সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বনের রাজা বাঘ না সিংহ? না-কি গজরাজই আদতে রাজত্ব চালান সবুজ গভীর অরণ্যের দেশে, মহিরুহ তাকে ডরায় সব প্রাণী! এই প্রশ্নের উত্তর দিল সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া এক ভিডিও (Viral Video)। যেখানে দেখা গেল, হাতির পালকে জঙ্গলের রাস্তা পার হতে দেখে লেজ গুটিয়ে পথ ছাড়ল বাঘ বাবাজি। অবশ্য পারস্পারিক বোঝাপড়ার নিদর্শন রেখেছে হাতিগুলিও। বাঘের দিকে তেড়ে যায়নি তারা।
ভাইরাল ভিডিওটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছিলেন বিশেষজ্ঞ বন্যপ্রাণ চিত্রগ্রাহক বিজেতা সিনহা। পরে তা টুইটারে শেয়ার করেন বন দপ্তরের আধিকারিক সুশান্ত নন্দ। সেখানে দেখা গিয়েছে, বুনো জঙ্গলের মাঝে সরু রাস্তা। যা পার হচ্ছে এক দল হাতি। তখনই সেখানে হাজির হয় একটি বাঘ। পাকেচক্রে মুখোমুখি হয়ে যায় হাতি ও বাঘ। যদিও তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাধেনি মোটেই।
[আরও পড়ুন: ১০ লক্ষ চাকরি, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর, কর্ণাটকে ইস্তেহার প্রকাশ বিজেপির]
বরং দেখা গিয়েছে, হাতির পালকে দেখেই ঘাবড়ে যায় বাঘটি। লেজ গুটিয়ে বসে পড়ে রাস্তার একপাশে অপেক্ষা করে। এক এক করে সবকটি হাতি রাস্তা পেরিয়ে গেলে উঠে দাঁড়ায় বাঘ। এর মধ্যে আরও একটি হাতি এসে পড়ে। শান্ত ভাবে তাকেও জায়গা ছেড়ে দেয় বাঘটি।
This is how animals communicate & maintain harmony…
Elephant trumpets on smelling the tiger. The king gives way to the titan herd😌😌
Courtesy: Vijetha Simha pic.twitter.com/PvOcKLbIud— Susanta Nanda (@susantananda3) April 30, 2023
[আরও পড়ুন: বারণ সত্বেও বিয়েবাড়িতে যাচ্ছে কেন? ৮০ বার ছুরির কোপে মাকে হত্যা করল ছেলে]
বন দপ্তরের আধিকারিক সুশান্ত নন্দ তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “কীভাবে প্রাণীরা জঙ্গলে বোঝাপড়া করে চলে… বাঘের গন্ধ পেয়ে শুঁড় দুলিয়ে আওয়াজও করেছে হাতি। তবে কেউ কারও দিকে তেড়ে যায়নি।” তবে বাঘটি যে বেজায় ভয় পেয়ে লেজ গুটিয়ে রাস্তার একপাশে স্থির হয়ে বসেছিল, তা কিন্তু ভিডিওতে দেখা গিয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
এবার ‘কেরালায় কুরুক্ষেত্র’ বাঁধাবেন একেনবাবু, সম্মুখ সমরে ঋত্বিক! আর কোন চমক?
-
অবশেষে শুরু অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদন, কীভাবে পূরণ করবেন ফর্ম? জানুন খুঁটিনাটি
-
হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতি আর কতদিন! দিল্লিতে বিক্ষোভ ককরোচ পার্টির, নিরাপত্তা দিল শাহের পুলিশ
-
শওকতের গ্রেপ্তারিতে ভাঙড়ে মিষ্টি বিলি আরাবুলের, তুমুল নাচ আইএসএফ কর্মীদের
-
বিশ্বাস ভাইদের অবিশ্বাস্য কীর্তি! এলআইসির জমি ‘জবরদখল’ সুরুচি সংঘের