সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হনুমান বা বাঁদরের বুদ্ধি নিয়ে সন্দেহের কোনও অবকাশ নেই। মানুষের মতো না হলেও এদের মস্তিষ্ক বেশ উন্নত। তাই কোন সময় কী করা উচিত, তা এরা বিলক্ষণ জানে। ইতিমধ্যেই এমন ঘটনার প্রমাণ মিলেছে বহু। আহত হয়ে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া থেকে মা-হারা অন্য প্রাণীর দেখভাল, হনুমান বা বাঁদরদের নিয়ে এমন খবর সংবাদের শিরোনামে এসেছে। এবার তেমনই একটি ঘটনা ঘটল কর্ণাটকের ডান্ডেলিতে। আহত হওয়ায় একটি বাঁদর সটান চলে গেল সেখানকার একটি হাসপাতালে।
ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা গিয়েছে হাসপাতালের দরজায় বসে রয়েছে এক বাঁদর। বাইরে রোগীদের লম্বা লাইন। বাঁদরটি যেন বাকিদের মতোই লাইন দিয়েছে হাসপাতালের আউটডোরে। কয়েক মুহূর্ত পর হাসপাতালের এক কর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছন। বাঁদরটির গায়ে হাত দেন। কিন্তু সে একবারের জন্যও তাকে ঘুরিয়ে আক্রমণ করেনি। তিনি দেখেন, বাঁদরটি আহত। চিকিৎসার জন্যই সে হাসপাতালে এসেছে। তিলমাত্র বিলম্ব না করে তিনি বাঁদরটিকে হাসপাতালের ভিতরে নিয়ে যান। সেখানে তার ক্ষতগুলি পরিষ্কার করা হয়। প্রয়োজনমতো চিকিৎসাও করা হয় বাঁদরটির। চিকিৎসকরা তাকে আঘাতের জন্য ওষুধ দেন। এরপর বাধ্য ছেলের মতো হাসপাতাল থেকে চলে যায় সে। কারওর কোনও ক্ষতি করেনি।
[ আরও পড়ুন: ব্রিজ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী প্রভু, চোখের কোণে জল নিয়ে দিনের পর দিন ঠায় দাঁড়িয়ে পোষ্য ]
সোশ্যাল সাইটে ভিডিওটি পোস্ট করে লেখা হয়েছে “একজন আহত বাঁদর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসেছিল। বিশ্বাস করতে পারেন না যে ডান্ডেলির প্রাণীও এত স্মার্ট।” ভিডিওটি ইতিমধ্যেই ভাইরাল। এখনও পর্যন্ত ১৭ হাজারেরও বেশি বার দেখা হয়েছে এটি। লাইক এবং শেয়ারের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। নেটিজেনরা আহত বাঁদরের চিকিৎসার করার জন্য হাসপাতালের কর্মীদের প্রশংসা করেছেন।
[ আরও পড়ুন: অবসাদ কাটাতে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে উদ্দাম নাচ ব্যক্তির, হাসির রোল নেটদুনিয়ায় ]
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