Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
গুয়াহাটিতে বৃদ্ধার নাচ

বয়স তো সংখ্যা মাত্র, বৃদ্ধাশ্রমে দিদিমার নাচ দেখলে আপনিও লজ্জা পাবেন

দেখুন মন ভাল করা সেই ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০১৯, ১৫:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০১৯, ১৫:০৩

options
link
বয়স তো সংখ্যা মাত্র, বৃদ্ধাশ্রমে দিদিমার নাচ দেখলে আপনিও লজ্জা পাবেন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  ধূসর চুল, সাদা শাড়ি, তোবড়ানো গাল, বয়সের ভারে নুইয়ে পড়েছেন। আস্তানা ওঁদের বৃদ্ধাশ্রম। কিন্তু তাতে কী? মন এখনও রঙিন। স্বজনদের থেকে দূরে থেকে ঠিকানা বৃদ্ধাশ্রম হলেও সেই চার দেওয়ালের মাঝেই মনের মতো করে খড়-কুটো দিয়ে গড়ে তুলেছেন তাঁদের ভালবাসার আস্তানা। বয়স এক এক জনের আশি কিংবা নব্বই ছুঁই ছুঁই হবে। তবে মনের দিক থেকে এখনও ষোড়শী তেনারা। বার্ধক্যকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিব্যি নেচে চলেছেন গানের তালে তালে। যাদের নাচের ধুমে হার মানতে হয়তো বাধ্য আপনিও। দেখবেন নাকি সেই ভিডিও? চলুন তাহলে।

[আরও পড়ুন: জাতীয় ক্রীড়া দিবসে ‘ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্ট’ শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি]

গুয়াহাটির এক বৃদ্ধাশ্রমের ঘটনা। নাম মাদার ওল্ড এজ হোম। সন্তানদের অবহেলাতেই হোক কিংবা পারিবারিক অশান্তির বেড়াজাল থেকে বেরোতে, নিজের ভিটে-মাটি ছেড়ে অনেকেরই বর্তমান ঠিকানা হয়ে উঠেছে গুয়াহাটির এই বৃদ্ধাশ্রম। স্বজন দূর করেছে তো তাতে কী? নিজের মতো করে শান্তি কিংবা আনন্দ খুঁজে নিতে তো দোষ নেই। আমার আপনার মতো অনেকেরই হয়তো আজকের ব্যস্ত জীবনে এই একলা মানুষগুলির কথা ভাবার সময় নেই। তবে তাঁরা কিন্তু কারও পরোয়া না করেই দিব্যি হাসিমুখে থেকে নিষ্ঠুর সমাজকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে ‘তাঁরাও পারেন’। এমন ঘটনারই সাক্ষী থেকেছে গুয়াহাটির ‘মাদার ওল্ড এজ হোম’। সম্প্রতি সেই বৃদ্ধাশ্রমেই আয়োজন করা হয়েছিল এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানের। আড্ডা, খাওয়া-দাওয়া, অসমিয়া গান-নাচে জমে উঠেছিল আসর। সেখানেই দুই বৃদ্ধার নাচ তাক লাগিয়ে দিয়েছে নেটিজেনদের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘৫০০ টাকা নিয়ে নামিয়ে দে ভাই’, প্যারাগ্লাইডিংয়ে গিয়ে ভাইরাল যুবকের কীর্তি]

বৃদ্ধাদের সেই নাচের ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই বৃদ্ধাশ্রমের অফিশিয়াল পেজ থেকে তুমুলভাবে ভাইরাল হতে শুরু করে সেটি। দুই সঞ্চালকের সঞ্চালনায় এবং গানে বৃদ্ধাশ্রমের হল ঘর তখন জমজমাট। বয়সকে তোয়াক্কা না করেই চেয়ার ছেড়ে উঠে আসলেন বৃ্দ্ধারা। কোমড় নুইয়ে পড়েছে, চুলে ধরেছে পাক, কিন্তু তবুও গানের তালে তালে নাচ থামাতে পারেনি বার্ধক্য। বৃষ্টিভেজা মেঘলা দিনে মন খারাপ হলে দেখে নিন মন ভালো করা এই ভিডিওটি। বৃদ্ধা নয় বরং ওঁদের বলুন ‘উড়ন্ত প্রজাপতি’। সাদাকালো জীবনে নিজেরাই নিজেদের মতো করে রং ভরে নিয়েছেন। এঁকে নিয়েছেন নিজেদের হাসিখুশি মুখের প্রোর্ট্রেট।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.