Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Khooni Juice

ফরিদাবাদের রাস্তায় দেদার বিকোচ্ছে ‘Khooni Juice’, গলা ভিজিয়েছেন কখনও?

বিশেষ এই রসের মাহাত্ম্য জানলে অবাক হবেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২১, ২০:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২১, ২০:৫৪

options
link
ফরিদাবাদের রাস্তায় দেদার বিকোচ্ছে ‘Khooni Juice’, গলা ভিজিয়েছেন কখনও? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক্কেবারে লাল টুকটুকে। প্লাস্টিকের গ্লাস যেন উপচে পড়ছে। উপরের অংশে হালকা রঙের ফেনা রয়েছে। এমনই ‘খুনি জ্যুস’ (Khooni Juice) বিক্রি হচ্ছে ফরিদাবাদের (Faridabad) রাস্তায়। একটি খেলেই পেট কানায় ভরতি হতে বাধ্য।

কিন্তু ‘খুনি জ্যুস’ কেন? হিন্দি ভাষায় খুন শব্দের অর্থ রক্ত। রক্তের মতোই লাল টকটকে রং এই জ্যুসের। সেই কারণেই এমন নাম। তবে রক্তের উল্লেখ শুনে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। কারণ করোনা (Coronavirus) কালে এই জ্যুসের গুরুত্ব অপরিসীম। যাতে অনায়াসে শরীরের ভিতরের শত্রুর নাশ হবে। 

Advertisement

Video of the Popular Khooni Juice in Faridabad Road

[আরও পড়ুন: Offbeat News: পতি পরমেশ্বর! মন্দির তৈরি করে প্রয়াত স্বামীর উপাসনায় এই মহিলা]

এমন কী কী থাকে? প্রথমে দেওয়া হয় কচি পালং পাতা, তারপর উচ্চে, গাজর, কমলালেবু, বিট, আমলা। রক্তের মতো লাল রংটি হয় গাজর আর বিটের মিশ্রণে। তাতে একটু ব্ল্যাক সল্ট ও লেবুর রস দিয়ে পরিবেশন করা হয়। অর্থাৎ ভিটামিন ও প্রোটিনে ভরপুর এই ‘খুনি জ্যুস’। যা নিমেষের মধ্যে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অব্যর্থ। আর এই কোভিড (COVID-19) পরিস্থিতিতে যখন স্বাস্থ্যই সম্পদ, তখন এমন জ্যুসই তো প্রয়োজন, যা শরীরের ভিতরে থেকে তার শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করে।

ফরিদাবাদের ভগৎ সিং চকের রাস্তায় ‘খুনি’ এই জ্যুস বিক্রি করেন নদীম নামের এক বিক্রেতা। নিজের ইউটিউব (YouTube) চ্যানেলে তাঁর ভিডিও আপলোড করেন ফুড ব্লগার রজনীশ জ্ঞানী (Rajneesh Gyani)। ভিডিও অনেকেই এই স্বাস্থ্যকর জ্যুসের প্রশংসা করেন। যাঁরা জ্যুসটি পান করেছেন, তাঁরা আবার স্বাদেরও প্রশংসা করেছেন। অর্থাৎ স্বাস্থ্যকর হওয়ার পাশাপাশি স্বাদেও অনবদ্য এই জ্যুস। প্রতি গ্লাসের দাম পঞ্চাশ টাকা। আবার ২০ টাকার জ্যুসও পাওয়া যায়। কেউ যদি শুধু কমলালেবুর পান করতে চান, তাও রয়েছে নদীমের কাছে।

[আরও পড়ুন: কামড়ের বদলা কামড়! যুবকের দংশনে বিষাক্ত কেউটের মৃত্যু, ওড়িশার গ্রামে চাঞ্চল্য]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.