সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দু-দশ দিন কিংবা দু-দশ মাস নয়, টানা ১২বছর! হ্যাঁ, এক যুগ স্ত্রীকে ঘরের মধ্যে বন্দি করে রেখেছিলেন স্বামী। যে ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা জানালেন মহিলা নিজেই।
ঘটনা কর্নাটকের মাইসুরুর। মহিলার অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাঁকে নানাভাবে অত্যাচার করতেন। ১২ বছর ধরে তাঁকে একই ঘরে আটকে রেখে দিয়েছিলেন। এমনকী বাড়ির শৌচালয়ও ব্যবহার করতে পারতেন না তিনি। তিনি মল-মূত্র ত্যাগের জন্য সেই ঘরের মধ্যেই একটি বাক্স ব্যবহার করতেন। রীতিমতো বিভীষিকাময় জীবন কাটিয়েছেন। এমনকী নিজের সন্তানদের কাছেও যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হত না তাঁকে।
[আরও পড়ুন: ‘বিহারীবাবু’তেই আস্থা, আসানসোলে ফের লড়াইয়ে শত্রুঘ্ন! ইঙ্গিত মমতার]
মহিলা জানান, “১২ বছর আমাদের বিয়ে হয়েছে। তখন থেকেই আমার স্বামী আমায় ঘরে বন্দি করে রাখত। অত্যাচার করত। প্রতিবেশীরাও কখনও ওকে কিছু বলত না। আমার সন্তানরা স্কুলে যেত। কিন্তু ফেরার পর বাড়ির বাইরে এসে দাঁড়িয়ে থাকতে হত। আমার স্বামী কাজ থেকে বেরিয়ে গেট খুললে তবে তারা ভিতরে ঢুকতে পারত। আমি জানলা দিয়ে ওদের খাবার দিতাম।” অবশেষে সেই ‘বন্দিদশা’ থেকে মুক্তি পেয়ে ওই মহিলা আর পুলিশের কাছে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে চান না। তিনি নিজের বাপের বাড়িতে গিয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আপাতত তাঁর কাউন্সেলিং চলছে।
যদিও পুলিশের দাবি, ১২ বছর নয়, দু-তিন সপ্তাহ ধরে ওই মহিলাকে আটকে হয়েছিল। কাজে বেরনোর আগে স্বামী তালা বন্ধ করে বেরিয়ে যেতেন। ওই ব্যক্তির কাউন্সেলিং চলছে বলেও জানানো হয়েছে। তবে ওই মহিলা এ নিয়ে কোনও লিখিত অভিযোগ জানাননি।
[আরও পড়ুন: প্রযুক্তিতেই সাফল্য, এই পদ্ধতিতে ধরা পড়ল মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র ফাঁস করা ‘দোষী’রা]
সর্বশেষ খবর
-
বাপ কা বেটা! অবিকল শেহওয়াগের মতোই একের পর এক শট ছেলের, ভাইরাল ভিডিও
-
দাপুটে শাহজাহান এখন গুটিয়ে কেঁচো! ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রীকে ‘ডিম থেরাপি’ জনতার
-
সম্পর্ক বাঁচাতে গিয়ে নিজের অস্তিত্বকে মুছে ফেলছেন না তো! বুঝবেন কীভাবে?
-
স্ত্রী, কন্যা-সহ ‘আত্মঘাতী’ অন্ধ্রের ইঞ্জিনিয়র, ধর্মান্তরণের ভয়? অভিযুক্ত শুটিং কোচ সাদিক খান
-
‘কমিউনিস্টরা দুর্গাপুজো শব্দটাই বাদ দিয়েছিল’, বামেদের শারদোৎসবের তীব্র বিরোধিতা দিলীপের