‘ধুরন্ধর’ অভিনেতাদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী কে? কোন অভিনেতার সম্পত্তির পরিমাণই বা কত
বক্স অফিসে দৌড়চ্ছে ‘ধুরন্ধর ২’। বহু রেকর্ড এই ছবি ভেঙে দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, আর মাধবন এবং রণবীর সিং- ছবির সিক্যুয়েলের অন্যতম চার মুখ। এঁদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী অভিনেতা রণবীর সিং। তালিকায় এরপরই সঞ্জয় দত্ত। তারপর রয়েছেন অর্জুন রামপাল (তবে সঠিক তথ্য নিয়ে মতান্তর রয়েছে)। শেষে আর মাধবন। আসুন, দেখে নেওয়া যাক কে কত সম্পত্তির মালিক। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে সেই হিসেব দেওয়া হল।
আরও পড়ুন:
সঞ্জয় দত্তের মোট সম্পদের পরিমাণ ২৯৫ কোটি টাকা। তাঁর আয়ের উৎস কেবল সিনেমা, বলিউড বা চলচ্চিত্র শিল্পের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং তা এর গণ্ডি ছাড়িয়ে বহুদূর বিস্তৃত। এই অভিনেতার মালিকানায় রয়েছে দুটি প্রযোজনা সংস্থা এবং দুটি ক্রিকেট দল। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন স্টার্টআপও চালান। এর মধ্যে একটি সুপরিচিত মদের ব্র্যান্ডও রয়েছে। নানা ব্যবসায়িক উদ্যোগে অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে বিনিয়োগ করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
'ধুরন্ধর' ছবিতে কাজ করার জন্য এই অভিনেতারা প্রত্যেকেই বড় দর হাঁকিয়েছেন। হামজা আলি মাজারির চরিত্রে রণবীর পেয়েছিলেন পঞ্চাশ কোটি টাকা। রহমান ডাকাইত'-এর চরিত্রে অক্ষয় খান্না নাকি নিয়েছেন আড়াই কোটি টাকা। এসপি চৌধুরী আসলামের চরিত্রে সঞ্জয় দত্ত নিয়েছেন দশ কোটি টাকা। আর মাধবন (চরিত্রের নাম অজয় সান্যাল) পেয়েছেন ন'কোটি টাকা। আর অর্জুন রামপাল নিয়েছেন এক কোটি টাকা।
‘ধুরন্ধর’-এর সাফল্য আশা জাগিয়েছিল। আর সেই আশাকে মান্যতা দিয়ে মাত্র দু’দিনে বিশ্বজুড়ে ৩৩৩ কোটির ব্যবসা করে ভারতের সিনে ইতিহাসে নতুন মাইলস্টোন গড়ে ফেলেছে আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর ২’। আগামিদিনে তা আরও নজির গড়বে। এই সাফল্যের আলোয় ছবির কুশীলবদের বাজারদরও বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে আগামিদিনে তাঁদের সম্পত্তির পরিমাণ যে ফুলেফেঁপে আরও বাড়বে, তাতে নিশ্চিত ওয়াকিবহাল মহল।