কানের মঞ্চেও ‘স্টার কিড’ খোঁচা, মেয়ের সমর্থনে সোনি বললেন, ‘ও কার মেয়ে সেটা নিজে ঠিক করেনি’
কান চলচ্চিত্র উৎসবে আলিয়ার উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক তৈরি হলেও কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি অভিনেত্রী। তবে বেশ কিছুটা সময় পেরিয়ে মেয়ের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন সেলেব মম সোনি রাজদান।
অভিনয় বা ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে বিশেষ কটাক্ষের শিকার হন না। তবে ছাব্বিশে কানের লাল গালিচায় পা রাখতেই সমালোচনার ঝড়। তারকা কন্যা হওয়ার সুবাদেই বিশ্বমঞ্চে আমন্ত্রণ পেয়েছেন। এমন কটাক্ষেও জর্জিরত অভিনেত্রী। কান চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলেও কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি আলিয়া। তবে বেশ কিছুটা সময় পেরিয়ে মেয়ের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন সেলেব মম সোনি রাজদান।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সামনে আলিয়ার সমর্থনে কথা বলেছেন। তারকা পরিবারের সন্তান হওয়ার সুবাদেই এত জনপ্রিয়তা। বিশ্বমঞ্চে নিজের দেশ ও দেশের সংস্কৃতিকে তুলে ধরার সুযোগ পান। এই যুক্তিগুলো মানতে নারাজ আলিয়ার মা। প্রবীণ অভিনেত্রী উল্লেখ করেন, তিনি নিজে চলচ্চিত্র জগতের বাইরের মানুষ। তবুও লাইমলাইট কাড়তে পারেননি। কিন্তু, কাজের প্রতি একাগ্রতা, নিষ্ঠা এবং কঠোর শ্রমেই সাফল্যের সিঁড়ি চড়তে পেরেছেন।
আরও যোগ করেন, তারকা পরিবারে জন্ম নেওয়ায় আলিয়াকে কখনই দোষারোপ করা যায় না। তাঁর কথায়, "আলিয়া কার মেয়ে, সেটা নিজে ঠিক করেনি। তাই তাঁকে দোষ দেওয়া যায় না। আমি চলচ্চিত্রে জগতের বাইরের মানুষ। ইন্ডাস্ট্রিতে জমি শক্ত করতে অনেক সংগ্রাম করেছি। আমি যখন ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছি তখন অনেকেই এমন ছিলেন যাঁরা চলচ্চিত্র পরিবারের সন্তান। কখনও সেটা নিয়ে ভাবিনি। অন্যকে দোষ দেওয়া খুব সহজ।"
সোনি রাজদান স্বীকার করেন পারিবারিক পরিচয়ের কারণে আলিয়া হয়তো তাঁর প্রথম চলচ্চিত্রের অডিশনের সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে যা অর্জন করেছেন সেটা সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমের ফল। যদি আলিয়া অডিশনে ভালো পারফর্ম না করতেন তাহলে তো অভিনয়ের সুযোগই পেতেন না। প্রতিটি সাফল্যই প্রতিভা, যোগ্যতা এবং নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এবছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে আলিয়ার উপস্থিতি নিয়ে তুমুল সমালোচনা হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে সোনির বক্তব্য, "সোশাল মিডিয়ার সমালোচনাকে বাস্তবতার প্রতিফলন মনে করা উচিত নয়। প্রতিনিয়ত এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হই। যারা কানে গিয়েছিলেন, তাঁরা প্রত্যেকেই একটি নির্দিষ্ট কারণেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। প্রত্যেকে বিশ্বমঞ্চে কিছু না কিছু অর্জন করেছেন বলেই আমন্ত্রিত হয়েছিলেন। কেউই সেখানে কাকতালীয়ভাবে যাননি। তাই নেতিবাচক মন্তব্যে গুরুত্ব দেওয়া অনুচিত।"