বিদ্রোহী কবির ছবি মাল্যদান করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন মমতা। তারপর মঞ্চে উঠে গলা মেলান ইন্দ্রনীলের সঙ্গে। রাজ্যের মন্ত্রী মমতাকে গান শোনাতে অনুরোধ করেন।
৪৬
তখন মঞ্চের সামনে বসে রূপঙ্কর বাগচী, ইমন চক্রবর্তী, মনোময় ভট্টাচার্য, রাঘব চট্টোপাধ্যায়, ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁদের সামনে গান গাইতে প্রথমে আপত্তি করলেও পরে ইন্দ্রনীলের সঙ্গে গলা মেলান।
অজিঙ্ক রাহানে (৭/১০): গতবারের চ্যাম্পিয়ন কেকেআর। কিন্তু এবার তাদের লড়াই থেমেছে অষ্টম স্থানে। ব্যাট হাতে যথেষ্ট দাপট দেখিয়েছেন অজিঙ্ক রাহানে। ১৩ ম্যাচে করেছেন ৩৯০ রান। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে তাঁর নেতৃত্ব দিয়ে।
২১১
অঙ্গকৃষ রঘুবংশী (৬/১০): নাইট শিবিরের সম্ভাবনাময় মুখ। এবারও ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করেছেন। ১২ ম্যাচে রান ৩০০। কিন্তু স্ট্রাইক রেট তুলনামূলকভাবে কম। ভালো শুরু করেও বড় রান করতে পারছেন না।
ভেঙ্কটেশ আইয়ার (১/১০): নিলামে ২৩ কোটি টাকায় তাঁকে কিনেছিল কেকেআর। কিন্তু পারফরম্যান্সে চূড়ান্ত 'ফ্লপ'। ১১ ম্যাচে রান মাত্র ১৪২। বরং পরের দিকে সুযোগ পেয়ে ভরসা জুগিয়েছেন মণীশ পাণ্ডে (৪/১০)।
৭১১
রমনদীপ সিং (০/১০): একই অবস্থা রিটেইন করা তারকা রমনদীপের। ১১ ম্যাচে রান মাত্র ৪৭। নাইটদের ব্যর্থ হওয়ার কারণ লোয়ার অর্ডারের এই দুর্বলতাই।
৮১১
কুইন্টন ডি'কক (২/১০): প্রোটিয়া তারকাকে ভাবা হয়েছিল ফিল সল্টের বিকল্প হিসেবে। কিন্তু ৮ ম্যাচে করেছেন মাত্র ১৫২ রান। পরে সুযোগ দেওয়া হয় রহমানউল্লাহ গুরবাজকে (৩/১০)। তিনি পাঁচ ম্যাচে করেছেন ৭৪ রান।
৯১১
বরুণ চক্রবর্তী (৭/১০): বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল বরুণ চক্রবর্তী। ১৩ ম্যাচে তুলেছেন ১৭ উইকেট। মইন আলিকে (৫/১০) মাত্র ৬টি ম্যাচে খেলানো হয়, তুলেছেন ৬টি উইকেট।
১০১১
বৈভব অরোরা (৬/১০): ডেথ ওভারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বৈভবকে। কখনও সফল, কখনও ব্যর্থ। তুলেছেন ১৭টি উইকেট। অজি পেসার স্পেনসর জনসন (০/১০) ৪ ম্যাচে পেয়েছেন মাত্র ১টি উইকেট।
১১১১
হর্ষিত রানা (৬/১০): গতবারের ফর্মের ধারেকাছে নেই হর্ষিত। যদিও ১২ ম্যাচে পেয়েছেন ১৫টি উইকেট। প্রোটিয় তারকা আনরিখ নখিয়া (১/১০) ২ ম্যাচে খেলে পেয়েছেন ১টি উইকেট।
অপারেশন সিঁদুরের পর প্রথম গুজরাটে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দু’দিনের গুজরাট সফরে সোমবার সকালে ভদোদরায় একটি রোড শো করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনের রোড শো’য়ে জাতীয় পতাকা হাতে প্রচুর মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ছবি: পিটিআই
২৬
মোদির রোড শো’তে পুষ্পবৃষ্টি হতে দেখা যায়। ওঠে ‘জয় হো’ রব। সাধারণ মানুষের ভিড়ের মধ্যেই ছিলেন অপারশেন সিঁদুরের অন্যতম মুখ কর্নেল সোফিয়া কুরেশির পরিবার। ছবি: পিটিআই
সাধারণ মানুষের উদ্দেশে হাত নাড়ান প্রধানমন্ত্রী। দেখা করেন কর্নেল সোফিয়া কুরেশির পরিবারের সঙ্গে। এদিন তেরঙ্গা হাতে মহিলাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ছবি: পিটিআই
দু’দিনের গুজরাট সফরে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এদিন দাহোদে একটি সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই পাকিস্তানের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশ ভাগের পর থেকে পাকিস্তানের একটাই উদ্দেশ্য, শুধু ভারতকে ঘৃণা করা। ভারতের উন্নয়নে বাধা দেওয়া। কিন্তু আমাদের একটাই উদ্দেশ্য রয়েছে দেশ থেকে দারিদ্র দূর করা এবং বিকশিত ভারত গড়ে তোলা।” ছবি: পিটিআই