মায়ামির সমুদ্র সৈকতে স্বল্পবসনে কখনও সাইকেল রাইডে দেখা গেল অভিনেত্রীকে। আবার কখনও বা ক্যালিফোর্নিয়ার রাস্তায় পুরোদস্তুর পর্যটক মুডে ধরা দিলেন নিয়া শর্মা।
৭৭
মাকে সঙ্গে নিয়েই হাভানা, কিউবা, মায়ামিতে ঘুরছেন নিয়া শর্মা। আর নেটপাড়ায় সেই ছবি দেখে রাতের ঘুম উড়েছে ভক্তদের।
নেলসন ম্যান্ডেলার নজির ছুঁলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয়বার মার্কিন কংগ্রেসে বক্তৃতা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। গণতন্ত্র থেকে করোনা টিকা, মঙ্গল অভিযান থেকে অর্থনীতি— নানা বিষয়ই উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।
২৭
মার্কিন কংগ্রেসে মোদিকে স্বাগত জানাতে উঠে দাঁড়ান সদস্যরা। স্ট্যান্ডিং ওভেশনের পাশাপাশি 'মোদি মোদি' হর্ষধ্বনিতে ভরে ওঠে কংগ্রেস ভবন। বক্তৃতার পরেই টের পাওয়া যায়, মার্কিন মুলুকেও তুমুল জনপ্রিয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার অধিবেশনের নেতৃত্বে ছিলেন মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি ও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। স্ট্যান্ডিং ওভেশনের সময় উঠে দাঁড়ান তাঁরাও।
৭৭
মার্কিন কংগ্রেসে নজির গড়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য চলাকালীন ১৫বার উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান জানান কংগ্রেস সদস্যরা। মোদির কথা শুনে ৭৯বার হাততালিও পড়ে মার্কিন কংগ্রেসে।
প্রথমবার আমেরিকায় স্টেট ভিজিটে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অর্থাৎ এই প্রথমবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবনে নৈশভোজ সারবেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে হোয়াইট হাউসের বারান্দায় সস্ত্রীক মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা যায় মোদিকে।
২৯
প্রধানমন্ত্রী আসবেন হোয়াইট হাউসে- তাঁকে এক ঝলক দেখার জন্য কাতারে কাতারে মানুষ হাজির হয়েছিলেন হোয়াইট হাউসের বাগানে। ভারতীয় পোশাকে সেজে উপস্থিত ছিলেন প্রচুর প্রবাসী ভারতীয়রাও। 'মোদি মোদি' ধ্বনিতে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান তাঁরা।
প্রথমবার স্টেট ভিজিটে গিয়েছেন মোদি। প্রথা অনুসারে তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। মোট ১৯ বার গান স্যালুট দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
৪৯
প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান জানাতে মার্কিন সেনার তরফে বিশেষ কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়। তিন বাহিনী একত্রিত হয়ে, ভারত ও আমেরিকার পতাকা নিয়ে সামরিক কায়দায় চলে এই কুচকাওয়াজ।
৫৯
হোয়াইট হাউসের বারান্দায় দাঁড়িয়ে গান স্যালুট ও গার্ড অফ অনার গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও মার্কিন ফার্স্ট লেডিকেও একই সঙ্গে সম্মান জানায় সেনার তিন বাহিনী।
শুধুমাত্র মোদিকে একঝলক দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন প্রচুর মানুষ। হোয়াইট হাউসের জনসমুদ্র দেখে আপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। উপস্থিত জনতাকে দেখে হাত নেড়ে অভিনন্দন জানান তিনি। সেই সঙ্গে বলেন, "গড ব্লেস আমেরিকা।"
৭৯
হোয়াইট হাউসের লনেই যৌথভাবে বক্তৃতা দেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। প্রথম স্টেট ভিজিটে এসে মোদি বলেন, বিশ্বশান্তির জন্য একসঙ্গে কাজ করবে ভারত ও আমেরিকা। দুই দেশের মজবুত বন্ধুত্বের কথাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।
৮৯
দেখা মাত্র একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন বাইডেন-মোদি। রাষ্ট্রপ্রধানের পাশাপাশি তাঁদের মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত বন্ধুত্বও, একথাই জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
৯৯
জনতার উদ্দেশে বক্তব্য রাখার পরেই গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন মোদি-বাইডেন। এইচ ১বি ভিসা, মার্কিন সামরিক ড্রোন কেনার মতো একাধিক বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।