জল-ওয়াটার-পানী। একই জিনিসের আলাদা আলাদা নাম। বলেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস। যত্ন সহকারে করাচির মারাঠি পরিবারের গণেশমূর্তি রং করে সেই কথাই মনে করিয়ে দিলেন পাকিস্তানের এক মুসলিম শিল্পী! গণেশ চতুর্থীর আগে সমাজমাধ্যম ভাইরাল হয়েছে সীমান্তপারের এই হৃদয়স্পর্শী ভিডিও। নেটিজেনরা বলছেন, সংস্কৃতির এমন মেলবন্ধনই ঘোচাতে পারে বিদ্বেষের বিষ।
ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি পোস্ট করেছেন অমর প্রকাশ নামের এক যুবক। তিনি নিজেকে করাচি-নিবাসী একজন মারাঠি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, একটি মন্দিরের ভিতরে রাখা গণেশ মূর্তি। মুখে দাঁড়ি, মাথায় ফেজ টুপি পরা এক শিল্পী সেটিকে নিষ্ঠার সঙ্গে রং করছেন। প্রথমে ‘স্প্রে পেইন্ট’ (এক ধরনের রং) ব্যবহার করেন মূর্তিতে। এরপর মূল রং বা ‘বেস কালার’ লাগান তিনি। ধীরে ধীরে মূর্তিতে সোনালি ও রুপালি রঙের আভা ফুটে ওঠে। ঝলমলে মূর্তিটি যেন প্রাণ পায়।
আরও পড়ুন:
View this post on Instagram
এই ভিডিওর ক্যাপশানে অমর লিখেছেন, ‘‘করাচিতে একটি মহারাষ্ট্রীয় পরিবারের পরিচালনায় থাকা ‘গণেশ মঠ মন্দির’-এর ভেতরে এক মুসলিম শিল্পী গণপতি বাপ্পার মূর্তিতে রং করছেন।’’ ভিডিওর উপর লেখা— “কে হিন্দু, কে মুসলিম? গণেশের মহিমা এবং করাচির সৌন্দর্য।” এই ভিডিওই মন জিতে নিয়েছে নেটপাড়ার। নিমেষে ভাইরাল হয়েছে সেটি। লাইক-কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, “মানবতাই শ্রেষ্ঠ ধর্ম।’’ একজন লিখেছেন, “ধর্মের ঊর্ধ্বে শিল্পকর্ম।” কমেন্ট সেকশন ‘হার্ট’ ইমোজিতে ভরে উঠেছে। হেরে গেছে দ্বেষ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সামান্থা-বিজয়-লক্ষ্মণ-মিতালি-সহ বহু তারকাকে এসআইআর নোটিস, থাকছে বিশেষ ‘ছাড়’ও!
-
‘হিন্দু বলে আমার মাকেও পালিয়ে আসতে হয়েছিল’, চিন্ময় প্রভুর চোখের জল দেখে অতীত স্মরণ শুভেন্দুর
-
ইংরেজি অনুবাদে রবীন্দ্রনাথকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বৃহত্তর পরিসরে, প্রয়াত কেতকী কুশারী ডাইসন
-
নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে রাজ-শুভশ্রীর জলকেলি, ছেলে যুবানের জন্মদিনে রোম্যান্টিক টুইস্ট!
-
‘বাঙালি নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি, মাছ দিয়ে প্রসাদ দিতে জানে’, বাগেশ্বর বিতর্কে সোজাসাপ্টা শুভেন্দু