সাজঘরে ধূমপান থেকে ‘হট’ অনন্যা-সারার খোঁজ! ক্রিকেটের থেকেও বেশি চর্চায় রিয়ানের ‘কেচ্ছা’
আইপিএলের মাঝেই ই-সিগারেটে টান দিয়ে বিতর্কে রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক।
আরও পড়ুন:
পরে অবশ্য ঘটনার ব্যাখ্যা দেন রিয়ান। রাজস্থানের তারকার দাবি, তাঁকে ‘ফাঁসানো হয়েছিল’। ঘটনার ৯ মাস পর একটি পডকাস্টে রিয়ান বলেন, তাঁর ডিসকোর্ড দলের একজনই তাঁকে ফাঁসিয়ে ছিলেন। কীভাবে? রিয়ানের বক্তব্য ছিল, ইউটিউবের নিয়ন্ত্রণ ছিল তাঁর ডিসকোর্ড দলের হাতে। সেই সময় ইউটিউব চালাতে গিয়ে বিপাকে পড়েন। রাজস্থানের বর্তমান অধিনায়কের মত, ওই মরশুমে ভালো খেলেছিলেন বলে ফাঁসানো হয়।
মাঠের বাইরে তাঁর 'অ্যাটিট্যুডে'র জন্য বহুবার সমালোচিত হয়েছেন। যেমন, গত বছর বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে মাঠকর্মীরা রিয়ানের সঙ্গে সেলফি তুলতে এগিয়ে আসেন। রিয়ান সেলফিও তোলেন। গোলমাল বাঁধে ছবি তোলার পর। মাঠকর্মীদের হাতে ফোন দেওয়ার বদলে সেটা ছুড়ে দেন রিয়ান। নেটিজেনদের বক্তব্য, 'ভদ্রভাবে' ফোন দেওয়া উচিত ছিল অসমের ভূমিপুত্র ক্রিকেটারের।
আরও পড়ুন:
ফিরে যাওয়া যাক আরও আগে। ২০২২ সালে হর্ষল প্যাটেলের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ান রিয়ান। হর্ষলের শেষ ওভারে ১৮ রান হাঁকান রাজস্থান অলরাউন্ডার। সঙ্গে সঙ্গে তর্ক শুরু হয়। ম্যাচের পর হর্ষলের দিকে হাত বাড়িয়ে দেন রিয়ান। কিন্তু সকলকে অবাক করে হর্ষল রীতিমতো উপেক্ষা করেন রিয়ানকে। তবে ওই ঘটনায় ওই সময় আরসিবি'তে খেলা হর্ষলকেই দোষ দেন।
আর এবার আইপিএলের মাঝেই ধূমপান বিতর্ক। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে রাজস্থান রয়্যালস ইনিংসের ১৬তম ওভারে দেখা যায়, ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের পাশে বসে ই-সিগারেট টানছেন রিয়ান। ই-সিগারেট সেবন ভারতে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ড্রেসিংরুমে বসে যেকোনও রকমের ধূমপান করাই দণ্ডনীয় অপরাধ। বোর্ডের তরফ থেকে গোটা ঘটনার ব্যাখ্যা চাওয়া হয় রিয়ানের কাছে।
প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, বোর্ডের নিয়মের আওতায় থেকেই শাস্তি দেওয়া হতে পারে রিয়ানকে। জরিমানা বা নির্বাসনের মতো সাজা পেতে পারেন। কিন্তু ম্যাচ ফি’র মাত্র ২৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। শাস্তির নিরিখে যা অতি সামান্য। তবে বিতর্ক থামেনি। রাজস্থানের অধিনায়কের বিরুদ্ধে কড়া তদন্তের দাবি তুলেছে ধূমপানবিরোধী সংগঠন ‘মাদার্স এগেইনস্ট ভেপিং’।