নিষেধাজ্ঞার পর ভোল বদলে ‘সক্রিয়’ ক্রিকেটের ফ্যান্টাসি অ্যাপগুলো, এখনও টাকা কামানো যায়?
এখন কীভাবে চলছে ফ্যান্টাসি গেমিং অ্যাপগুলো?
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
কিন্তু 'পুরস্কার' জেতার সুযোগ এখনও থাকছে। অন্তত অ্যাপগুলোতে সেরকম বিজ্ঞাপন দেওয়া থাকছে। তবে টাকার বিনিময়ে নয়। নিজেদের 'স্কিল' ব্যবহার করে অনুমান করতে হবে। কিংবা আগের মতোই প্লেয়ারদের নির্বাচন করে সর্বোচ্চ পয়েন্ট পেতে হবে। তাতে লক্ষ-লক্ষ টাকা বা গাড়ি জয়ের সুযোগও থাকছে বলে বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে। তবে এর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অনলাইন গেমে বাজি ধরার পিছনে প্রতি মাসে ভারতে গড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হত। এর থেকে মোটা জিএসটিও পেত সরকার। তারপরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র সরকার। বাদল অধিবেশনে পাশ হওয়া ‘দ্য প্রমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অব অনলাইন গেমিং বিল’-এর সুবাদে ড্রিম ১১, মাই ১১ সার্কেলের মতো ফ্যান্টাসি অ্যাপগুলোতে 'বেটিং' বন্ধ হয়।
তবে ঘটনা পরম্পরা এখানেই শেষ হয়নি। ড্রিম ১১ ছিল ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্পনসর। ড্রিম ১১-এর সঙ্গে ২০২৩ থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত বিসিসিআইয়ের চুক্তি ছিল। প্রধান স্পনসর হিসাবে তিন বছরে ৩৫৮ কোটি টাকার চুক্তি ছিল দু’পক্ষে। ভারতের পুরুষ এবং মহিলা ক্রিকেট দলের পাশাপাশি অনূর্ধ্ব ১৯ দলের জার্সিতেও থাকে ড্রিম ১১-এর লোগো।