শরীর জুড়ে ধূসর কালো, সাদা ও বাদামি রঙের কম্বো, মাথায় লম্বাটে ঝুঁটি! ‘ভূতি’কে দেখতে ভিড় বাড়ছে তিস্তায়
রইল সেই ছবি।
আরও পড়ুন:
শীত পড়লেই এই সমস্ত হাঁসের পছন্দের ঠিকানা হিমালয়ের পাদদেশে তিস্তা নদী। দলে দলে আসে তিস্তা ব্যারেজ সংলগ্ন গজলডোবা পাখিবিতানে। হাজার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে প্রতি বছর দল বেঁধে সুদূর ইউরোপ থেকে উড়ে আসে ওরা। তবে একা আসেনি ভূতি। পাখিপ্রেমী ডঃ রাজা রাউত জানান, সঙ্গী করে এনেছে নর্দার্ন পিন টেইল বা পিন ল্যাজা হাঁসকেও।
আরও পড়ুন:
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে পাখি আসা শুরু হয়েছে পাখি বিতিানে। এখনও পর্যন্ত যে সংখ্যায় পাখি এসেছে তা দেখে পরিবেশ কর্মীদের আশা, এই বছর পাখির সংখ্যা আগামী দিনগুলিতে আরও বাড়বে। বৈকুন্ঠপুর বন বিভাগের বেলাকোবা রেঞ্জের অফিসার রাজকুমার পাল জানান, অতিথি পাখিদের নিরাপত্তায় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ১২ জানুয়ারি পাখি গণনার পরিকল্পনা রয়েছে।