সবেমাত্র আধো-আধো কথা বলা শুরু করেছে। বয়স ২ বছর ৮ মাস। আর এই অল্প বয়সেই তার অসাধারণ স্মৃতিশক্তি আর মেধার যে পরিচয় দিচ্ছে পশ্চিম বর্ধমানের সৃজন কুণ্ডু, তা দেখে তাজ্জব সকলে! স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নাম থেকে দেবদেবীর বাহন আর মন্ত্র, পশুপাখি থেকে সবজি-ফল, মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নাম – কী না বলতে পারে সে? আর এহেন ‘বিস্ময় প্রতিভা’কে খুঁজে বের করে স্বীকৃতি দিল ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’। ২০২৬ সালে তাদের রেকর্ডে নাম উঠেছে খুদে সৃজনের।
বয়স তিন বছর পেরনোর আগেই সে সহজে চিহ্নিত করতে পারে ৬টি পোকামাকড়, ৬টি সরীসৃপ, ১৫টি প্রাণী, ১৫টি সবজি। ছবি দেখামাত্রই বলতে পারে ১৪ জন স্বাধীনতা সংগ্রামী, ১৮ জন দেবদেবীর বাহন, মানবদেহের ২০টি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নাম, ৩৭টি দেশের জাতীয় পতাকা। পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজিতে সপ্তাহের সাত দিনের নাম, বছরের ১২টি মাসের নাম, ১২টি মন্ত্র, হনুমান চল্লিশা আবৃত্তি এবং ভারতের ৮টি জাতীয় প্রতীকের নামও অনর্গল বলতে পারে।
আরও পড়ুন:

জেলার পাণ্ডবেশ্বরের হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা সৃজন কুণ্ডু। বয়স তিন বছর পেরনোর আগেই সে সহজে চিহ্নিত করতে পারে ৬টি পোকামাকড়, ৬টি সরীসৃপ, ১৫টি প্রাণী, ১৫টি সবজি। ছবি দেখামাত্রই বলতে পারে ১৪ জন স্বাধীনতা সংগ্রামী, ১৮ জন দেবদেবীর বাহন, মানবদেহের ২০টি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নাম, ৩৭টি দেশের জাতীয় পতাকা। পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজিতে সপ্তাহের সাত দিনের নাম, বছরের ১২টি মাসের নাম, ১২টি মন্ত্র, হনুমান চল্লিশা আবৃত্তি এবং ভারতের ৮টি জাতীয় প্রতীকের নামও অনর্গল বলতে পারে। সৃজনের এই অসামান্য মেধার কারণে তার নাম উঠেছে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে। আনন্দে আত্মহারা তার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং এলাকাবাসী।
সৃজনের বাবা সুখেন কুণ্ডু পেশায় একজন সিভিক ভলান্টিয়ার, মা রিম্পা গৃহবধূ। তাঁদের কথায়, ছোটবেলা থেকেই সৃজনের স্মরণশক্তি ছিল অত্যন্ত প্রখর। বাড়িতে বা বাইরে কোনও নতুন জিনিস দেখলে সে খুব সহজে তা মনে রাখতে পারত। এরপর নিয়মিত না হলেও প্রায় প্রতিদিনই খেলাধুলার ফাঁকে ছেলেকে নতুন নতুন বিষয় শেখানোর চেষ্টা করা হতো। সৃজনের মা রিম্পা কুণ্ডু জানান, একবার তিনি ছেলেকে হনুমান চল্লিশা শেখাতে শুরু করেন। অবাক করার মতো ঘটনা হল, দ্রুত তা মুখস্থ করে ফেলে সৃজন। এখন যখনই তাকে বলা হয়, সে অনর্গল সকলের সামনে হনুমান চল্লিশা আবৃত্তি করে।

সৃজনের বাবা সুখেন কুণ্ডু জানান, ছেলের অসাধারণ প্রতিভা দেখে তিনি অনলাইনের মাধ্যমে ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ইমেলে সৃজনের বিভিন্ন দক্ষতার ভিডিও পাঠানো হয়। সেগুলি পর্যালোচনা করে কর্তৃপক্ষ মুগ্ধ হন এবং সমস্ত বিষয় যাচাই-বাছাইয়ের পর সৃজনকে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-২০২৬এ বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন। ছেলের এই সাফল্যে গর্বিত সুখেন ও রিম্পা কুণ্ডু বলেন, “আমাদের ছেলেকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন। আমরা চাই সে বড় হয়ে একজন ভালো মানুষ হোক এবং সমাজের জন্য কাজ করুক। সকলের আশীর্বাদ ও ভালোবাসা যেন ওর সঙ্গে থাকে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বারাসত হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শোকজের নির্দেশ ওয়ার্ড মাস্টার সহ বেশ কয়েকজনকে!
-
শিবের মাসে হাতে কাচের সবুজ চুড়ি শুধুই ফ্যাশন? জেনে নিন কী সুফল মেলে
-
দেশভাগের ইতিহাসে বদল, বাদ হিটলার! এনসিইআরটি-র পাঠ্যবইয়ে ঢুকল সাভারকরের স্বরাজের দাবি
-
ডবল ইঞ্জিনে বদলাচ্ছে বাংলা! জনতার দরবারে কাজের খতিয়ান দিতে শ্বেতপত্র সরকারের
-
পেলের হাসি, মারাদোনার অশ্রু! বিশ্বকাপে বাঙালির ‘সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার’