ক্রিকেট-গলফ-কুস্তিতে ‘বহু রূপে সম্মুখে’ খেলোয়াড় বিবেকানন্দ, স্বামীজির ক্লাবে খেলতেন শামিও!
গীতা ছেড়ে ফুটবল খেলার কথা বলেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ।
এ দেশে ক্রিকেটের আগমন ব্রিটিশদের হাত ধরে। একসময় কলকাতার সমস্ত ক্লাবেই নিয়মিত ক্রিকেট প্রাকটিস করতেন সাহেবরা। প্রথমদিকে কোনও ভারতীয়র এই খেলায় অংশ নেওয়ার অধিকার ছিল না। ধীরে ধীরে এই খেলা ছড়িয়ে পড়ে ভারতীয়দের মধ্যে। তখনও নরেন্দ্রনাথ স্বামীজি হয়ে ওঠেননি। সেই সময় কিন্তু নিয়মিত ক্রিকেট খেলতেন। সন্ন্যাস গ্রহণের পরেও খেলাধুলোর অভ্যাস থেকে সরেননি।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
মহেন্দ্রনাথ আরও লিখছেন, 'বিবেকানন্দ ক্রিকেট খেলছেন- ছবিটা মনে আনা যাক-তা কি হ্যামণ্ডের মতো? নিতে হলে হ্যামণ্ডের মর্যাদার ভাবটাই শুধু নিতে হয়, নচেৎ বিবেকানন্দ আরও ডায়ন্যামিক। ও বস্তুটা নেওয়া যাক ব্রাডম্যানের কাছ থেকে। তবে ঐ গতিশীলতা পর্যন্তই, নইলে ব্রাডম্যানের সুদীর্ঘ যান্ত্রিকতা বিবেকানন্দের পছন্দসই হবে না।'
নবগোপাল মিত্রের আখড়ায় ব্যায়াম করতেন। জিমন্যাস্টিকে পুরস্কার পেয়েছেন। আবার এমন বর্ণনাও আছে, যেখানে তিনি বন্দুকের এক শটে হরিণ মেরে ফেলতেন। তিনি বলতেন, "আমাদের যুবকগণকে প্রথমত সবল হইতে হইবে, ধর্ম পরে আসিবে। হে আমার যুবক বন্ধুগণ, তোমরা সবল হও – তোমাদের নিকট ইহাই আমার বক্তব্য। গীতাপাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলিলে তোমরা স্বর্গের আরও নিকটবর্তী হইবে।"