BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

অটোমেটিক ফুচকা মেশিন! করোনা কালে ফুচকাপ্রেমীদের সাধ মেটাতে হাজির আজব যন্ত্র

Published by: Biswadip Dey |    Posted: September 16, 2020 3:12 pm|    Updated: September 16, 2020 3:12 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অতিমারীর কবলে পড়ে হাঁসফাঁস অবস্থা এতদিনের চেনা জীবনের। মুখে মাস্ক পরলেই শুধু হবে না, রাখতে হবে সামাজিক দূরত্বও। ঠিক এই কারণেই ফুচকার টক-ঝাল আনন্দ থেকে ইদানীং বঞ্চিত হতে হচ্ছে ফুচকাপ্রেমীদের। কিন্তু এবার তাদের জন্য আশার আলো। দেখা মিলল অটোমেটিক ফুচকা মেশিনের (Automatic pani puri machine)।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral video) হয়েছে একটি ভিডিও। সেই ভিডিওতেই দেখা যাচ্ছে একটি ফুচকা ভেন্ডিং মেশিন। নিউ নর্মাল জীবনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ছোঁয়াচ বাঁচিয়ে ক্রেতাদের কাছে ফুচকা (Pani puri) পৌঁছে দেওয়ার অভিনব পন্থা অবলম্বন করেছেন এক ফুচকা বিক্রেতা। আইএএস আধিকারিক অবনীশ শারণ মঙ্গলবার তাঁর টুইটার হ্যান্ডলে শেয়ার করেছেন ভিডিওটি।

[আরও পড়ুন: গাছের সঙ্গে বিয়ে! ধুমধাম করে প্রথম বিবাহবার্ষিকী সেলিব্রেট করলেন দুই সন্তানের মা]

ছত্তিশগড়ের রায়পুরে অবস্থিত ওই ফুচকার দোকান। ক্রেতারা তাঁদের ফুচকার উপরে পছন্দমতো স্বাদের টকজল ছড়িয়ে নিতে পারবেন। এবং তাও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের সাহায্যে। আদা, টক-মিষ্টি কিংবা ধনে-পুদিনা মেশানো জল তাঁরা ফুচকার সঙ্গে মেশাতে পারবেন।

 

ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে ফুচকা বিক্রেতা গ্লাভস পরা হাতে প্লেট ভরতি ফুচকা পৌঁছে দিচ্ছেন ক্রেতাদের কাছে। এবার ক্রেতারা ইচ্ছেমতো ফুচকা নিয়ে যাচ্ছেন যন্ত্রের মধ্যে থাকা নলগুলির কাছে। আর নিয়ে গেলেই নল থেকে স্বাদু জল বেরিয়ে এসে ছড়িয়ে পড়ছে ফুচকার শরীরে।

[আরও পড়ুন: করোনায় বিয়ে বাড়ি ভরাতে অভিনব উদ্যোগ, অতিথিদের কাট আউট বানিয়ে তাক লাগালেন দম্পতি]

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি শেয়ার করার একদিনের মধ্যেই দেখা হয়েছে ২৪,০০০ বার! জমা পড়েছে অসংখ্য কমেন্ট। অনেকেই ভিডিওয় চমৎকৃত হয়ে জানিয়েছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই ওই ফুচকা বিক্রেতার দোকানে যাবেন। অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ফুচকা বিক্রেতার উদ্ভাবনী শক্তির।

এই প্রথম নয়। এর আগেও দেখা মিলেছিল এমন ধরনের স্বয়ংক্রিয় ফুচকা যন্ত্রের। সেই ভিডিও-ও ভাইরাল হয়েছিল। আসলে করোনা কালে যতটা সম্ভব স্পর্শরহিতভাবে সাধের ফুচকায় রসনাতৃপ্তির আকাঙ্ক্ষা বেড়েছে ফুচকাপ্রেমীদের। সেই আকাঙ্ক্ষার কথা মাথায় রেখেই ফুচকা বিক্রেতারাও ভাবনাচিন্তা শুরু করেছেন কীভাবে সংক্রমণের ঝুঁকি কমিয়ে ফুচকা পৌঁছে দেওয়া যায় ক্রেতাদের কাছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement