ক্রিয়েটর মানেই ব্যক্তিগত জীবন বিক্রি নয়! অভাবীদের পাশে দাঁড়িয়ে ‘হিরো’ ইনফ্লুয়েন্সর বাপ্পা-অতীন্দ্ররা
‘আমি সর্বস্ব’ দুনিয়ায় অন্যের চোখে জল দেখে পাশে দাঁড়ানোর মানুষ এখনও আছে, বারবার প্রমাণ দেন এই ইনফ্লুয়েন্সররাই।
'খুশির ভাণ্ডার বাপ্পা' ফেসবুক পেজটির সঙ্গে কমবেশি সকলেই পরিচিত। পেজটির মালিক বাপ্পা সরকার। উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের বাসিন্দা তিনি। একটি ওষুধের দোকান রয়েছে তাঁর। দুঃস্থ পরিবারের পাশে সর্বদা দেখা যায় তাঁকে। কাউকে খাবার পৌঁছে দেন, কারও বাড়ি বানিয়ে দেন, কারও আবার পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়েছেন। মোট কথা অভাবী মানুষদের সাধ্য মতো সাহায্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
ফেসবুকে অত্যন্ত পরিচিত আরও একটি পেজ, 'খুশির ভাণ্ডার তরুণ'। সকলের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সর্বদা ছুটে বেড়ান এই যুবক। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটি চত্বরে। অর্থের অভাবে যাদের দিন গুজরান কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়, তাঁদের ত্রাতা এই তরুণ। মাসের বাজার থেকে পড়াশোনার খরচ, বহু মানুষ এই মুহূর্তে বেঁচে রয়েছেন তরুণের ভরসায়। তাঁরা জানেন, বিপদ যতই আসুক, তরুণদা আছেন।
এই তালিকায় রয়েছে 'সোশাল ওয়ার্কার অতীন্দ্র' পেজটিও। অতীন্দ্র চক্রবর্তী নদিয়ার রানাঘাটের রথতলার বাসিন্দা। কোথাও কেউ বিপদে, অনাহারে, অসুবিধায় রয়েছেন খোঁজ পেলেই ছুটে যান তিনি। নিজের সাধ্য মতো তাঁদের পাশে দাঁড়ান। তবে শুধু অর্থ সাহায্য করেই যে থেমে যান তা কিন্তু নয়। একাধিক ব্যক্তিকে ব্যবসার ব্যবস্থাও করে দিয়েছেন তিনি। যাতে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সংসার সামলাতে পারেন।
আরও পড়ুন:
সমাজসেবীদের তালিকায় রয়েছেন রূপকুমার পাণ্ডা। ইনিও অভাবীদের হাতে অর্থ সাহায্য তুলে দেন। তবে রূপকুমারের পদ্ধতি খানিকটা আলাদা। ভিডিওতে দেখা যায়, ইনি বিভিন্ন দুঃস্থদের কাছে যান। তাঁদের একটা সময় বেঁধে দেন। সেই সময়ের মধ্যে যে'কজন রূপকুমারের ফেসবুক পেজ ফলো করেন। প্রতিটির জন্য ১০০ টাকা করে তুলে দেন তিনি। অর্থাৎ মূল উদ্দেশ্য একটাই, অভাবীর পাশে থাকা।