Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Hybrid Funds

ছাব্বিশে বাড়বে হাইব্রিড ফান্ডের গ্রহণযোগ্যতা?

ইদানিং এই জাতীয় প্রকল্পের সংখ‌্যা বৃদ্ধি পেয়েছে

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ১৬:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ১৬:২৯

options
link
ছাব্বিশে বাড়বে হাইব্রিড ফান্ডের গ্রহণযোগ্যতা? zoom

হাইব্রিড ফান্ড নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী পেশাদার বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের বিশ্বাস, আগামী বছরে হাইব্রিড বাজারের অনিশ্চয়তা দূর করতে সাহায্য করবে বহুলাংশে। জানাচ্ছে টিম সঞ্চয়

অনেক আর্থিক উপদেষ্টা এবং প্রফেশনাল বিনিয়োগকারী মনে করেন আগামী বছরে, মানে ২০২৬ সালে হাইব্রিডের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। একাধিক কারণ আছে এমন ভাবার। উল্লেখ করা যেতে পারে, ইদানিং এই জাতীয় প্রকল্পের সংখ‌্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, নতুন প্রজন্মের প্রকল্প আরও আসছে বলেই খবর।

Advertisement

তিন প্রধান কারণ:
১. পুরোদস্তুর ইক্যুইটির জন্য বিরাট রিস্ক নিতে প্রস্তুত নন সব ধরনের ইনভেস্টর।
২. কেবলমাত্র ডেট আর ভাল রিটার্নের দরজা খুলবে না, এটা বেশ বুঝেছেন প্রায় সকলেই।
৩. নির্দিষ্ট দুটি কমোডিটি, সোনা আর রুপো, নিতে পারবেন তাঁরা হাইব্রিড ব্যবহার করে।

টিম সঞ্চয় যাঁদের সঙ্গে কথা বলেছে, তাঁদের প্রত্যেকের বিশ্বাস যে, হাইব্রিড বাজারে প্রবলভাবে অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা কাটাতে সাহায্য করবে সামনের বছরে।

এই প্রসঙ্গে কয়েকটি পয়েন্ট:
১. বাজারে নানা অনিশ্চয়তা বজায় থাকার প্রেক্ষিতে নতুন সাল আরম্ভ করার পক্ষে হাইব্রিড পোর্টফোলিও সহায়ক।
২. আরও শক্তিশালী কিছু প্রোডাক্ট আসতে চলেছে বলে মনে করছেন অনেকে, তাতে ইক্যুইটির বহর হয়তো কমানো যাবে, আর অন্য asset class বেশি রাখা যাবে।
৩. বিশেষ করে কনজারভেটিভ হাইব্রিড ফান্ড নিয়ে আগ্রহ বাড়ানোর পক্ষে এক শ্রেণীর ইন্টারমিডিয়ারি। সাবেকি সিনিয়র সিটিজেন ও কিছু ওই ধরনের কনজারভেটিভ লগ্নিকারীদের জন্য সুবিধাজনক হবে।
৪. বিনিয়োগকারীদের একাংশ SWP করতে পারেন হাইব্রিডে এককালীন লগ্নি করে, তবে তার জন্য সব শর্ত মানতে হবে। “ক্যাপিটালে যেন হাত না পড়ে” — এই কথা অনেকে বলেন। তাঁদের পক্ষে শর্তগুলি আলাদা ভাবে উল্লেখ করা জরুরি।

টিম সঞ্চয় যা জানতে পেরেছে–
১. রিস্ক ও রিটার্নের মধ্যে তুলনামূলক ভারসাম্য মানে ব্যালেন্স বজায়
রাখতে সক্ষম, এমন হাইব্রিড চান সাধারণ লগ্নিকারী।

২. স্টক ও বন্ড–এই দু’ধরনের asset খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সবার জন্য। তবে allocation একমাত্রিক নয়, যে যার নিজের রিস্ক বুঝে করবেন। শুধু সিলভারে আলাদা ভাবে লগ্নি করা যেতে পারে, গোল্ডেও তাই। তিনটি মিলে যাবে বিশেষ শ্রেণীর হাইব্রিডে। সঙ্গে ডেট হয়তো থাকবে, তা থাকার ফলে বাজারের বড় ওঠানামার ধাক্কা কিছুটা হলেও সামলানো যাবে। তার মানে তুলনায় কম ভোলাটিলিটির বিকল্প হিসেবে হাইব্রিড আরও জনপ্রিয় হবে। যে সব বিনিয়োগকারী ইকু‌্যইটির বাজারে দোলাচল দেখে স্বস্তি পান না (ও নিজের মূলধন রক্ষা করতে চান), তাঁরা হাইব্রিডকে গুরুত্ব দেবেন।

৩. অন্যদিকে অ্যাগ্রেসিভ হাইব্রিড যেগুলি (মানে যেখানে ইক্যুইটির অংশ তুলনামূলক বেশি) সেগুলিও জনপ্রিয়তা ধরে রাখবে। এমন বিনিয়োগকারীরা আসবেন, যাঁরা ইক্যুইটি-জনিত
গ্রোথের সুযোগ নিতে চান, কিন্তু একই সঙ্গে কিছুটা ডেট-ভিত্তিক সুরক্ষাও ছাড়তে চান না। ফলত, অ্যাগ্রেসিভ হাইব্রিড জাতীয় প্রকল্প শুধু বড় অঙ্কের অ্যাসেট আন্ডার ম্যানেজমেন্ট সংগ্রহ করতে পারবেন, এমনই জানাচ্ছেন পেশাদাররা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.