ভিউ বাড়ানোর লোভ নেই! সরাসরি মেয়ে হওয়ার খবর দিয়ে নজর কাড়লেন সহজ-সরল ‘বংপোস্ত’
সোশাল মিডিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয় পায়েল। ইউটিউবে তাঁর সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ৫৫ লক্ষের বেশি।
কিন্তু সকলে যে স্রোতে গা ভাসিয়ে দেন, তা কিন্তু নয়। সোশাল মিডিয়ায় কাজ করে জনপ্রিয়তা পেলেও ব্যক্তিগত জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তগুলো কিছু ক্রিয়েটের কাছে সত্যিই দামী। ফলোয়াররা আদতেই তাঁদের কাছে পরিবার। তাই সন্তানের 'জেন্ডার রিভিল' ভিডিওর নামে ভিউ বাড়ানোর খেলায় মাতেন না তাঁরা। ঠিক যেমন 'বং পোস্ত' পায়েল রায়। হাসপাতালের ছোট মুহূর্ত সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরলেও সন্তানকে 'ব্যবসার পণ্য' করেননি নতুন মা পায়েল।
আরও পড়ুন:
২০১৬ সালে ইউটিউব জার্নি শুরু পায়েল রায়ের। সঙ্গী বোন দোয়েল। মূলত মজার ভিডিও করেন তিনি। মাঝে মধ্যে ডেইলি ভ্লগও করেন। বর্তমানে ইউটিউবে তাঁর সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ৫৫ লক্ষের বেশি। ২০২৪ সালে অভিক দলুইয়ের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন পায়েল। ক্রিয়েটরের বিয়ে মানেই প্রতিমুহূর্তের ভিডিও আপলোড হয় পেজে। নিন্দুকেরা কটাক্ষ করে বলেন, যা খরচ হয় তা ৩ দিনের ভিডিওতেই তুলে নেন ক্রিয়েটররা! পায়েলের ক্ষেত্রে কিন্তু তা হয়নি।
স্বাভাবিকভাবেই ছেলে হল না মেয়ে, তা নিয়ে কৌতুহল ছিল ফলোয়ারদের মধ্যে। কিন্তু সাধারণত ক্রিয়েটররা এই তথ্য সহজে ফাঁস করতে চান না। কারণ, যত দেরিতে জানানো হবে তত বেশি ভিউ! কারণ, এই বুঝি জানিয়ে দিল ঘরে লক্ষ্মী এসেছে না নারায়ণ, তা জানতে প্রতিমুহূর্তে প্রিয় ক্রিয়েটরের পেজে নজর রাখেন অনুরাগীরা। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেদার উপার্জন হয়ে যায় ক্রিয়েটরদের। কিন্তু পায়েলের ক্ষেত্রে দেখা ঠিক অন্য ছবি। যা...
আরও পড়ুন:
ব্য়াপারটা ঠিক কী? পায়েলকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই স্বামী অভিক-সহ পরিবারের সদস্যরা অপেক্ষা করেছিলেন। চিকিৎসক এসে সুখবর দেওয়ার পরই সন্তানকে দেখানোর জন্য নিয়ে আসা হয় বাইরে। চিকিৎসক অভিককে জানান, "শুভেচ্ছা, আপনার কন্যাসন্তান হয়েছে।" ডাক্তারের কথা শুনে আনন্দে চোখ ভিজে যায় নতুন বাবার। আর এই গোটা দৃশ্যটাই ফেসবুকে আপলোড করা হয় তখনই।