এশিয়া কাপের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল টিম ইন্ডিয়ার। দুবাইতে আইসিসি অ্যাকাডেমিতে অনুশীলনে নেমে পড়লেন গিল-বুমরাহরা। এর মধ্যে ভাইরাল হার্দিক-সূর্যদের চুলের ছাঁট। সত্যিই কি চুলের রং বদলেছেন তারকারা? ছবি: বিসিসিআই
২১১
৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এশিয়া কাপ। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে মূলত দুটি ভেন্যুতে ম্যাচগুলি খেলা হবে। যার মধ্যে ১১টি ম্যাচ হবে আবু ধাবিতে। বাকি আটটি ম্যাচ হবে দুবাইয়ে। ছবি: বিসিসিআই
৫ সেপ্টেম্বর থেকে দুবাইয়ে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি শিবির। ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চারদিনের একটা প্রস্তুতি শিবির হবে। এশিয়া কাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ ১০ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে। ছবি: বিসিসিআই
৪১১
তারপর ১৪ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই। ১৯ সেপ্টেম্বর ওমানের বিরুদ্ধে ম্যাচ। সাধারণত, বিদেশে কোনও বড় টুর্নামেন্ট বা সিরিজে একসঙ্গেই যায় ভারতীয় দল। তবে এশিয়া কাপে সূর্যকুমার যাদবদের সঙ্গে সেটা হয়নি। সব প্লেয়াররা আলাদা আলাদা করে দুবাই পৌঁছেছেন। ছবি: বিসিসিআই
৫১১
ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সূর্যকুমার যাদব ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার চুলের ছাঁটের ছবি। যেখানে দেখা যায়, নিজের চুল সম্পূর্ণ সাদা করে ফেলেছেন হার্দিক। তাঁর চুলের রং নিয়ে কোনও সংশয় নেই। অনুশীলনেও সেভাবেই উপস্থিত হার্দিক। ছবি: বিসিসিআই
কিন্তু সূর্যর ছবিটা সম্পূর্ণ 'ফেক'। ভাইরাল ছবিতে দেখা যায়, তাঁর চুলের রং সম্পূর্ণ গোলাপি। সেটা 'ফেক' ছবি। অনুশীলনে দেখা গেল, ভারতের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক চুলে রং করাননি। তবে নতুন ছাঁট দিয়েছেন। বাঁদিকে ভুয়ো ছবি।
৭১১
সূর্যকুমার যাদবদের জার্সিতে থাকছে না কোনও স্পনসরের নাম। কারণ ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্পনসর পদ থেকে সরে যাচ্ছে ড্রিম ১১। ফলে যে নতুন অনুশীলন জার্সি পরলেন, তাতে কোনও স্পনসর নেই।
৮১১
এশিয়া কাপের স্কোয়াডে শুভমান গিল থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, সঞ্জু আদৌ সুযোগ পাবেন? অনেকেরই মনে হচ্ছে, টপ অর্ডারে যদি ব্যাটিংয়ের সুযোগ না আসে, তাহলে উইকেটকিপার হিসেবে জিতেশ শর্মাকে খেলানো হতে পারে। তবে সঞ্জুকে তিন নম্বরে খেলানো হতে পারে। ছবি: বিসিসিআই
৯১১
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে পাঁচটির মধ্যে মাত্র তিনটি টেস্টে খেলেছেন জশপ্রীত বুমরাহ। যা নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি। এশিয়া কাপে সেটা হওয়ার সম্ভাবনা কম। ছবি: বিসিসিআই
১০১১
ভারতের পেস বিভাগকে নেতৃত্ব দেবেন জশপ্রীত বুমরাহ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ভারতের কুড়ি-বিশের দলে ফিরছেন তিনি। সঙ্গে পাবেন হর্ষিত রানা ও অর্শদীপ সিংকে। টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার অর্শদীপ। ছবি: বিসিসিআই
১১১১
এর পাশাপাশি দলে বরুণ চক্রবর্তী, অক্ষর প্যাটেল ও কুলদীপ যাদবের মতো স্পিনার রয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। ছবি: বিসিসিআই
রস টেলর থেকে ইয়ন মর্গ্যান, একাধিক দেশের হয়ে খেলেছেন যে ক্রিকেটাররা
কোনও ভারতীয় আছেন এই তালিকায়?
