স্বামী সইফ, দুই পুত্র তৈমুর ও জেহকে নিয়ে বিদেশের সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে গিয়েছিলেন করিনা কাপুর। আর সেখান থেকেই একগুচ্ছ ছবি দিয়ে নেটপাড়ার পারদ চড়ালেন পতৌদিদের বউমা।
বরং সমুদ্র সৈকত থেকে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করা করিনা কাপুর বললেন, 'সমুদ্র সৈকতে দাঁড়িয়ে কীভাবে ছবি তুলতে হয় আমার কাছে শিখুন।' বেবোর কথায় সায় দিয়ে প্রশংসায় ভরিয়েছেন তাঁর গার্ল গ্যাং।
৪৬
বরং সইফ অবশ্য বোন সোহা আলি খানকে বিকিনি পরতে দিতেন না, যেখানে তাঁদের মা শর্মিলা ঠাকুর 'অ্যান ইভনিং ইন দ্য প্যারিস' ছবিতে বিকিনি পরেছিলেন। বউমা যে সেই ধারা অব্যহত রেখেছেন, তা বেশ বোঝা যায় বেবোর বিকিনি ফটোশুট দেখলে।
৫৬
ছুটি কাটানোর মেজাজে তোলা ছবিগুলিতে করিনাকে 'কুল' লাগছে বলেই মত বহু নেটিজেনের। অনেকে 'হট টু হ্যান্ডল' বলেও দাবি করেন।
বলিউড ডিভা সময় পেলেই বেরিয়ে পড়েন পরিবারের সঙ্গে। ছোট্ট দুই ছেলে ও স্বামী সইফকে নিয়ে পতৌদি প্যালেসে কাটানোর পাশাপাশি সমুদ্র সৈকত বা অন্যত্রও তাঁদের দেখা গিয়েছে আগে। এবারও হলিডে মুডে নেটপাড়া কাঁপাচ্ছেন করিনা কাপুর। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
সোমবার স্ত্রী অনুষ্কাকে নিয়ে নোভাক জকোভিচের ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। সোমবার তাঁদের দেখা গেল উইম্বলডনের গ্যালারিতে। জকোভিচ বনাম অ্যালেক্স দিমিনউর ম্যাচ দেখছিলেন তারকা দম্পতি। সেই ছবি হুহু করে ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়।
২১১
ম্যাচের একটি ছবি নিজের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন বিরাট। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে ম্যাচ জেতা জকোভিচের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে তিনি লেখেন, ‘অনবদ্য ম্যাচ। তবে যোদ্ধারা তো এভাবেই খেলে থাকে।’
বিরাটের এই পোস্টের কয়েকঘণ্টা পরেই নেটদুনিয়ায় তোলপাড় ফেলে দেয় আরেকটি পোস্ট-ইনফ্লুয়েন্সার অভনীত কৌরের। তিনিও উইম্বলডন দেখতে গিয়েছিলেন। ঘটনাচক্রে জকোভিচের ম্যাচটাই দেখতে গিয়েছিলেন অভনীত।
৪১১
অভনীতের পোস্ট ভাইরাল হতেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে নেটদুনিয়ায়। কারণ মাত্র মাসদুয়েক আগেই বিরাটের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছিল। স্ত্রী অনুষ্কা শর্মার জন্মদিনে অভনীতের একটি ছবিতে লাইক করে দেন বিরাট।
৫১১
তারপরই চর্চা শুরু হয়, হঠাৎ কী হল কোহলির? তাঁর সঙ্গে অভনীতের বিশেষ কোনও রসায়ন রয়েছে কিনা সেই নিয়েও জল্পনা চলে। তারপর অবশ্য সাফাই দিয়ে বিরাট বলেন, অ্যালগরিদমের ভুলেই এমনটা ঘটেছে।
সেই সাফাইতে অবশ্য নেটিজেনদের মন গলেনি। তাঁদের প্রশ্ন, অ্যালগোরিদম কি না বেছে বেছে অভনীতের ছবিই পেল? তারপর থেকে বিরাটের সঙ্গে অভনীতের নাম জড়িয়ে নানা মিমে ছেয়ে যায় নেটদুনিয়া।
৭১১
দু'মাস পরে ফের জুড়ে গেল বিরাট-অভনীতের নাম। উইম্বলডনের একই ম্যাচে খেলা দেখতে গেলেন দু'জনে। সেই ঘটনার পর নতুন উদ্যমে সোশাল মিডিয়ায় নেমে পড়েছেন নেটিজেনরা। আবারও একের পর এক মিম তৈরি করছেন তাঁরা।
৮১১
উইম্বলডন দেখতে গিয়ে বেশ কিছু সময়ে বেশ গোমড়া মুখে বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল বিরাটকে। সেই প্রসঙ্গ টেনে নেটিজেনদের প্রশ্ন, তাহলে কি অভনীতকে দেখেই বিরাটের মেজাজ খারাপ ছিল?
