Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Personal Finance

গিল্টসে লগ্নি সম্ভব সহজ নিয়ম মেনেই, জেনে নিন লক্ষীলাভের উপায়

বিবিধ সরকারি ঋণপত্রে বিনিয়োগ করুন রিজার্ভ ব্যাংকের রিটেল ডিরেক্ট পোর্টালের মাধ্যমে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২২, ১৮:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২২, ১৮:৩৬

options
link
গিল্টসে লগ্নি সম্ভব সহজ নিয়ম মেনেই, জেনে নিন লক্ষীলাভের উপায় zoom

আরবিআই-এর নীতি অনুযায়ী সাধারণ খুচরো লগ্নিও গিল্টস মার্কেটে করা সম্ভব। আমার, আপনার মতো সাধারণরা যাতে গিল্টস তথা সরকারি ঋণপত্রে লগ্নি বিনা বাধায়, সুগমভাবে করতে পারেন, তার কয়েকটি উপায় নিচে সংকলন করল টিম সঞ্চয়

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ম্প্রতি আমরা বলেছি রিটেল ইনভেস্টর সচরাচর সরাসরি গভর্নমেন্ট সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করেন না, ভাবেন এই ক্ষেত্রটি সম্পূর্ণভাবে প্রাতিষ্ঠানিক লগ্নিকারীদের জন‌্যই কেবল। এই লেখায় বিশদভাবে আমরা জানাচ্ছি যে, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নীতি অনুযায়ী সাধারণ খুচরো লগ্নিও গিল্টস মার্কেটে করা সম্ভব, এবং এই বিষয়ে সরকার ইদানীং আরও উদার মনোভাব দেখিয়েছেন।

আম আদমি যাতে সরকারি ঋণপত্রে বিনিয়োগ করতে পারেন, তার পদ্ধতি বেশ সোজাসাপ্টা। নিচে দেওয়া কিছু নিয়ম মেনে চললে অসুবিধা হবে না। প্রথমেই বলে রাখা উচিত যে লগ্নিকারীকে রিজার্ভ ব্যাংকের রিটেল ডিরেক্ট পোর্টাল ব‌্যবহার করে তাঁর যাত্রা শুরু করতে হবে। এই পোর্টালের মাধ‌্যমে তিনি বিবিধ সরকারি ঋণপত্রে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এগুলির মধ্যে আছে ট্রেজারি বিল, সভারেন গোল্ড, এবং অবশ‌্যই সেন্ট্রাল এবং স্টেট গভর্নমেন্ট সিকিউরিটিজ। প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি মার্কেট, দুই-ই তাঁর আয়ত্বের মধ্যে আসবে।

[আরও পড়ুন: রিস্ক-রিটার্ন বুঝে বাছুন রিটায়ারমেন্ট ফান্ড, অববশ্যই মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি]

গিল্টসে বিনিয়োগ করলে কী ধরনের সুবিধা পেতে পারেন, তা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। ছোট একটি তালিকা প্রস্তুত করা হল। lগিল্টস হল সভারেন গোত্রের ঋণপত্র। অর্থাৎ সরকারি প্রতিশ্রুতি আছে-সুদ পাওয়া এবং মূল অর্থ ফেরত পাওয়া, দুই-ই সরকারি দায়িত্ব। নিয়মিত হাফ-ইয়ারলি রিটার্ন পেতে চাইলে (অর্থাৎ সুদ) এই জাতীয় ইনস্ট্রুমেন্টস সাবধানী এবং রক্ষণশীল বিনিয়োগকারীর জন‌্য আদর্শ হতে পারে। পেপারলেস পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ ডিম‌্যাটিরিয়ালাইজড অবস্থায় আপনার রিটাল ডিরেক্ট গিল্ট অ‌্যাকাউন্টে আপনার হোল্ডিংগুলি থাকবে। এই অ‌্যাকাউন্টের জন‌্য কোনওপ্রকার খরচ করতে হবে না আপনাকে।

যাঁরা স্বল্প মেয়াদের জন‌্য বিনিয়োগ করতে চান খুব সুরক্ষিতভাবে, তাঁরা ৯১দিনের জন‌্য ট্রেজারি বিলস বেছে নিতে পারেন। যাঁরা সত্যিই দীর্ঘ মেয়াদের কথা ভাবেন তাঁদের জন‌্য আছে লম্বা দৌড়ের ঘোড়া – ৪০ বছরের গিল্টসও পাওয়া সম্ভব। কাজেই সাধারণ বিনিয়োগকারী যেন আগে তাঁর মেয়াদ সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারণা করে নেন। সেটি বুঝেই যেন যথাযথ ঋণপত্রটি কেনেন তিনি। সেকেন্ডারি মার্কেটে গিল্টস বিক্রি করা খুব শক্ত নয়। বেচাকেনা চলে বাজারের সমস্ত সাধারণ নিয়ম কানুন মেনেই। লং ডেটেড গভর্নমেন্ট বন্ড এবং স্টেট ডেভেলপমেন্ট লোন এই বাজারের দুই গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। এই দুই ক্ষেত্রেই লগ্নিকারী ভাল ইল্ড পেতে পারেন শর্তসাপেক্ষভাবে। তবে তার জন‌্য অবশ‌্যই তাঁকে সতর্ক থাকতে হবে, যথাসম্ভব দ্রুত সুযোগ খুঁজতে হবে। ইন্টারেস্ট রেট ভোলাটিলিটি বিষয়ে সম্পূর্ণভাবে জেনেই এই বাজারে পা রাখা ভাল বলে সকলে বলে থাকেন।

[আরও পড়ুন: সেবির তালিকাভুক্ত সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ, অভিযোগ জানান ‘স্কোরস’-এর মাধ্যমে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.