Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬

দু’মুখো উলফ স্নেক উদ্ধার ওড়িশায়, বিরল প্রজাতির সাপের ভিডিও ঘিরে জোর চর্চা নেটদুনিয়ায়

উদ্ধারের পর সাপটিকে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২০, ১৮:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২০, ১৮:৫১

options
link
দু’মুখো উলফ স্নেক উদ্ধার ওড়িশায়, বিরল প্রজাতির সাপের ভিডিও ঘিরে জোর চর্চা নেটদুনিয়ায় zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দু’মুখো সাপের কথা কারওর কাছে অজানা নয়। এই ধরনের সাপের লেজের দিকটা একটাই চওড়া যে মাথা বলে ভ্রম হয়। অনেকে একে ব্রাহ্মণী সাপ বলেও চেনে। কিন্তু ওড়িশায় যে সাপের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে তার সত্যিই দু’টো মুখ। অর্থাৎ এর চোখ দু’জোড়া ও জিভ দু’টি। ওড়িশার কেওনঝড় জেলা থেকে এই সাপটি সম্প্রতি খুঁজে পাওয়া গিয়েছে।

সাপটি জাতে উলফ স্নেক। এর প্রজাতি বিরল। তার উপর দুটি মাথা। তাই এই সাপের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে দেরি হয়নি। সুশান্ত নামে নামে বনদপ্তরের এক আধিকারিক এই ভিডিওটি শেয়ার করেন। ২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওয় সাপটিকে নড়াচড়া করতে দেখা গিয়েছে ঠিকই। কিন্তু সাপের যা গতি থাকা উচিত, সেই তুলনায় এই সাপটির গতি অনেকটাই ধীর। বিষেষজ্ঞদের মতে, সাপটির দু’টি মাথা হওয়ায় সামনের দিকের ওজন বেড়ে গিয়েছে। সরীসৃপদের জন্য এটি বেশ সমস্যার। তাই সাপটি তুলনামূলক ধীর। দুটি মাথা হওয়ায় এরা শিকার ধরেও আলাদাভাবে।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: ছোট্ট কুকুরছানাকে ঘুম থেকে তোলার চেষ্টা বিড়ালের, ভাইরাল ভিডিও ]

ওড়িশার কেওনঝড় জেলার দেহনকিকোটে এলাকার একটি বাড়ি থেকে এই বিরল প্রজাতির উলফ স্নেকটি উদ্ধার হয়। উদ্ধারের পর এটিকে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান সুশান্ত নন্দা নামে ওই আইএফএস অফিসার। তবে তিনি যে ভিডিওটি পোস্ট করেছেন, তার ভিউয়ার্সের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ২৩ হাজার ছাড়িয়েছে। অনেকে একে ‘প্রকৃতির বিষ্ময়’ বলেছেন। অনেকে আবার একে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়ার খবরে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

দু’টি মাথা যুক্ত সাপ বিরল হলেও একেবারেই যে দেখা যায় না, তা নয়। এদের পলিসেফালি বলে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পলিসেফালিক সাপ বেশি দিন বাঁচে না। উলফ স্নেক ভারত ছাড়াও পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কায় দেখা যায়। এরা নিশাচর প্রাণী। দিনের বেলা নিষ্ক্রিয় থাকে। তবে এই সাপটি বিষহীন। ফলে গোখরো বা কেউটের মতো এর থেকে ক্ষতির সম্ভাবনা নেই৷

[ আরও পড়ুন: গোয়ায় প্রথমবার দেখা মিলল ব্ল্যাক প্যান্থারের! ‘বাঘিরা’কে দেখে আপ্লুত নেটদুনিয়া ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.