Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Madhya Pradesh

‘আমাকে একটা লাড্ডু দিল কেন?’, সটান মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ যুবকের

লাড্ডু কাণ্ডে কী ব্যবস্থা নিল প্রশাসন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৫, ১৪:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৫, ১৪:৩৫

options
link
‘আমাকে একটা লাড্ডু দিল কেন?’, সটান মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ যুবকের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “আমি কেন একটা লাড্ডু পেলাম!’ আজব দবি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা। মুখ্যমন্ত্রীর হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে এমনই অস্বাভাবিক অভিযোগ করলেন মধ্যপ্রদেশের ভিন্দ জেলার বাসিন্দা কমলেশ। তাঁর দাবি স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি দুটির পরিবর্তে কেবল একটি মাত্র লাড্ডু পেয়েছেন।

জানা গিয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সময় এই ঘটনাটি ঘটে। পতাকা উত্তোলনের পর সকলের মধ্যে লাড্ডু বিতরণ করা হয়। সেই সময় ওই গ্রামের বাসিন্দা কমলেশ কুশওয়াহাকে একটি মিষ্টি দেওয়া হয়। তিনি দুটি মিষ্টি চাইলেও তাঁর দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়। এরপরেই আজব কাণ্ডটি ঘটান কমলেশ। পঞ্চায়েত ভবনের বাইরে থেকেই সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর হেল্পলাইনে ফোন করে প্রতিবাদ জানান তিনি। অভিযোগে কুশওয়াহা লিখেছেন, পতাকা উত্তোলনের পর পঞ্চায়েত সঠিকভাবে মিষ্টি বিতরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং বিষয়টির সমাধান করা প্রয়োজন।

Advertisement

পঞ্চায়েত সচিব রবীন্দ্র শ্রীবাস্তব পরে ঘটনাক্রম নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, “গ্রামবাসীরা বাইরে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পিয়ন তাঁকে একটি লাড্ডু দেন, কিন্তু তিনি দুটি লাড্ডু নেওয়ার জন্য জোর করেন। দাবি প্রত্যাখ্যান করায় তিনি মুখ্যমন্ত্রীর হেল্পলাইনে ফোন করেন।” ভাবমূর্তির বাঁচানোর চেষ্টায় অভিযোগকারীর কাছে ক্ষমা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পঞ্চায়েত। পাশাপাশি তাঁকে এক কেজি মিষ্টি কিনে দেওয়া হবে বলেও জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে, এই জেলারই অপর এক গ্রামবাসী মুখ্যমন্ত্রীর হেল্পলাইনে একটি ত্রুটিপূর্ণ হ্যান্ড পাম্প সম্পর্কে অভিযোগ করেন। পিএইচই বিভাগের তৎকালীন এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার পিআর গোয়েল অভিযোগের জবাবে লেখেন, “অভিযোগকারী পাগল, তার মৃগীরোগ রয়েছে। তার পুরো পরিবারের মৃগীরোগ রয়েছে। হ্যান্ডপাম্পটিতে সমস্যা নেই, আসল সমস্যা তার মনে। পুরো পিএইচই বিভাগ জানে যে এই ব্যক্তি আমাদের মেকানিকের পোশাক ছিঁড়ে দিয়েছে। গেরিলা নীতির সময় এসেছে। হ্যান্ডপাম্পটি উপড়ে ফেলা হবে এবং অভিযোগকারীর বুকে বসিয়ে দেওয়া হবে।”

এই কর্মকর্তার মন্তব্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এলাকায়। এরপর সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ারকে একটি নোটিশ জারি করা হয়। পরে, তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে তার পরিচয়পত্রের অপব্যবহার করা হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.