২৫০০ কোটির সম্পত্তিতে লোভ নেই! গ্রামে ৪৫০০ মাইনের চাকরি করছেন অক্ষয়পুত্র, কেন জানেন?
দেশে-বিদেশে বাবার কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি থাকতেও গ্রামেগঞ্জে ঘুরে যৎসামান্য মাসমাইনের কাজ করছেন আরব ভাটিয়া। কী করেন তিনি?
আরও পড়ুন:
অক্ষয় কুমার যদিও চান যে ছেলে তাঁর প্রযোজনা সংস্থার দেখভাল করুক কিংবা দায়িত্ব নিক। কিন্তু আরবের সেসবে ধ্যান নেই। সে বরং নিজের প্যাশন নিয়ে ব্যস্ত। ফ্যাশন দুনিয়ায় নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে চান অক্ষয়পুত্র। সেইজন্যই 'ধনকুবের' বাবার সম্পত্তির প্রতি তাঁর কোনও মোহ নেই। আরব বরং গ্রামে গ্রামে ঘুরে দিব্যি কাজ শিখছেন।
একাধিক সাক্ষাৎকারে ছেলেকে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খিলাড়ি! তাঁর মন্তব্য, আরব বড়ই সরল। মানুষ চিনতে ভুল করেন। অথচ খিলাড়ির 'বৈসয়িক স্ট্র্যাটেজি' নিয়ে সিনেপাড়ায় বিস্তর আলোচনা। তিন দশকের কেরিয়ারে দেশে-বিদেশে ২৫০০ কোটির সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন। কিন্তু সেসবের প্রতি কোনও লোভই নেই আরবের! 'ভূত বাংলা'র প্রচারে নিজেই সেকথা ফাঁস করলেন অভিনেতা।
আরও পড়ুন:
অক্ষয় কুমার জানান, "আমার ছেলে একেবারেই সিনেমা নিয়ে আগ্রহী নয়। বেচারা মাত্র সাড়ে ৪ হাজার টাকা মাসমাইনের চাকরি করে। আমি মনে করি, এটা খারাপ কিছু না। আসলে আরবের ফ্যাশনের প্রতি ঝোঁক রয়েছে। সেই জন্যেই বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে ঘুরে ও ব্লক প্রিন্ট কিংবা এই জাতীয় নানা ধরনের কাজ শেখে।" এক্ষেত্রে ছেলেকে কী পরামর্শ দেন খিলাড়ি?
অক্ষয়-টুইঙ্কল পুত্রর বয়স বর্তমানে ২৪। সোশাল মিডিয়ায় তাঁর সুদর্শন চেহারা দেখে অনেকেই আরবকে মডেল-অভিনেতা হিসেবে দেখার ইচ্ছেপ্রকাশ করেন। কিন্তু খিলাড়িপুত্র লাইমলাইটের দুনিয়া থেকে শতহস্ত দূরে। থাকেন মার্কিন মুলুকে। সেখানেই নিজের মতো করে কাজ খুঁজে নিয়েছেন তিনি। শিক্ষানবীশ হিসেবে মাঝেমধ্যেই প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঢুঁ মারতে হয় তাঁকে। তবে মাইনে বড়ই যৎসামান্য! (ছবি- সংগৃহীত)