উৎসবের মরশুম কার্যত শেষ। বছরও প্রায় শেষের পথে। তবে এসব সত্ত্বেও আমজনতার বিনোদনে কোনও ভাটা পড়বে না। কারণ আগামী মাসেই অর্থাৎ নভেম্বরেই মুক্তি পেতে চলেছে বড়পর্দায় একগুচ্ছ হিন্দি ছবি। এই তালিকায় রয়েছে ইমরান হাসমির 'হক' থেকে কৃতী-ধনুশের 'তেরে ইশক মে'-সহ একগুচ্ছ ছবি। জেনে নিন কোন ছবিটি মুক্তি পাবে কোন দিনে।
২৮
ইয়ামি গৌতম ও ইমরান হাসমির ছবি 'হক' নির্মিত হয়েছে সত্য ঘটনা অবলম্বনে। মহম্মদ আহমেদ খান ও শাহ বানো বেগমের শীর্ষ আদালতের মামলার উপর ভিত্তি করেই তৈরি হয়েছে এই ছবি। যা মুক্তি পাবে আগামী ৭ নভেম্বর।
আগামী ৭ নভেম্বর মুক্তি পাবে সোনাক্ষী সিনহা অভিনীত ছবি 'জটাধরা'। এই ছবিতে 'ব্ল্যাকম্যাজিক'র মতো বিষয়কে তুলে ধরা হবে। যেখানে এক্কেবারে অন্য স্বাদের চরিত্রে ধরা দেবেন সোনাক্ষী। পিশাচিনী রূপে দেখা যাবে নায়িকাকে।
৪৮
অসমবয়সী প্রেমের গল্প নিয়ে 'দে দে প্যায়ার দে ২' ছবি মুক্তি পাবে আগামী ১৪ নভেম্বর। হাসির মোড়কে এই ছবি বড়পর্দায় নিয়ে আসবেন পরিচালক অংশুল শর্মা।
৫৮
রেজাং লা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে ফারহান আখতার অভিনীত '১২০ বাহাদুর' ছবিটি। ৩০০০ চিনা সৈন্যের বিরুদ্ধে নিজের জন্মভূমিকে রক্ষা করতে লড়াই চালিয়েছিলেন ১২০ ভারতীয় সৈন্য। সেই ঘটনাই এবার ফুটে উঠবে পর্দায়। আগামী ২১ নভেম্বর মুক্তি পাবে এই ছবি।
পুরনো দিল্লির ম্যাজিক আর পাঞ্জাবের কোঠির ইতিহাস ও তার মেলবন্ধনের উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে ছবি 'গুস্তাখ ইশক'। ছবিতে অভিনয় করেছেন বিজয় বর্মা ও ফতিমা সানা শেখ। আগামী ২১ নভেম্বর মুক্তি পাবে এই ছবি।
৭৮
নস্ট্যালজিয়া উসকে ফের পর্দায় আসছেন রীতেশ দেশমুখ, বিবেক ওবেরয় ও আফতাব আনসারি 'মস্তি ৪' ছবির হাত ধরে। ২১ নভেম্বর মুক্তি পাবে বড়পর্দায় এই ছবি।
৮৮
এই প্রথমবার জুটি বাঁধতে চলেছেন পর্দায় ধনুশ ও কৃতী স্যানন। আনন্দ এল রাইয়ের পরিচালনায় ভালোবাসার গল্প নিয়ে আসছে নতুন এই জুটি। ২৮ নভেম্বর বড়পর্দায় মুক্তি পাবে এই ছবি।
দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাচ্ছে মোদি সরকার। একদিকে আধুনিক সরঞ্জাম, অন্যদিকে আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে দেশীয় প্রযুক্তিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার ভারতীয় সেনার হাতে দেশীয় প্রযুক্তিতে ট্যাঙ্ক জোরাওয়ার তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
২৭
ট্যাঙ্ক জোরাবর তৈরি করছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা DRDO। জানা গিয়েছে, এই হালকা ট্যাঙ্কে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত ‘নাগ’ ক্ষেপণাস্ত্র বসানো যাবে এবং ছোড়া যাবে। গোটা বিষয়টি পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।
‘এল অ্যান্ড টি হেভি ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর সহযোগিতায় তুলনায় হালকা ওজনের জোরাওয়ার ট্যাঙ্ক তৈরি করেছে ডিআরডিও। যাতে বসানো হচ্ছে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নাগ এমকে-২। শঙ্কিত শত্রুরা।
৪৭
ক্ষেপণাস্ত্র নাগ এমকে-২ আকাশ থেকে স্থল এবং স্থল থেকে স্থল যুদ্ধে পারঙ্গম। শত্রু পক্ষের চার কিলোমিটার দূরে থাকা ট্যাঙ্ককে নিমেষে গুঁড়িয়ে দিতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। আকাশ থেকে ছুড়লে নাগ এমকে-২ সাত থেকে ১০ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