৯১১
বিরাট-অভনীতকে নিয়ে নানা ধরনের মিম ঘোরাফেরা করছে নেটদুনিয়ায়। পুরনো নানা সিনেমার দৃশ্য ব্যবহার করেও মিম তৈরি হয়েছে। রসিক নেটিজেনদের মতে, একসঙ্গে একটা ছবি তুলতে পারতেন বিরাট-অভনীত।
১০১১
খেলা না থাকলে এখন পাকাপাকিভাবে লন্ডনেই থাকেন বিরাট-অনুষ্কা। গত কয়েকদিন ধরে লন্ডনের পথে তাঁদের হেঁটে বেড়ানোর ছবি-ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। ঘটনাচক্রে গত কয়েকদিন ধরে ইংল্যান্ডে রয়েছেন অভনীতও। তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টেই দেখা গিয়েছে, লন্ডনে ছুটি কাটাচ্ছেন ইনফ্লুয়েন্সার।
১১১১
'লাইক' বিভ্রাটের পর বিরাট সকলকে অনুরোধ করেছিলেন, এই নিয়ে অকারণে কোনও চর্চা না হোক। কিন্তু দু'মাস পরে ফের সেই একই অধ্যায় ফিরে এল বিরাটের জীবনে।
বাড়ি থেকে বেরনোর সময় মোবাইল নিতে ভুলে যান? কিংবা মাথার উপর চশমা রেখে গোটা ঘর খুঁজতে থাকেন? বর্ষার মরশুমে ছাতা হারানোর ঘটনা তো আখছার শোনা যায়। কিন্তু এই ভুল যদি বারবার ঘটতে থাকে, তাহলে সাধু সাবধান! স্মৃতি আপনার সঙ্গে প্রতারণা করছে না তো? স্মৃতির এই ক্ষয় শুধু বয়স্কদের নয়, তরুণ প্রজন্মকেও আজকাল জাপটে ধরেছে। বেহিসেবি জীবনযাপন, মানসিক উদ্বেগ, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রভৃতি কারণে বার্ধক্যের বহু আগেই...
২১১
ভুলে যাওয়ার এই প্রবণতাকে আস্কারা দিলেই তৈরি হতে পারে বড় সমস্যা। চিরস্থায়ী প্রবণতা হিসেবে দেখা দিতে পারে অ্যামনেসিয়ার মতো রোগ। তাই, স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটাতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে কিছু খাবার। এই খাবারগুলি নিত্য আপনার পাতে পড়লে কমবে ভোলার প্রবণতা। বাড়বে মনের একাগ্রতাও।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ মাছ: স্যামন, টুনা, সার্ডিন, ইলিশের মতো চর্বিযুক্ত মাছগুলিতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (বিশেষ করে EPA এবং DHA) থাকে। এই ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের কোষ গঠন এবং কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৪১১
বেরি জাতীয় ফল: ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, রাস্পবেরি, ব্ল্যাকবেরির মতো ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে। এগুলো মস্তিষ্কের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। একইসঙ্গে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটায়।
৫১১
বাদাম ও বীজ: আখরোট, কাজু, পেস্তা, চিনাবাদাম, কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, তিলের বীজ এগুলিতে ভিটামিন ই, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, জিঙ্ক ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ থাকে যা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
সবুজ শাক-সবজি: পালং শাক, ব্রোকলি, কেল-এর মতো গাঢ় সবুজ শাক-সবজিতে ভিটামিন কে, লুটেইন, ফোলেট এবং বিটা-ক্যারোটিন থাকে। এই পুষ্টি উপাদানগুলো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ও বয়সজনিত স্মৃতিশক্তি হ্রাস রোধ করতে সাহায্য করে।
৭১১
ডার্ক চকোলেট: এতে ফ্ল্যাভোনয়েড, ক্যাফেইন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বাড়াতে এবং মস্তিষ্ক আরও সচল করতে সাহায্য করে। তবে ডার্ক চকোলেট কমপক্ষে ৭০% কোকো সমৃদ্ধ হওয়া উচিত এবং মিষ্টির পরিমাণ কম থাকা উচিত।
৮১১
ডিম: ডিম কোলিন এবং ভিটামিন বি-এর ভালো উৎস। কোলিন হল অ্যাসিটাইলকোলিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ভিটামিন বি৬, বি১২ এবং ফোলেট মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ও স্নায়বিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৯১১
হলুদ: হলুদে থাকা কারকিউমিন নামক যৌগ যা শক্তিশালী প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণাগুণ সম্পন্ন। এটি মস্তিষ্কের কোষের বৃদ্ধি ও রক্ষণাবেক্ষণে সাহায্য করে।
১০১১
আস্ত শস্য: ওটস, ব্রাউন রাইস, কুইনোয়া, লাল আটার রুটি প্রভৃতি মস্তিষ্কের পুষ্টি জোগাবার জন্য দারুণ উৎস। এগুলিতে থাকা ফাইবার মস্তিষ্কের সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
১১১১
এই খাবারগুলি নিয়মিত খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণও স্মৃতিশক্তির উন্নতির জন্য অপরিহার্য।