অধিনায়ক রোহিত শর্মা। টানা নয় ম্যাচে ভারতের জয়ের নেপথ্যে অন্যতম কারিগর। ঝোড়ো গতিতে ব্যাটিং করে বিপক্ষ বোলারদের রাতের ঘুম কেড়ে নিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই ৫০৩ রান করে ফেলেছেন হিটম্যান।
২১১
দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি'কক। জীবনের শেষ বিশ্বকাপে নেমে দুরন্ত ব্যাটিং করছেন প্রোটিয়া ব্যাটার। ৫৯১ রান করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান স্কোরারদের তালিকায় উপরের দিকেই রয়েছেন। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি উইকেটকিপারের দস্তানাও থাকবে তাঁরই হাতে।
বিরাট কোহলি। বিশ্বকাপে দুটি সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ৫৯৪ রান করে ফেলেছেন, ছুঁয়েছেন শচীন তেণ্ডুলকরের নজির। চাপের মুখে একা হাতে দলের হাল ধরেছেন। প্রয়োজন পড়লে দুই-তিন ওভার বলও করতে পারেন কিং কোহলি।
৪১১
রাচীন রবীন্দ্র। চলতি বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় আবিষ্কার। মেগাটুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই হাঁকিয়েছেন সেঞ্চুরি। ৫৬৫ রান করার পাশাপাশি তুলে নিয়েছেন ৫টি উইকেটও।
৫১১
এডেন মার্করাম। লোয়ার-মিডল অর্ডারে যেকোনও দলের ভরসা। বিশ্বকাপে কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে জয়ের পথে নিয়ে এসেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার দাপুটে পারফরম্যান্সে অবদান রয়েছে মার্করামের।
গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। রান তাড়া করে প্রথম ব্যাটার হিসাবে ২০০ করেছেন। নিশ্চিত হার থেকে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ জিতিয়েছেন। দরকার পড়লে বোলিং করে উইকেট তুলে নেওয়ারও ক্ষমতা রয়েছে ম্যাড ম্যাক্সের।
৭১১
রবীন্দ্র জাদেজা। বিশ্বের সেরা ফিল্ডার। ১০ ওভার বল করে রান আটকানোর পাশাপাশি উইকেট তুলে নিয়েছেন। ব্যাট হাতেও চেনা ফর্মে দেখা যাচ্ছে জাড্ডুকে। বিশ্বকাপের সেরা একাদশে অন্যতম ম্যাচ উইনার।
৮১১
দক্ষিণ আফ্রিকার উদীয়মান তারা মার্কো জানসেন। পাওয়ারপ্লেতে উইকেট তুলেছেন, লোয়ার অর্ডারে ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন। চাপের মুখে ধৈর্য্য় ধরে ইনিংস খেলতেও দেখা গিয়েছে ২৩ বছর বয়সি ব্যাটারকে।
৯১১
মহম্মদ শামি। মাত্র ৫টি ম্যাচ খেলেই তুলে নিয়েছেন ১৬ উইকেট। আগুনে গতিতে নড়িয়ে দিচ্ছেন বিপক্ষ ব্যাটারদের আত্মবিশ্বাসও। পুরনো বলেও সমান ভয়ংকর বাংলার পেসার।
১০১১
জশপ্রীত বুমরাহ। ৯ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীদের তালিকায় রয়েছেন। ভারতীয়দের মধ্যে চলতি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন বুম বুম।
১১১১
অ্যাডাম জাম্পা। চলতি বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেশি উইকেট গিয়েছে তাঁর ঝুলিতে। ২২টি উইকেট নিয়ে বিশ্বকাপের সেরা বোলারদের মধ্যে অন্যতম অজি লেগস্পিনার।
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়াকে ৬ উইকেটে হারায় ভারত। অজিদের করা মাত্র ১৯৯ রান চেজ করতে নেমে ৪১.২ ওভারে ৪ উইকেটে ২০১ রান তুলে দেয় টিম ইন্ডিয়া। ৯৭ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচের সেরা হন লোকেশ রাহুল।
২৯
প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৭২ রান তুলে দেয় আফগানিস্তান। তবে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ২৭৩ রান তুলে, ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় টিম ইন্ডিয়া। ৮৪ বলে ১৩১ রান করে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন রোহিত শর্মা।
জশপ্রীত বুমরাহ-মহম্মদ সিরাজ ও স্পিনারদের দাপটে মাত্র ১৯১ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেটে ১৯২ রান তুলে কাপ যুদ্ধে পাক দলের বিরুদ্ধে ৮-০ ব্যবধানে জিতল 'মেন ইন ব্লু' ব্রিগেড। ৭ উইকেটে জেতা সেই ম্যাচে ১৯ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন বুমরাহ।
৪৯
প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৫৬ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে ৪১.৩ ওভারে ২৬১ রান তুলে, ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে যায় ভারত। ৯৭ বলে ১০৩ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন বিরাট কোহলি।
৫৯
প্রথমে ব্যাট করে ২৭৩ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। ১২ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রান তুলে দেয় টিম ইন্ডিয়া। ৫৪ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছিলেন মহম্মদ শামি।
সেই ম্যাচে ভারত প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২২৯ রান তোলে। রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ফলে ১০০ রানে জয় পায় ভারত। ১০১ বলে ৮৭ রান করার সুবাদে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন হিটম্যান।
৭৯
প্রথমে ব্যাট করে ভারত ৮ উইকেটে ৩৫৭ রান তোলে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৫৫ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। ফলে ৩০২ রানে জিতে যায় টিম ইন্ডিয়া। ১৮ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছিলেন শামি।
৮৯
সেই ম্যাচে ভারত প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ৩২৬ রান তোলে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৮৩ রানে অলআউট হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ১২১ বলে ১০১ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন বিরাট। ৩৫তম জন্মদিনে একদিনের ক্রিকেটে ৪৯তম শতরান করেছিলেন কিং কোহলি।
৯৯
প্রথমে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ৪১০ রান তুলে দেয়। চেজ করতে নেমে ২৫০ রানে শেষ হয়ে যায় নেদারল্যান্ডসের ইনিংস। ৯৪ বলে ১২৮ রানে অপরাজিত থাকার সুবাদে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন শ্রেয়স আইয়ার।