৫৭
এই মুহূর্তে জোরাবর ট্যাঙ্কে ক্ষেপণাস্ত্র নাগ এমকে-২ বসিয়ে পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, লাদাখের পাহাড়ে, শীতল মরুভূমি অঞ্চলে এবং গুজরাটের কচ্ছের রণের দুর্গম ভূখণ্ডে ইতিমধ্যেই সফল হয়েছে পরীক্ষা।
আশির দশকে ডিআরডিও ‘ইন্টেগ্রেটেড মিসাইল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম’-এর আওতায় পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছিল। এই পাঁচ ক্ষেপণাস্ত্র হল অগ্নি, পৃথ্বী, আকাশ, ত্রিশূল এবং নাগ।
৭৭
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লাদাখ উপত্যকায় চিনের সঙ্গে মোকাবিলায়, অন্যদিকে কাশ্মীর, রাজস্থান এবং গুজরাট সীমান্তে পাক ফৌজকে নাস্তানাবুদ করতে সক্ষম হবে ভারতীয় বাহিনীর এই জোড়াফলা জোরাবর এবং ক্ষেপণাস্ত্র নাগ এমকে-২।
বড়সড় বিপাকে পলাতক হীরে ব্যবসায়ী মেহুল চোকসি। কয়েকদিন আগেই বেলজিয়ামের আদালত জানিয়েছিল, চোকসিকে ভারতের হাতে প্রত্যর্পণে কোনও বাধা নেই।
২১০
এবার হিরে ব্যবসায়ীকে তিরস্কার করে বেলজিয়ামের আদালত জানিয়ে দিল, যে অপরাধের অভিযোগ মেহুলের বিরুদ্ধে রয়েছে, সেগুলি প্রমাণিত হলে বেলজিয়ামের আইন মোতাবেকও সেগুলি শাস্তিযোগ্য। তবে মেহুলকে ভারতে ফেরানোর পথে একটাই বাধা ছিল। এ দেশের জেলগুলির পরিবেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল বেলজিয়াম।
মেহুলের জন্য উপযুক্ত ন্যূনতম জীবনযাপনের প্রয়োজনীয় সুবিধাযুক্ত জেলের ব্যবস্থা করতে পারবে কিনা ভারত সরকার, জানতে চেয়েছিল বেলজিয়াম। এবার সেই দাবিও পূরণ করল নয়াদিল্লি। বেলজিয়ামের প্রশাসনকে চোকসির জন্য যে জেলের ব্যবস্থা করা হয়েছে সেটার বিস্তারিত পাঠিয়ে দিল ভারত।
৪১০
ভারত সরকার ঠিক করেছে মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলের ১২ নম্বর বারাকে রাখা হবে মেহুল চোকসিকে। ওই বারাকেই আগে রাখা হয়েছিল মুম্বই হামলায় অভিযুক্ত কাসাভকে। জেলের ওই বারাকটিতে সবরকম ন্যূনতম সুবিধা রাখা হয়েছে।
৫১০
দুটি পৃথক কক্ষ রয়েছে, সঙ্গে রয়েছে সংযুক্ত শৌচাগার, পর্যাপ্ত আলো, একটি টেলিভিশন সেট রয়েছে জেলে। ওই বারাকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যরক্ষায় পূর্ণ ব্যবস্থা থাকবে।
সেলটিতে রয়েছে একেবারে প্রথম সারির শৌচাগার। পুরোটাই মার্বেল দ্বারা সুসজ্জিত। পুরো সেলে পর্যাপ্ত আলোবাতাসের ব্যবস্থাও রয়েছে।
৭১০
গুজরাটের এই হিরে ব্যবসায়ী ২০১৮ সালে দেশ ছেড়ে পালান। সেই সময় দেশ ছাড়েন আরেক ঋণখেলাপী তাঁরই ভাইপো নীরব মোদিও। পরে জানা যায়, চোকসি আস্তানা গেড়েছেন দক্ষিণ আমেরিকার অ্যান্টিগা।
৮১০
জানা যায়, অ্যান্টিগার নাগরিকত্ব নিয়ে সেই দ্বীপেই নাকি আস্তানা গেড়েছেন মেহুল চোকসি। সেখানে বারবার চোকসি জানান, তিনি আর ভারতীয় নন, অ্যান্টিগার নাগরিক।
৯১০
২০২৪ সালে সিবিআই জানতে পারে, চোকসি বেলজিয়ামে গা ঢাকা দিয়েছেন। তখনই বেলজিয়াম সরকারের কাছে প্রত্যর্পণের আর্জি জানানো হয়। সেখানকার আদালতের নির্দেশে এপ্রিল মাসে হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার হন প্রতারক হিরে ব্যবসায়ী। সেই থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
১০১০
এবার বেলজিয়ামের আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের তরফে আসা প্রত্যর্পণের আর্জি বৈধ। চোকসিকে তুলে দিতে হবে ভারতের হাতে।