রাম দরবারের প্রাণপ্রতিষ্ঠার আগে রাজসজ্জায় অযোধ্যানগরী, আমন্ত্রিতদের তালিকায় কারা?
সোমবার সরযূ নদী থেকে একটি কলস যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার থেকেই ১০১ জন বৈদিক পণ্ডিত প্রাণপ্রতিষ্ঠার পুজো শুরু করে দিয়েছেন। প্রথম পর্যায়ে হবে প্রায়শ্চিত্ব পুজো। যার নেতৃত্বে থাকবেন পণ্ডিত জয়প্রকাশ এবং আচার্য অমরনাথ। ট্রাস্টের সম্পাদক চম্পত রায় এই সময়ে সাধারণ মানুষকে মন্দির পরিদর্শন না করতে আহ্বান জানিয়েছেন। ৩ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত মন্দিরে সমস্ত পাশ বাতিল করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
কিছু দিন আগেই ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছিলেন, অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হবে বিভিন্ন ধর্মের আধ্যাত্মিক গুরুদের। তবে কোনও নেতা-মন্ত্রীদের প্রবেশে অনুমতি থাকবে না বলেই জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কেন এই সিদ্ধান্ত? এ প্রসঙ্গে নৃপেন্দ্র বলেন, “রাম মন্দির নির্মাণের নেপথ্যে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। ৫০০ বছরেরও বেশি সংগ্রামের পর এই মুহূর্তটি এসেছে।”
জেলাশাসক নিখিল টিকারাম ফান্ডে জানিয়েছেন, রামমন্দির এবং হনুমানগড়ি উভয় স্থানে দর্শনার্থীদের জন্য বসবার জায়গা, পানীয় জল, ওআরএস-সহ আরও বেশকিছু ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলাজুড়ে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালের বেড সংরক্ষণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সুপার গৌরব গ্রোভার বলেন, “মন্দির চত্ত্বরে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। ড্রোন দিয়ে চালানো হবে নজরদারিও।” প্রাণপ্রতিষ্ঠার এক সপ্তাহের মধ্যেই মন্দিরের নতুন অংশটি খুলে দেওয়া হবে জনসাধারণের জন্য।
বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম হিন্দু মন্দিরের মূল নকশা ১৯৮৮ সালে আমেদাবাদের আশিস সোমপুরার তৈরি করেন। ঐতিহ্যবাহী নাগারার আদলে (উত্তর ভারতের মন্দির শৈলী) তৈরি করা হয় অযোধ্যার রামমন্দির। পূর্ব-পশ্চিমে রামমন্দিরের দৈর্ঘ্য ৩৮০ ফুট। চওড়া ২৫০ ফুট। উচ্চতা হল ১৬১ ফুট। অযোধ্যার রামমন্দিরে মোট ৩৯২টি পিলার এবং ৪৪টি দরজা রয়েছে। ২.৭ একর জমিতে রামমন্দির নির্মাণ করা হয়েছে। রামমন্দির নির্মাণে খরচ পড়েছে মোট ১৮০০ কোটি টাকা। আট ফুটের রামলালার...