একধাক্কায় অনেকটা বেড়েছে সিগারেট-সহ তামাকজাত অন্যান্য পণ্যের দাম। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, ওই ধরনের পণ্যের উপর ৪০ শতাংশ জিএসটি বসেছে। সঙ্গে অতিরিক্ত সেসও বসানো হয়েছে। ফলে ধূমপায়ীদের কপালে রীতিমতো চিন্তার ভাঁজ। কারণ, সস্তার সিগারেটের দাম বেড়েছে প্যাকেট প্রতি প্রায় ২২ থেকে ২৫ টাকা। ফলে অনেকেই ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু চাইলেই কী আর ছাড়া যায়। জোর করে নেশা ছাড়তে গেলে আবার অনেকরকম সমস্যাও তৈরি হয়।...
২১০
নেশামুক্তির জন্য চা আদর্শ। সিগারেটের জন্য মন আকুল হয়ে উঠলেই মনের মতো করে এক কাপ চা বানান। ধীরে ধীরে তা খান। হাতে সময় না থাকলেও চেষ্টা করুন অন্তত ৫ মিনিট বাইরে থেকে ঘুরে আসার। দেখবেন মুক্ত বাতাসে কিছুটা ভালো লাগবে। তবে ওই সময় ভুলেও ফোন সঙ্গে রাখবেন না। মাঝে মধ্যে বাদাম, চুইংগাম খান।
এক্ষেত্রে দারুণ কাজ করে গান। তবে গান শোনার সময় ভুলেও কথা বলবেন না। সিগারেট খেতে ইচ্ছে করলেই ব্রাশ করুন। তা দিনে একাধিকবার হলেও কোনও সমস্যা নেই। ডায়েরি লেখার অভ্যাস তৈরি করুন।
৪১০
কাছের কোনও বন্ধুকে ফোন করুন। যার কাছে জমানো অনেক কথা বলার আছে। দেখবেন কখন সময় পেরিয়ে গেছে বুঝতেও পারবেন না।
৫১০
সিগারেটের জন্য মন কেমন করলেই ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। ঘর গোছানোর মন দিন। অথবা একটা বই নিয়ে বসে পড়ুন। দেখবেন মনটা অন্যদিকে ঘুরে গিয়েছে।
পছন্দের ফল খেতে পারেন। চাইলে লেবু জলও খেতে পারেন। তাতেও মন ভালো না হলে গাছে জল দিন। বাগানের পরিচর্যা করুন।
৭১০
একইভাবে এক জায়গায় বসে থাকবেন। মাঝে মাঝে স্থান পরিবর্তন করুন। অফিসে থাকলে ডেস্কটাকে অন্যভাবে সাজান।
৮১০
মাঝে মধ্যে পুরনো ছবি দেখুন। খাতা কলম নিয়ে বসে নিজের জন্য একটা রুটিন তৈরি করে ফেলুন। আপনাকে তা ফলে করতেই হবে তা নয়। তবে সিগারেটের জন্য উসখুশ করলে মনটা অন্যদিকে ঘোরানোই এর উদ্দেশ্য।
৯১০
জানলার পাশে বসে আকাশটা দেখতে পারেন। পুরনো বন্ধু, হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জনের কথা ভাবতে পারেন। অয়েল মাসাজ নিতে পারেন। তাতেও কাজ না হলে আলমারি গুছিয়ে ফেলুন। দেখবেন চোখের নিমেষে সময় কেটে যাবে।
১০১০
কোনওকিছুতেই যদি কাজ না হয় তাহলে অন্তত সিগারেট খাওয়ার ব্যবধান বাড়ান, সংখ্যা কমান। যদি আগে দিনে ১০ টা সিগারেট খাওয়ার অভ্যেস থেকে থাকে তা একধাক্কায় ৫-এ নামিয়ে আনুন।
‘ইসলাম আমাকে কী বহিষ্কার করবে! আমিই ধর্ম ত্যাগ করেছি’, বিস্ফোরক উরফি
হিন্দি টেলিভিশনের অভিনেত্রী হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন উরফি। পরে ‘বিগ বস ওটিটি’ শোয়ে প্রতিযোগী হিসেবে নজর কেড়েছিলেন।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১৯:৪৯
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১৯:৪৯
১১০
সোশাল মিডিয়ায় তাঁর নিরন্তর আনাগোনা। কখনও অদ্ভূত পোশাক তো কখনও মেকআপ, কখনও আবার ঠোঁটের ফিলার্সের জন্য ভাইরাল হন তিনি নেটপাড়ায়। তিনি আর কেউ নন, মডেল অভিনেত্রী তথা সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার উরফি জাভেদ।
২১০
সোশাল মিডিয়ায় আজব ফ্যাশনে হইচই ফেলে দেন উরফি জাভেদ। তবে অতীতে যে কারণেই তিনি নেটপাড়ায় ভাইরাল হন না কেন, এই মুহূর্তে তিনি শিরোনামে অন্য এক কারণে।
সম্প্রতি নেটপাড়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে উঠে আসে উরফিকে ইসলাম ধর্ম থেকে বহিষ্কার করার মতো তথ্য। মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল হয়। এমনকী এও শোনা যায় যে, ইসলাম ধর্ম থেকে উরফিকে বহিষ্কার করার পর নিজের নামও বদলেছেন তিনি।
৪১০
নিজের কী নাম রেখেছেন নেটপাড়া সেনসেশন উরফি। তিনি নাকি নিজেই নিজের নামকরণ করেছেন, নিজের নাম রেখেছেন গীতা ভরদ্বাজ। কিন্তু উরফি সম্পর্কে এমন তথ্য সামনে আনলেন কে?
৫১০
ফইজান আনসারি নামে এক সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন। তিনি এও বলেন যে, ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করার অভিযোগেই নাকি তাঁকে ধর্ম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এক ভিডিওতে ফইজানকে বলতে শোনা যায়, "উরফি জাভেদ এমন একজন নারী যিনি ইসলাম ধর্মের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন। সারা বিশ্বব্যপীই তিনি ইসলাম ধর্মকে অপমান করেছেন। তিনি বারবার জনসমক্ষে বলেছেন তিনি তাঁর ধর্ম ইসলমাকে মানেন না। এই অবমাননার জন্য তাঁকে ইসলাম ধর্ম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এরপর থেকে তিনি গীতা ভরদ্বাজ নামে পরিচিত হবেন সকলের কাছে।"
৭১০
এই কথা কানে যেতেই ফুঁসে ওঠেন উরফি। সত্যিই কি তিনি ধর্ম থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন? উরফি বলেন, "আমাকে কে ধর্ম থেকে বহিষ্কার করবে? আমি নিজেই বহুদিন আগে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে বেরিয়ে এসেছি। আমার পরিচয় আমার ধর্ম নয়।"
৮১০
উরফি থেকে তিনি কি গীতা ভরদ্বাজ হয়েছেন? এ প্রসঙ্গে উরফি বলেন, "কে এ কথা বলছে? এরকম কোনও ঘটনাই ঘটেনি। এর কোনও সত্যতা নেই। আমি কোনও ধর্মকে মানি না। তাহলে বহিষ্কার করার প্রসং উঠছে কীভাবে? আমি একজন নাস্তিক। কেউ যদি কোনও ধর্মের অন্তর্ভুক্তই না হন তাহলে কি তাঁকে বহিষ্কার করার মতো কথা বলা যায়?"
৯১০
হিন্দি টেলিভিশনের অভিনেত্রী হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন উরফি। পরে ‘বিগ বস ওটিটি’ শোয়ে প্রতিযোগী হিসেবে নজর কেড়েছিলেন। তবে সেসব এখন অতীত। এখন উদ্ভট পোশাক পরে ক্যামেরার সামনে পোজ দেওয়াকেই নিজের পেশা বানিয়ে ফেলেছেন উরফি। সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ছবি ও ভিডিও আপলোড করেন তিনি।
১০১০
নিজের খোলামেলা এবং উদ্ভট পোশাকের জন্য হামেশাই খবরের শিরোনামে থাকেন উরফি। কবে কী কাণ্ড সোশ্যাল মিডিয়া ঘটাচ্ছেন। তা নিয়ে উৎসাহের অন্ত নেই। কেউ কেউ উরফির ফ্যাশন সেন্সের প্রশংসা করেন, তবে বেশিরভাগই মানুষই তাঁর খোলামেলা পোশাকের বিরুদ্ধে। অনেকে উরফির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি তোলেন। তবে সেসবে কান দিতে একেবারেই নারাজ উরফি। নিজের পছন্দকেই বরাবর গুরুত্ব দিতে ভালোবাসেন তিনি। আর এবার এড়ালেন এমন স্পর্শকাতর বিষয়ও। ছবি:...
বাজপেয়ী, মনমোহনদের ক্রিকেট কূটনীতি কি ব্যর্থ হচ্ছে মোদি জমানার উগ্র জাতীয়তাবাদে?
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১৯:৫৫
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১৯:৫৫
১১২
ভারত ও পাকিস্তান। জন্মলগ্ন থেকেই একে ওপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে। কখনও ঘোষিত, কখনও অঘোষিতভাবে। আর সেই যুদ্ধ পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে সেই জিনিসটাকে যা কিনা দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করতে পারত। ক্রিকেট। ইতিহাস সাক্ষী, ভারত-পাকিস্তান কূটনৈতিক পরিস্থিতির জন্য বারবার প্রভাবিত হয়েছে ক্রিকেট। সেটা সেই ১৯৬৫ সাল থেকেই।
২১২
ভারত ও পাকিস্তানের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক শুরু ১৯৫২-৫৩ সালে। সেই প্রথম পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলে দুই দেশ। খেলাগুলি দুদেশে মিলিয়েই হয়। এরপর ১৯৫৫ এবং ১৯৬০-৬১ সালেও একই রকম সিরিজের আয়োজন হয়। এই তিন সিরিজেই কোনও মীমাংসা হয়নি। খেলা হয়েছিল বন্ধুত্বপূর্ণ আবহে। সিরিজ দুটিও শেষ হয় অমীমাংসীতভাবে।
এরপরই ক্রিকেট মাঠে যুদ্ধের করাল গ্রাস। ১৯৬৫ এবং ১৯৭১ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে জোড়া যুদ্ধ। যার জেরে দেড় দশকের বেশি সময় দুদেশের মধ্যে কোনওরকম দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়নি। ১৯৭৮ সালে দু'দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য দুই তরফ থেকেই ক্রিকেটকে হাতিয়ার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। আবারও শুরু হয় ক্রিকেট।
৪১২
আটের দশক থেকে ভারত ও পাকিস্তান নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলা শুরু করে। শারজা, টরেন্টোর মতো সিরিজে বিভিন্ন ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের মাধ্যমে নতুন করে গতি পায় ক্রিকেট মাঠে দু'দেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ধীরে ধীরে শুরু হয় দ্বিপাক্ষিক সিরিজও। এই সময় বহু স্মরণীয় ক্রিকেটীয় মুহূর্তের সাক্ষী থেকেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
৫১২
কিন্তু বাধা এরপরও এসেছে। ১৯৯৯ কার্গিল যুদ্ধ এবং ২০০৮ সালের মুম্বই হামলা ফের প্রশ্নের মুখে তুলে দিয়েছে দুদেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক। ১৯৯৯ কার্গিল যুদ্ধের পর ফের দু'দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট বন্ধ হয়ে যায়। মজার কথা হল, সেবছরই পাকিস্তানের ভারত সফর ছিল। সেই সফরে বাধা দেওয়ার কম চেষ্টা হয়নি। এমনকী দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামে শিব সেনার কিছু অনুগামী ঢুকে পিচ খুঁড়ে দিয়েছিল। যা নিয়ে আজও গর্ববোধ...
কার্গিল যুদ্ধের বছর পাঁচেক বাদে অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং পারভেজ মুশারফের উদ্যোগে ফের দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়া শুরু করে। ২০০১ সালে সংসদে হামলার পর যা অকল্পনীয় ছিল। কিন্তু ঝুঁকি নিয়ে বাজপেয়ী সেটাও করেন। ২০০৩-০৪ সালে পাকিস্তান সফরে যায় ভারতীয় দল। প্রায় ১৪ বছর পর ভারতীয় দল পাকিস্তানে পা রাখে। সেই সিরিজ ঐতিহাসিকভাবে সফল। ওই সিরিজের পর দুই দেশের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হওয়া শুরু করে।
৭১২
প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মনমোহন সিং আসার পরও বাজপেয়ীর মতোই পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করার চেষ্টা করেন। পণ্ডিত নেহেরুর মতো তিনিও মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক না রাখলে দেশের আর্থিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। ব্যতিক্রম নয় পাকিস্তানও। ওয়াঘা সীমান্তের অপর প্রান্ত থেকে হিংসা, সন্ত্রাসের চেষ্টা যখন সমানে চলছে তখনও তিনি ভারত-পাক সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করে গিয়েছেন। আর সেই কাজে পুরোপুরি ব্যবহার করে গিয়েছেন ক্রিকেটকে।
৮১২
মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ২০০৫-০৬ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে সিরিজ খেলে ভারতীয় দল। সেবার পারভেজ মুশারফও দিল্লিতে আসেন। তৎকালীন পাক প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী মনমোহন একসঙ্গে ক্রিকেট দেখেন। অবশ্য ভারত-পাক সম্পর্কে তখনও তলানিতে ঠেকেনি।
৯১২
ফের সমস্যা শুরু হয় ২০০৮ মুম্বই হামলার পর। মুম্বইয়ের তাজ হোটেলে পাক সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় ১৭৫ জনের মৃত্যুর পর তলানিতে ঠেকে দুদেশের সম্পর্ক। গোটা দেশ তখন ক্ষোভে ফুঁসছে। ফের বন্ধ হয় ক্রিকেট। ২০১১ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপের সেমিফাইনালকে ফের কূটনীতির মঞ্চ হিসাবে ব্যবহার করেন মনমোহন। মোহালিতে সেমিফাইনালে ভারত-পাক মহারণ দেখতে প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণ জানান পাক প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানিকে। মোহালিতে পাশাপাশি বসে সেই সেমিফাইনাল দেখেন গিলানি এবং মনমোহন।...
১০১২
পরে নরেন্দ্র মোদির সরকার অবশ্য পাকিস্তানের প্রতি মনমোহনের এই ‘নরমপন্থী’ মনোভাব পুরোপুরি খারিজ করে দেয়। মোদি সরকারের সাফ বার্তা, সন্ত্রাস আর খেলাধুলো একসঙ্গে চলতে পারে না। এরপর ২০১৯ পুলওয়ামা হামলা, ২০২৫ পহেলগাম হামলা পরিস্থিতি আরও বিগড়ে দেয়। ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতেও ভারত পাকিস্তানে যায়নি। ওই টুর্নামেন্ট হয় হাইব্রিড মডেলে। ঠিক হয়, এবারে ভারতের মাটিতে যে বিশ্বকাপ হওয়ার কথা তাতেও পাকিস্তান খেলতে আসবে না। তাই পাকিস্তানের...
১১১২
বস্তুত গত ৭০ বছরে ভারত-পাক ম্যাচে বহুবার থাবা বসিয়েছে রাজনীতি। বহুবার বন্ধ হয়েছে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। কিন্তু এ পর্যন্ত এভাবে আইসিসি টুর্নামেন্টে কোনও ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত বেনজির। ঝড়ঝঞ্জা যাই আসুক, নিরপেক্ষ ভেন্যুতে বা আইসিসি ইভেন্টে দু'দল ক্রিকেট খেলেছে। দু'দেশের ক্রিকেটাররা সখ্য বজায় রেখেছেন।
১২১২
কিন্তু এবার মহসিন নকভির পাক বোর্ড যে সিদ্ধান্ত নিল, সেটা শুধু বেনজির নয়, অভাবনীয়। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এই ম্যাচে পাকিস্তানের দল না নামানোর অর্থ কি? এরপর কি তবে আইসিসি টুর্নামেন্টেও বহু প্রতীক্ষিত এই মহারণ বন্ধ হয়ে যাবে? ভারত-পাক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কি চিরতরে ইতি পড়ে গেল? বাজপেয়ী, মনমোহনদের ক্রিকেট কূটনীতি কি ব্যর্থ হচ্ছে মোদি জমানার উগ্র জাতীয়তাবাদে?