×

৪ চৈত্র  ১৪২৫  বুধবার ২০ মার্চ ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও #IPL12 বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্লাসে পড়াচ্ছেন অধ্যাপক। পিছনের সারিতে বসে অনর্গল মোবাইল ঘাঁটছেন এক পড়ুয়া। কয়েক মিনিট পরেই শিক্ষকের নজর পড়ে যায় ওই পড়ুয়ার উপর। ওই অধ্যাপক প্রথমে ভাবেন ছাত্রটি হয়তো ক্লাসে ফাঁকি দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মগ্ন। তাঁকে প্রশ্ন করতেই সে জানায়, কোনও সোশ্যাল মিডিয়া নয়, আসলে সে তাঁর স্ত্রীকে মেসেজ করে, নিজের ৫ মাসের মেয়ের শারীরিক সুস্থতা সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছিলেন।

[বাঘ সংরক্ষণের বার্তা দিতে বাইকে চেপে বিশ্বভ্রমণে বাঙালি দম্পতি]

২৬ বছর বয়সি ওয়েন হায়ের মাস পাঁচেক আগে বাবা হয়েছেন। তাঁর স্ত্রী এখনও অসুস্থ। সংসার চালানোর পাশাপাশি মাদার হাউস সিনিয়র কলেজে পড়াশোনাও করেন তিনি। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে কলেজে আসার জন্য তাঁর শিশুকন্যাকে বাড়িতে অসুস্থ স্ত্রীর দায়িত্বে রেখে আসতে হয়। স্ত্রী নিজেই অসুস্থ, তাই তাঁর পক্ষে মেয়ের দেখাশোনা করা সম্ভব হয় না। হায়েরের মুখে একথা শুনে ৩৪ বছর বয়সি অধ্যাপক নাথান আলেকজান্ডার বলেন, “তোমার যখন এতই সমস্যা তখন মেয়েকে নিয়েই কলেজে এসো।” প্রথমে হায়ের ভেবেছিলেন, অধ্যাপক হয়তো তাঁর সঙ্গে রসিকতা করছেন। কিন্তু পরে বুঝতে পারেন সত্যিই আলেকজান্ডার তাঁর ৫ মাসের মেয়েকে নিয়েই কলেজে আসতে বলেছেন।

[মারা গিয়েছেন পুলিশ আধিকারিক, শোকে খাওয়া ছাড়ল পোষ্য উট]

অধ্যাপকের কথামতো পরদিনই ক্যারিয়ারে করে নিজের মেয়েকে কলেজে নিয়ে আসেন হায়ের। কিন্তু, তাতেও সমস্যা। আসলে, মেয়েকে সামলাতে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্কের ক্লাসে মনোযোগ দিতে পারছিলেন না পড়ুয়া। তা বুঝতে পেরে অভাবনীয় কাজটি করলেন অধ্যাপক। ছাত্রের কাছ থেকে তাঁর মেয়েকে নিজেই কোলে তুলে নিলেন তিনি। তারপর সেই অবস্থাতেই শুরু করলেন অঙ্ক ক্লাস। এক ছাত্রী সেই ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেন। যা ভাইরাল। ওই অধ্যাপককে কুর্নিশ জানাচ্ছে নেটদুনিয়া।

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং