পুজোয় আকর্ষণীয় ছাড়ে M Baazar থেকে কেনাকাটা করুন, হয়ে যান লাখপতি!
M Baazar-এর নিকটবর্তী আউটলেটে আজই যান।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৫, ১৮:১৯
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৫, ১৮:১৯
১১০
পূর্ব ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্যাশন রিটেইল ব্র্যান্ড M Baazar। কেনাকাটা করতে যাঁরা পছন্দ করেন, তাঁদের অত্যন্ত প্রিয় গন্তব্য। বিখ্যাত এই সংস্থা এবার নিয়ে এসেছে বছরের সবচেয়ে বড় দুর্গাপুজো অফার।
২১০
উৎসবের আবহে নতুন জামাকাপড় কেনা শুধু রীতি নয়, এটা একটা আলাদা অনুভূতি। সেই অনুভূতিকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে M Baazar নিয়ে এল জামাকাপড় ও অ্যাক্সেসরিজে আকর্ষণীয় ছাড়।
M Baazar একটি বিশ্বাসযোগ্য ফ্যাশন ব্র্যান্ড। যেটি বহু বছর ধরে পূর্ব ভারতের চাহিদা মতো আধুনিক জামাকাপড় সরবরাহ করে আসছে। M Baazar যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, স্টাইল আর ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে ফ্যাশনকে জনসাধারণের কাছে সাধ্যের মধ্যে পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর।
৪১০
বাংলা-সহ ৯টি রাজ্যে M Baazar-এর দু'শোর বেশি আউটলেট। বছরের পর বছর ধরে ভারতীয় ক্রেতাদের ফ্যাশনের চাহিদা পূরণ করে চলেছে এই ফ্যাশন ব্র্যান্ড। পুরুষ, মহিলা, শিশু- সকলের জন্য হাজারও সম্ভার। যেমন ডিজাইন, তেমনই রং। যা দেখবেন সেটিই কিনতে মন চায় ক্রেতাদের।
৫১০
M Baazar-এ রয়েছে স্টাইলিশ মেনসওয়্যার, ট্রেন্ডি লেডিসওয়্যার বা ছোটদের জন্য আরামদায়ক এবং ফ্যাশনেবেল জামাকাপড়। প্রতিটি পোশাক পাবেন অত্যন্ত সস্তায়। এক ছাদের নিচে সেরা দামে কেনাকাটি করতে গেলে M Baazar-এ যেতেই হবে।
M Baazar-এর প্রতিটি জামাকাপড় তৈরি হয় উন্নত মানের ফ্যাব্রিক দিয়ে। যাতে আপনি এবং আপনার পরিবারের প্রতিটি সদস্য পায় শ্রেষ্ঠ অনুভূতি। এই পুজোয় নিজেকে দিন নতুন লুক। আর আপনার পরিবারের সকলের জন্য কিনুন সুন্দর সুন্দর উপহার।
৭১০
প্রতিটি জিনিসপত্রের উপর রয়েছে দারুণ ডিসকাউন্ট। ৪৯৯ টাকার কেনাকাটার উপরেও আপনি পেয়ে যাবেন একটি লাকি ড্র কুপন। যার বিনিময়ে আপনিও হতে পারেন লাখপতি। ৩০০০ টাকার কেনাকাটার উপর পেয়ে যান আকর্ষণীয় উপহার। এই সুযোগ হাতছাড়া করলে চলবে না।
৮১০
M Baazar-এর নিকটবর্তী আউটলেটে আজই যান। অবাক করা ডিসকাউন্টে অফুরন্ত কালেকশন চাক্ষুস করুন। আর তাড়াতাড়ি শেষ মুহূর্তের কেনাকাটি সেরে ফেলুন #MyBaazarMBaazar এর সাথে।
ইস্টবেঙ্গলকে গত মরশুমে কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেছে আইএফএ। আর এদিন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে ট্রফি তুলে দেওয়া হল। এটা মশাল বাহিনীর ৪০তম কলকাতা লিগ জয়ের ট্রফি।
২৬
ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মাঠে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ২০২৪-২৫ মরশুমের কলকাতা ফুটবল লিগ চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দিলেন।
ইউনাইটেড স্পোর্টসের সঙ্গে তাদের ম্যাচ রয়েছে। এই ম্যাচ জিততে বা ড্র করতে পারলেই এই মরশুমেও কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন হবে মশাল ব্রিগেড। পুজোর আগেই লাল-হলুদ সমর্থকরা পেয়ে গেলেন দারুণ উপহার।
চেতলা অগ্রণীতে মাতৃপ্রতিমায় চক্ষুদান মমতার! পুজোর মঞ্চ থেকেই বাংলার অস্মিতা রক্ষার বার্তা
আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠেছে শহর।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৫, ২০:২৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৫, ২০:২৭
১৭
শারদ জাগ্রত দ্বারে! আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠেছে শহর। আজ মহালয়া। পিতৃপক্ষের অবসান, দেবীপক্ষের সূচনা। আর সেই পুণ্যতিথিতে মায়ের চোখ আঁকলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চেতলা অগ্রণী ক্লাবের পুজো মণ্ডপের দ্বারোদ্ঘাটনের পাশাপাশি সেখানকার মায়ের চক্ষুদানও করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর তুলির টানে মৃন্ময়ী মা হয়ে উঠলেন চিন্ময়ী! এদিন শহরের একাধিক পুজো মণ্ডপের উদ্বোধনও করেন তিনি। সেই মঞ্চ থেকেই নাম না করে একদিকে জিএসটি নিয়ে খোঁচা দেন, অন্যদিকে ফের একবার...
২৭
প্রথমেই এদিন সেলিমপুর পল্লি'র পুজো উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর বাবুবাগান, বান্ধব সম্মিলনী, যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লি সহ শহরের একাধিক পুজোর উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি ভারচুয়াল মাধ্যমে জেলার বহু পুজোরও উদ্বোধন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লীর পুজো উদ্বোধন করে বাংলাভাষীদের উপর একের পর আক্রমণ নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ''বাংলায় আমি সব মানুষকে সম্মান, শ্রদ্ধা করি। বাংলা ভাষায় কথা বললে অত্যাচার করে তোমাদের নেতারা।'' তাঁর কথায়, 'বাংলায় হিন্দিভাষীরাও থাকে। তাঁদের উপর তো অত্যাচারের ঘটনা ঘটে না। সব ভাষাকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু আমার মাতৃভাষাকে অসম্মান করার অধিকার কারও নেই।'
৪৭
এই প্রসঙ্গে এদিন নাম না করে বিজেপিকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ''আমরা বাংলা ভাষায় কথা বললে, তুমি কেন বলবে বেআইনি? সব কিছু তোমাদের আইনি, বাংলা বেআইনি। এটা হয় না।'' তাঁর কথায়, ''আমরা সর্দার বল্লভপাই প্যাটেলকে সম্মান করি, রাজেন্দ্র প্রসাদকে সম্মান করি, গান্ধিজীকে, নেতাজিকে, আম্বেদকরকে সম্মান করি, বিরষা মুন্ডাকে সম্মান করি''। কিন্তু কেন রবীন্দ্রনাথ, নেতাজি, নজরুলকে সম্মান করা হবে না? বিজেপিকে নিশানা করে একথা বলেন...
৫৭
বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে একাধিক পরিযায়ী শ্রমিক আক্রান্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ শাসকদল তৃণমূলের। এমনকী বাংলায় কথা বললে বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এই বিষয়েও এদিন সুর চড়ান মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ''আমাদের শ্রমিকদের কেন বলবে, বাংলায় কথা বললেই সে বাংলাদেশি। পুশব্যাক করে দাও। পুশব্যাক তো অনেককেই করা যায়। আমরা পুশব্যাক করতে শিখিনি। আমরা আশ্রয় দিতে শিখেছি। সবাই দেশের নাগরিক।'' তাঁর কথায়, ''আমাদের সংস্কৃতি এবং...
এদিন জিএসটি নিয়েও নাম না করে বার্তা দেন প্রশাসনিক প্রধান। তিনি বলেন, ‘জিএসটি-র কৃতিত্ব আসলে রাজ্যের। ভাষণ দেওয়া ছাড়া কেন্দ্রের কোনও কৃতিত্ব বা অবদান নেই।’ শুধু তাই নয়, বিমায় জিএসটি তুলে নেওয়া নিয়ে তিনিই যে প্রথম কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছিলেন, তা আরও একবার মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ''এই কৃতিত্ব রাজ্যের।''
৭৭
অন্যদিকে এদিন একাধিক পুজো উদ্বোধনের পাশাপাশি মহালয়ার দিনেই ‘জাগো বাংলা’ উৎসব সংখ্যার উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেখানে অভিষেককে স্নেহের স্পর্শে মুখ্যমন্ত্রীকে আদর করতে দেখা যায়। শুধু তাই নয়, ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে মাইক হাতে জাগো বাংলা গানে গলা মেলাতেও দেখা যায় প্রশাসনিক প্রধানকে।