Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Maharashtra

বিক্রি না করে দুধ বিলিয়ে দেন গোয়ালারা! মহারাষ্ট্রের এই গ্রামের আজব রীতি

গল্প হলেও সত্যি!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২০, ১৮:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২০, ১৮:৩৩

options
link
বিক্রি না করে দুধ বিলিয়ে দেন গোয়ালারা! মহারাষ্ট্রের এই গ্রামের আজব রীতি zoom
Advertisement

‌সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ করোনা আবহে সংকটে প্রায় সব শিল্প। এমনকী মন্দার শিকার ডেয়ারি শিল্পও। আর তাই তো কয়েকদিন আগেই দুধের দাম বাড়ানোর দাবি উঠেছিল মহারাষ্ট্র জুড়ে। কিন্তু জানেন কী পশ্চিম ভারতের এই রাজ্যেই এমন একটি গ্রাম রয়েছে, যেখানে প্রায় ৯০ শতাংশ বাড়িতে গবাদি পশু থাকলেও, তার দুধ কখনওই টাকার জন্য বিক্রি করা হয় না। বরং যাঁদের প্র‌য়োজন তাঁদের বিনামূল্যেই দিয়ে দেওয়া হয়। শুনতে অবাক লাগলেও মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলায় রয়েছে এমনই একটি গ্রাম। নাম ইয়েলগাঁও গাওয়ালি। গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, তাঁরা ভগবান কৃষ্ণের বংশধর। আর দীর্ঘদিন ধরে দুধ বিক্রি না করার এই রীতি তাঁদের গ্রামে চলে আসছে। বরং এর বদলে যাঁদের প্রয়োজন তাঁদের বিনামূল্যেই তা দিয়ে দেওয়া হয়।

[আরও পড়ুন: একাকী জীবন, সহচরীর খোঁজে ফের ছাদনাতলায় বাহাত্তরের বৃদ্ধ]

এই প্রসঙ্গে গ্রামের এক বাসিন্দা ৬০ বছর বয়সি রাজাভাউ মানদাড়ে বলেন, ‘‌‘আমাদের গ্রামের নাম ইয়েলগাঁও গাওয়ালি। এর অর্থই হল দুধওয়ালাদের গ্রাম। আমরা শ্রীকৃষ্ণের বংশধর, তাই এই গ্রামে কোনও বাড়িই দুধ বিক্রি করে না।‌’‌’ এর সঙ্গেই তিনি জানান, গ্রামের ৯০ শতাংশ বাড়িতেই গবাদি পশু র‌য়েছে। কিন্তু কেউ-ই দুধ বিক্রি করেন না। আর এই রীতি বহু যুগ ধরেই মানা হচ্ছে। যদি কোনও কারণে দুধ বেশি হয়, তাহলে তা দিয়ে দুগ্ধজাত কোনও দ্রব্য যেমন– ঘি, মাখন তৈরি করা হয় এবং যাঁদের প্রয়োজন তাঁদের দিয়ে‌ দেওয়া হয়। প্রতি বছর মহাধুমধামে জন্মাষ্টমী পালন করা হলেও, এবছর করোনা সংক্রমণের কারণেই তা বন্ধ রাখা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন রাজাভাউ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: নিজের মুখের ছবি আঁকা মাস্ক পরেই রাস্তায় মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী, হাসির রোল নেটদুনিয়ায়]

এদিকে, গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান শেখ কৌসর বলেন, ‘‌‘‌গ্রামে একাধিক ধর্মের মানুষ বসবাস করেন। কিন্তু এই রীতি শুধু হিন্দুরা নন, মুসলিম-সহ অন্যান্য ধর্মের মানুষরাও মেনে চলেন।’‌’ তিনি আরও জানান, গোটা গ্রামে ৫৫০টি পরিবার বাস করে এবং তার মধ্যে ৯০ শতাংশের বাড়িতেই গবাদি পশু র‌য়েছে।‌

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.