পুরুষমনে ঝড় তোলা এই মায়েদের রূপের কাছে ফিকে সেলেব কন্যারাও, বলুন তো কে বেশি সুন্দরী!
দেখে নিন তালিকায় রয়েছেন কোন কোন সেলেব মা ও মেয়ে।
'লেডি বস' অবতারে নতুন ফটোশুট। পরনে সাদা স্যুট। চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা। ঠোঁটে বোল্ড লিপস্টিক। সত্তরেও সংখ্যা যেন নতজানু ‘মিস সেনে’র চোখধাঁধানো রূপের কাছে। সম্প্রতি ‘লেডি বস’ অবতারে নেটভুবনের সেনসেশন বাড়িয়েছেন অভিনেত্রী। আশির দশকে যখন সমাজ, সিনেদর্শকমহল বেশ কিছুটা সাবেকি ধ্যান ধারণায় বিশ্বাসী ছিলেন, তখন একের পর এক সাহসী পোশাকে ঝড় তুলেছিলেন।
আরও পড়ুন:
সেই মুনমুন সেনের দুই কন্যা - রিয়া ও রাইমা। তাঁরা দু'জনেই একের পর এক ছবি করেছেন। জনপ্রিয়তাও কম নয়। তবে সত্যিই কি মায়ের মতো লাখো লাখো পুরুষমন বাঁধা পড়েছেন দুই কন্যার কাছে? এই প্রশ্নের জবাবে সকলে একমত হবেন তা নয়। তর্ক-বিতর্ক এক্ষেত্রে একেবারে অবান্তরও নয়। তবে সিনে সমালোচকদের মতে, মুনমুনের কাছে রিয়া ও রাইমার সাফল্যের গ্রাফ যেন খানিক কম উজ্জ্বল।
কিংবদন্তি ক্রিকেটার মনসুর আলি খান ও শর্মিলা ঠাকুরের কনিষ্ঠ কন্যা সোহা আলি খান। ১৯৫৯ সালে 'অপুর সংসার' ছবিতে সকলের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন শর্মিলা। তারপর পাহাড়ি পথের বাঁকে 'মেরি স্বপনোকি রানি কব আয়েগি তু' গান আজও মনের মণিকোঠায়। গান গুনগুনিয়ে উঠলেই মনে পড়ে শর্মিলাকে। মায়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করে সোহা আলি খানও বলিউডে পা রাখেন। তবে সিনে সমালোচকদের অনেকেই বলেন, তাঁর অভিনয় দক্ষতা থেকে সাফল্য সবই...
বি-টাউনের বিখ্যাত মা-মেয়েদের মধ্যে অন্যতম ডিম্পল কাপাডিয়া ও টুইঙ্কল খান্না। ১৯৭৩ সালে 'ববি' ছবির ব্যাপক সাফল্য পান ডিম্পল। তারপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। ১৯৮২ সালে রাজেশ খান্নার সঙ্গে দাম্পত্যে ভাঙন। তারপর থেকে একাই মেয়ে টুইঙ্কলকে বড় করে তুলেছেন ডিম্পল। ১৯৯৫ সালে টুইঙ্কেলের বি-টাউনে অভিষেক। 'বরসাত' ছবিতে কাজ করেন। ২০০১ সালে অক্ষয় কুমারকে বিয়ে করেন টুইঙ্কল। আপাতত লেখালেখি এবং প্রযোজনাতেই ব্যস্ত তিনি।
আরও পড়ুন:
একের পর এক ছবিতে রবীনা ট্যান্ডন একসময় ঝড় তুলেছেন। বাণিজ্যিক ছবিতে তাঁর সাফল্য বেশ নজরকাড়া। মায়ের মতো বি-টাউনে পা রাখেন রাশা। অভিষেক কাপুরের 'আজাদ' ছবিতে বলিউডে আত্মপ্রকাশ। বক্সিং ও ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফিতে পারদর্শী রাশা সেভাবে দারুণ সাফল্য এখনও পাননি। তবে সোশাল মিডিয়ায় তাঁর ফলোয়ার অগণিত। মায়ের বিখ্যাত 'টিপ টিপ বরসা পানি' গানে নেচে নজর কেড়েছিলেন। অনেকেই তাঁকে 'হুবহু রবীনা' বলেও দাবি করেন।
অমৃতা সিং ও সইফ আলি খান কন্যা সারা আলি খান। সারার অনুপ্রেরণা হলেন মা অমৃতা, বারবার নানা সাক্ষাৎকারে সেকথা বলেছেন তিনি। আর বলবে নাই বা কেন সইফের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর একলা হাতেই মেয়েকে বড় করেছেন অমৃতা। মা ও মেয়ের সঙ্গে অসাধারণ মিল তাঁদের। সোশাল মিডিয়ায় মাঝেমধ্যেই তাঁদের ছবির তুলনা করা হয়। যদিও সাফল্যের নিরিখে কে কতটা এগিয়ে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
১৯৭১ সালে রণধীর কাপুরের সঙ্গে বিয়ে। সন্তান জন্মের পর মতবিরোধ। ইতিমধ্যে বিনোদুনিয়া থেকে যেন সন্ন্যাস নেন ববিতা কাপুর। আলাদা হয়ে যায় তাঁদের পথচলা। একা হাতে দুই মেয়ে করিনা ও করিশ্মাকে মানুষ করেন। মা ও বাবার বিচ্ছন্নতা ছাপ ফেলেছে দুই মেয়ের জীবনেই। পরিবারের প্রথা ভেঙে দু'জনেই বি-টাউনে পা পাখেন। আজও বলিউডে রাজত্ব করছেন তাঁরা। এদিকে, কয়েক যুগ আলাদা থাকার পর একছাদের তলায় থাকছেন রণধীর-ববিতা। তাতে খুশি...