Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Facebook

ফেসবুক খুললেই বসকে কষিয়ে চড় মারতে হবে! আজব চাকরির জন্য মোটা বেতন পাচ্ছেন কর্মী

বসকে চড় মারার জন্য মহিলা কর্মীর বেতন শুনলে অবাক হবেন!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২১, ২২:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২১, ২২:১৭

options
link
ফেসবুক খুললেই বসকে কষিয়ে চড় মারতে হবে! আজব চাকরির জন্য মোটা বেতন পাচ্ছেন কর্মী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিজেকে চড় মারার জন্য কর্মী নিয়োগ! এমনটা আগে কখনও শুনেছেন? হ্যাঁ, আবার পড়ুন। এই অবাক করা কাণ্ডই ঘটিয়েছেন এক ব্যবসায়ী। তাঁকে চড় মারার জন্য একজন মহিলাকে রীতিমতো মোটা অঙ্কের বেতন দিয়ে নিয়োগ করলেন তিনি। এই ঘটনায় যার পর নাই মজা পেয়েছে নেটিজেনরা (Netizen)। প্রশংসাও করছেন অনেকে। কেন প্রশংসা? ব্যাপারটা কী?

আসলে কাজে বেশি করে মন দিতেই অভিনব উপায় বের করেছেন এক প্রবাসী ভারতীয় ব্যবসায়ী। সমস্যা হল, কম্পিউটার খুললেই ভদ্রলোকের মন চলে যায় ফেসবুকের (Facebook) দিকে। তাতেই নষ্ট হয় অনেকটা সময়। ক্ষতি হয় কাজের। তা যাতে না হয়, সেই ব্যবস্থা করতেই তিনি ফেসবুক খুললেই তাঁকে চড় মারার দায়িত্ব দিয়েছেন এক মহিলাকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিয়ের নিমন্ত্রণ খেতে এলে পেটপুজোর খরচ দিতে হবে অতিথিদের! বিচিত্র আবদার মার্কিন নবদম্পতির]]

পরিধানযোগ্য ডিভাইস ব্র্যান্ড পাভলোকের সিইও মনীশ শেঠি। বেজায় কর্মব্যস্ত মানুষটি। এদিকে অফিসে এসে কাজের জন্য ল্যাপটপে ইন্টারনেট খুলে বসতেই অভ্যাসবশত মন চলে যাচ্ছিল ফেসবুকে। অনেক ভেবে নিজেই এই সমস্যার সমাধানের উপায়ও বের করে ফেলেন।

২০১২ সালে ক্রেইজলিস্ট নামের একটি শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের ওয়েবসাইটে চড় মারার চাকরির জন্য আবেদন চেয়ে একটি বিজ্ঞাপন দেন মনীশ। সেই বিজ্ঞাপনে কাজও দেয়। চাকরি প্রার্থনা করে আবেদন করেন কারা নামের এক মহিলা। বর্তমানে কারাই মনীশকে চড় দায়িত্বে রয়েছেন। এর জন্য রীতিমতো মোটা পাইনে পান কারা। মাইনে হল ঘণ্টায় ৮ ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় সাড়ে পাঁচশো টাকার কাছাকাছি।

[আরও পড়ুন: মুখ পুড়লেও পোড়েনি মন! অ্যাসিড আক্রান্ত, ধর্ষিতা মেয়েদের লড়াইয়ের গল্প বলে বিষ্ণুর ক্যামেরা]

মনীশের দাবি, অভিনব বন্দোবস্তে কাজ হয়েছে। এখন ফেসবুক কম করেন, কাজে সময় দেন বেশি। সংস্থার কর্মী হিসেবে তাঁর উৎপাদন ক্ষমতা বেড়েছে ৩৫ থেকে ৮০ শতাংশ অবধি। ফলে যিনি তাঁকে চড় মারেন, সেই কারার কাছে কৃতজ্ঞ তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.