Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
Rajasthan

৬০ বছরের বর, ৫৮-র কনে! পঁচিশ বছর লিভ-ইন সম্পর্কে থাকা বাবা-মায়ের বিয়ে দিলেন সন্তানরা

যে জমানায় লিভ-ইন সম্পর্ক শুনলে কালে আঙুল দিত দেশবাসী। সেই সময়ে দাঁড়িয়ে সমাজকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছিলেন রত্না এবং কড়বি দেবী। লিভ ইন সম্পর্কের রজত জয়ন্তী পেরিয়ে অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন যুগল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২৬, ২০:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২৬, ২০:১৭

options
link
৬০ বছরের বর, ৫৮-র কনে! পঁচিশ বছর লিভ-ইন সম্পর্কে থাকা বাবা-মায়ের বিয়ে দিলেন সন্তানরা zoom
বিয়ের পিড়িতে বৃদ্ধ রত্না।

হালে লিভ-ইন সম্পর্কের বাড়বাড়ন্ত মাত্রাছাড়া আকার নিয়েছে দেশে। অভিযোগ ওঠে, এই সম্পর্কের জেরে বেড়েছে অপরাধ প্রবণতা। লিভ-ইনের পক্ষে-বিপক্ষে নানা মুনির নানা মত। তবে সে বিতর্ককে পাশ কাটিয়ে নজির স্থাপন করলেন রাজস্থানের এক যুগল। যে জমানায় লিভ-ইন সম্পর্ক শুনলে কালে আঙুল দিত দেশবাসী। সেই সময়ে দাঁড়িয়ে সমাজকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছিলেন রত্না এবং কড়বি দেবী। লিভ ইন সম্পর্কের রজত জয়ন্তী পেরিয়ে অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তাঁরা। বর্তমানে রত্নার বয়স ৬০ এবং কনে কড়বির বয়স ৫৮।

বাঁসওয়ারার আদিবাসী অধ্যুষিত সালিয়া গ্রামের বাসিন্দা রত্না ও কড়বি। জানা গিয়েছে, আর্থিক সংকটের জেরে সামাজিক রীতি মেনে প্রথাগত বিয়ে করতে পারেননি তাঁরা। সেই সমস্যা এড়াতে ২৫ বছর আগে আদিবাসী সম্প্রদায়ের ‘নাতরা প্রথা’ অনুযায়ী একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন তাঁরা। বিশ্বাস ও ভালোবাসায় ভর করে এত বছর পার করেছেন। চার ছেলে-মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন এই যুগল। তবে সময় বদলেছে। অতীতের আর্থিক দুর্দশারও পেরিয়ে বর্তমানে রত্না ও কড়বিদের সংসারে স্বচ্ছলতা এসেছে, একইসঙ্গে শরীরে পড়েছে বার্ধক্যের ছাপ। এই অবস্থায় যুগলকে সামাজিক স্বীকৃতি দিতে আদিবাসী ঐতিহ্য মেনে বিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন ওই যুগলের সন্তানরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিশ্বাস ও ভালোবাসায় ভর করে এত বছর পার করেছেন রত্না এবং কড়বি দেবী। চার ছেলে-মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন এই যুগল।

গায়ে হলুদের মাধ্যমে শুরু হয় বিয়ের অনুষ্ঠান। পরিবার ও সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা যোগ দেন এই নজিরবিহীন বিয়ের অনুষ্ঠানে। আদিবাসী রীতি মেনে বেজে ওঠে ধামসা, মাদল। সঙ্গীত ও ঐতিহ্যবাহী নাচের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বর ও কনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের সাক্ষী হতে আত্মীয়স্বজনদের পাশাপাশি যুগলের বাড়িতে ভিড় জমায় গোটা গ্রাম। এত বছরের লিভ ইন সম্পর্কের পর অবশেষে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পেরে যারপরনাই খুশি রত্না এবং কড়বি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.