মহাগটবন্ধনকে দুরমুশ করে বিহারে সেলিব্রেশনে এনডিএ, ‘গোড়াতেই গলদ’, বললেন ‘অপ্রাসঙ্গিক’ রাহুল
নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন এনডিএ-এর উপরই আস্থা রাখল বিহারবাসী।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও লেখেন, ‘বিহারের লক্ষ লক্ষ ভোটার যারা মহাজোটের উপর আস্থা রেখেছিলেন, তাঁদেরকে কৃতজ্ঞতা জানাই। বিহারের এই ফল সত্যিই আশ্চর্যজনক। এই লড়াই সংবিধান এবং গণতন্ত্রের সুরক্ষার জন্য ছিল। কিন্তু এই নির্বাচন প্রথম থেকেই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়নি। কংগ্রেস পার্টি এবং ইন্ডিয়া জোট এই ফলাফল গভীরভাবে পর্যালোচনা করবে।’
আরও পড়ুন:
২০ বছর ধরে সুশাসনবাবুর যে ভাবমূর্তি নীতীশ কুমার তৈরি করেছেন সেটা এবার কাজে লাগল। আসলে নীতীশ নিজে এবারের ভোটে দুর্দান্ত প্রচার করেছেন। কোনও বিতর্কে জড়াননি, নীরবে প্রচার করে গিয়েছেন। বিজেপির কাছে মাথা নোয়াননি। জুনিয়র পার্টনার হতে চাননি। নিজের পছন্দের প্রার্থী হওয়া নিয়ে আপস করেননি। নীরবে সভা করে গিয়েছেন। তাছাড়া এটাই নীতীশের শেষ ভোট, সেই আবেগও কাজে লেগেছে।
ভোটের আগে নীতীশের মাস্টারস্ট্রোক মহিলাদের অ্যাকাউন্টে সোজা ১০ হাজার টাকা করে পাঠানো। যে মহিলা ভোটব্যাঙ্ককে তিনি দীর্ঘদিন ধরে লালন-পালন করে এসেছিলেন, সেই মহিলারা এবার প্রতিদান দিল। ভোটের হারে দেখা গেল পুরুষদের থেকে অনেক এগিয়ে মহিলা ভোটার। শুধু তাই নয়, মোট ভোটের সংখ্যাতেও এই প্রথমবার পুরুষদের ছাপিয়ে গেল প্রমিলাবাহিনী। ধর্ম, জাত, সামাজিক সমীকরণ সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে নীতীশকে সমর্থন করলেন মহিলারা।
বিহারে মহাগটনন্ধনের শুরুটা ভালোই হয়েছিল। রাহুল গান্ধীর ভোটার অধিকার যাত্রায় একসঙ্গে প্রচার শুরু করেছিলেন রাহুল-তেজস্বীরা। কিন্তু যাত্রা শেষ হতেই ছন্দপতন। আসন সমঝোতা নিয়ে রীতিমতো খেয়োখেয়ি করে বিরোধী শিবির। এমন পরিস্থিতি দাঁড়ায় যে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন পেরিয়ে গেলেও আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি। তেজস্বীকে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসাবে ঘোষণা করা হয় একেবারে শেষবেলায়। এই জটিলতার জেরে মাসখানেক কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা, এমনকী আরজেডির শীর্ষ নেতাদেরকে প্রচারেই দেখা য়ায়নি।...