‘আমায় বাজারে নামিয়েছেন মমতা’, বিস্ফোরক বৈশাখী, অরূপ-অনন্যা ‘জুটি’ নিয়ে কী বললেন?
বৈশাখীর দাবি অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, “হ্য়াঁ আমি নেতা-মন্ত্রীদের খুশি করতে …।”
বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আমি চাইনি শোভনকে সকলের সামনে রাখি পরিয়ে পিছনে অন্য সম্পর্ক রাখতে। তাই দু'জনের সিদ্ধান্তে মমতাদিকে সবটা জানিয়েছিল শোভন। এরপর বিধানসভা থেকে শুরু করে সব মিটিংয়ে আমি আলোচনার বস্তু হয়ে গেলাম। আমাকে ঘর থেকে বের করে বাজারে বিক্রি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উনি শোভনকে বলেছিলেন, কীরে প্রেম করবি না কাজ করবি?"
আরও পড়ুন:
তৃণমূলের এই ভাঙন নিয়ে ইঙ্গিতে মমতাকেই বিঁধলেন বৈশাখী। বললেন, "আসলে ওনার স্মৃতি খুব দুর্বল। তার মাসুল দিচ্ছেন। একটা দলের এই পরিণতি লজ্জাজনক ও মর্মান্তিক।" স্মৃতির পাতা উলটে বললেন, "উনি আমার সঙ্গে অমানবিক আচরণ করেছেন। শোভনকে সরিয়ে ফিরহাদকে মেয়র করেছেন, যার যোগ্যতাই নেই। ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে। অনেক আগেই ডানা ছাঁটা দরকার ছিল ফিরহাদের। আর ওই দলের কাকে বের করবে, সবাই তো চোর, সবাই নিজের...
এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থান-আধিপত্য নিয়েও মুখ খোলেন বৈশাখী। বলেন, "একটা বাচ্চা ছেলে জন্মদিন পালন করছে, আর দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদরা একটা ছবি তোলার জন্য অপেক্ষা করছেন! এটা দেখলেই আমার খারাপ লাগত। দলটা কর্পোরেট হয়ে গিয়েছে। শোভন আর শুভেন্দুদা আইপ্যাকের বিরোধিতা করেছিল। কোনও লাভ হয়নি। তারপর ওনারা নিজেদের মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।"
আরও পড়ুন:
অরূপ-অনন্যা জুটি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বৈশাখী। স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, "আমাদের অনেক আগে থেকে অরূপ-অনন্যা রংমিলান্তি করতেন। অনন্যা আমার ব্যক্তিগত জীবনে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। আমি বাধা দিই। একটা সিনেমার প্রিমিয়ারে গিয়ে দেখছি অনন্যার আঁচল সরে শোভনের মাথায়। প্রতিবাদ করায় বুক ঠুকে ভয়ংকর কথা বলেছিলেন তিনি।"