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫, ২১:৫৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫, ২১:৫৭
১১০
ইয়ন মর্গ্যান: দু'টি দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন তিনি। প্রথমে আয়ারল্যান্ড এবং পরে ইংল্যান্ডের হয়ে। আয়ারল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর হাতেখড়ি। পরে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেন। দুই দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করা একমাত্র ব্যাটার তিনি।
২১০
জো বার্নস: অস্ট্রেলিয়া এবং ইটালি, দু'টি দেশের হয়েই খেলেছেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর নেতৃত্বে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করেছে 'ফুটবলের দেশ' ইটালি। সেই দলের মূল শক্তি জো বার্নস। অধিনায়কও তিনি। তবে এর আগে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন বার্নস।
টিম ডেভিড: তিনি কেরিয়ার শুরু করেছিলেন সিঙ্গাপুরের হয়ে। কিন্তু বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেন। ডানহাতি ফিনিশার এখন পর্যন্ত চারটি ওয়ানডে এবং ৬০টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। যার মধ্যে সিঙ্গাপুরের হয়ে ১৪টি ম্যাচও আছে।
৪১০
ডেভিড উইজ: দক্ষিণ আফ্রিকায় নিজের কেরিয়ার শুরু করেন উইজ। পরে নামিবিয়ায় যোগদান করেন। তিনি ২০১৩-১৬ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলেন এবং তারপর ২০২১ সালে নামিবিয়ার হয়ে খেলা শুরু করেন।
৫১০
কোরি অ্যান্ডারসন: নিউজিল্যান্ডের হয়ে লোয়ার-অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার পর, কোরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলা শুরু করেছেন। তিনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলেছেন। ৩৩ বছর বয়সি এই খেলোয়াড় এখন পর্যন্ত ১৩টি টেস্ট, ৪৯টি ওয়ানডে এবং ৪২টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন।
রস টেলর: নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের সর্বকালের সেরাদের অন্যতম তিনি। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের খেতাবও জিতেছেন। অবসর ঘোষণার ৩ বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছেন তিনি। তবে নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলবেন না টেলর। খেলবেন নিজের দেশ সামোয়ার হয়ে।
৭১০
ইফতিখার আলি খান পতৌদি: তিনিই একমাত্র ক্রিকেটার যিনি ইংল্যান্ড এবং ভারত উভয়ের হয়েই টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। পতৌদির অষ্টম নবাব ১৯৩২-৩৩ বডিলাইন সিরিজে ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৪৬ সালে ইংল্যান্ড সফরে তিনি ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ছিলেন। পতৌদি মোট ছয়টি টেস্ট খেলেছিলেন, তিনটি ইংল্যান্ডের হয়ে এবং তিনটি ভারতের হয়ে।
৮১০
আবদুল হাফিজ কারদার: ভারতের হয়ে তিনটি টেস্ট খেলা কারদারকে পাকিস্তান ক্রিকেটের অগ্রদূত বলা হয়। ১৯৫২ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের হয়ে মোট ২৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। সমস্ত ম্যাচেই অধিনায়কত্ব করেন। এহেন কারদার ভারতের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলেন ১৯৪৬ সালে।
৯১০
গুল মহম্মদ: ১৯৪৬ থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত ভারতের হয়ে ৮টি টেস্ট ম্যাচ খেলেন। যদিও ১৯৫৬ সালে করাচিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের হয়ে।
১০১০
ডার্ক ন্যানেস: ডার্ক ন্যানেস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়া এবং নেদারল্যান্ডস দুই দেশের হয়েই খেলেছেন। তাঁর মা-বাবা ডাচ। কিন্তু বড় হয়ে ওঠা অস্ট্রেলিয়ায়।২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে তাঁকে রাখা হয়নি। তাই তিনি ২০০৯ সালে নেদারল্যান্ডসের হয়ে খেলেন। আবার পরে ২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেন।
২০১২ সালে 'বাপি বাড়ি যা' সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দার যাত্রা শুরু মিমির। এর পর 'বোঝেনা সে বোঝেনা', 'প্রলয়' থেকে 'রক্তবীজ', 'আলাপ', 'তুফান'-এর মতো একাধিক সিনেমার মাধ্যমে অনুরাগীদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেত্রী।
সোশাল মিডিয়াতেও দারুণ সক্রিয় মিমি চক্রবর্তী। মাঝেমধ্যেই বোল্ড ছবি শেয়ার করে অনুরাগীমহলে সাড়া ফেলে দেন।
৭৮
জলপাইগুড়ির মেয়ে মিমি। 'পড়াশোনা করতে যাচ্ছি কলকাতায়', একথা বলেই শহরে আসা। তবে নিয়তি তাঁর ছিল গ্ল্যামার দুনিয়ায়।
৮৮
মডেল হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন মিমি চক্রবর্তী। তারপর ছোটপর্দায় শুরু হয় ‘গানের ওপারে’ অধ্যায়। তার পর থেকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি মিমিকে। (ছবি: ইনস্টাগ্রাম)