Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Madhya Pradesh

জুতো মহার্ঘ, দুই সন্তানের পা প্লাস্টিকে মুড়লেন মা, ছবি দেখে চোখে জল নেটিজেনের

দরিদ্র পরিবারের ছবি ভাইরাল হতেই সাহায্যের আশ্বাস প্রশাসনের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৩, ১৩:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৩, ১৩:৪৯

options
link
জুতো মহার্ঘ, দুই সন্তানের পা প্লাস্টিকে মুড়লেন মা, ছবি দেখে চোখে জল নেটিজেনের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বামী যক্ষ্মায় আক্রান্ত। শয‌্যাশায়ী। পরিবারে তিন-তিনটি সন্তান। পেটের দায়ে মা, তাদের নিয়েই বেরিয়ে পড়েছেন কাজ খুঁজতে। প্রচণ্ড গরমের দুপুরে তপ্ত পিচের উপর দিয়ে হেঁটে চলেছেন তাঁরা। জুতো নেই পায়ে। বদলে বাচ্চাদের পায়ে জড়ানো প্লাস্টিক।

সোশ‌্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই ছবি মধ‌্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) শিওপুরের। তুলেছিলেন স্থানীয় এক সাংবাদিক। নাম ইনসাফ কুরেশি। একরত্তি তিন সন্তানকে নিয়ে ওই মহিলাকে রাস্তায় হাঁটতে দেখেই দাঁড়িয়ে পড়েন তিনি। ছবি তুলে পোস্ট করেন নেট-মাধ‌্যমে। পাশাপাশি তাদের দিকে বাড়িয়ে দেন সাহায্যের হাতও। সবার জ‌ন‌্য জুতো কেনার পয়সা গুঁজে দেন রুক্মিণী নামে ওই মহিলার হাতে। অতঃপর কুরেশির কাছে নিজের কষ্টের কথা তুলে ধরেন রুক্মিণী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ১৯ বিরোধী দলের বয়কট সত্ত্বেও সংসদের নতুন ভবন উদ্বোধন করবেন মোদিই, ঘোষণা শাহর]

জানা যায়, তাঁরা সহরিয়া উপজাতিভুক্ত। অর্থাভাবে জর্জরিত তাঁর গোটা পরিবার। রুক্মিণীর স্বামী যক্ষ্মায় আক্রান্ত, ফলে তাঁর চিকিৎসার খরচ জোগাড় করার ভারও রুক্মিণীর কাঁধেই এসে পড়েছে। অর্থ সংস্থানের জন‌্য তাই গরম উপেক্ষা করেই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে পড়েছিলেন তিনি, রোজকার মতো। যদি কোথাও কিছু কাজ পাওয়া যায়। এদিকে তিন সন্তানকে বাড়িতে একা রেখে যাওয়ারও উপায় নেই। তাই, তাদের নিয়েই বেরিয়ে পড়েছিলেন রুক্মিণী। কিন্তু জুতোর ব‌্যবস্থা করতে পারেননি। বাচ্চাদের পা বাঁচাতে তাই প্লাস্টিকে মুড়ে দিয়েছিলেন।

[আরও পড়ুন: বাড়ছে দূরত্ব? শক্তি প্রদর্শনে অযোধ্যায় সভার ডাক অভিযুক্ত ব্রিজভূষণের, পাশে নেই বিজেপি]

কুরেশির ছবি এবং খবরের দৌলতে রুক্মিণীর সংগ্রামের কথা স্থানীয় প্রশাসনের নজরে এসেছে। শিওপুরের জেলাশাসক শিবম ভার্মা জানিয়েছেন, তাঁরা ওই পরিবারকে সব রকমভাবে সাহায‌্য করবেন। রাজ্যের নারী ও শিশুকল‌্যাণ বিভাগের কর্মীবৃন্দ এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের রুক্মিণীর বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের সংগ্রহ করা তথ্যের বিনিময়ে পরবর্তী ব‌্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.