে।

[আরও পড়ুন: টিকটক করছেন মা কালী! নেটদুনিয়ায় নিন্দার ঝড়]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পিয়াজ গ্রামে মূলত ঠাকোর সম্প্রদায়ের মানুষের বাস। কয়েক বছর আগে মদ খেয়ে এই গ্রামের ১৫ জন যুবক মারা যান। তারপর থেকেই কোনও মদ্যপের সঙ্গে গ্রামবাসীরা সম্পর্ক রাখবেন না বলে
স্থির করেন। তাই তারপর থেকে কোনও পরিবারে কোন অনুষ্ঠানে অতিথিরা এলে তাঁদের মুখ শোঁকেন কমপক্ষে ২৫ জন আত্মীয়। মদের গন্ধ না থাকলেই তাঁদের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেওয়া হয় না। শুধু তাই নয়, বিয়ের আগেও বরের মুখ শুঁকে দেখেন মেয়ের বাড়ির কমপক্ষে ২৫ জন সদস্য। মদের গন্ধ পেলে বিয়ে বাতিল হয়। আর যদি তা না মেলে তবেই হয় বিয়ে। গ্রামবাসীদের কথায়, আগে কোনওভাবেই মদের নেশা থেকে গ্রামের যুবকদের নিরস্ত না করা যেতে না। কিন্তু, এই প্রথা চালু হওয়ার পরেই বদলে যায় পুরো ছবিটা। এখন ওই গ্রামে কোনও মদ্যপের আনাগোনা নেই বলেই জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কলকাতায় কাজে ব্যস্ত স্বামী, স্বপ্নে ভালবেসে বিহারে গর্ভবতী স্ত্রী!]

এপ্রসঙ্গে পিয়াজ গ্রামের সরপঞ্চ রমেশজি ঠাকোর বলেন, ‘অতীতে এই গ্রামের অনেক সংসার ভেঙে গিয়েছে মদ খাওয়ার জেরে। মদের নেশা যে সত্যিই সর্বনাশা তা নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করেছি আমরা। অনেক যুবতীকে মেয়েকে অকালে বিধবা হতে দেখেছি। বাধ্য হয়ে গ্রামের প্রবীণ মানুষরা বৈঠক করে বিয়ের আগে বরের অতীত জীবন খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেন। এরপরই চালু হয় এই প্রথা। আর অদ্ভুত বিষয় হলে কয়েক মাসের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলালে শুরু করে। এখনও গ্রামে কোনও মাতালের দেখা পাওয়া যায় না। বউ হারানোর ভয়ে মদ ছেড়েছেন সবাই।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.