৪ সন্তানের বাবা ধর্মেন্দ্র ছিলেন নাপসন্দ! কোন সুপারস্টারকে পাত্র হিসেবে চেয়েছিল হেমার পরিবার?
আশির দশকে ঘর বেঁধেছিলেন হেমা ও ধর্মেন্দ্র।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৭, ২০২৫, ১৯:৪৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৭, ২০২৫, ১৯:৪৭
১৮
আশির দশকে ঘর বেঁধেছিলেন তাঁরা। কথা হচ্ছে বলিউডের 'ড্রিমগার্ল' হেমা মালিনী ও বলিউডের 'হি-ম্যান' ধর্মেন্দ্রর। ২৪ নভেম্বর প্রয়াত হয়েছেন কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র।
২৮
ফিল্মি কেরিয়ারে 'সীতা আউর গীতা' থেকে 'শোলে'র মতো কালজয়ী ছবিতে নজর কেড়েছিলেন দর্শকের। তাঁর অভিনয়, গ্ল্যামার, সৌন্দর্য সবেতেই মুগ্ধ দর্শক। তাঁর অনুরাগীও অসংখ্য।
এখানেই শেষ নয়, কাজের পাশাপাশি হেমার ব্যক্তিগত জীবনও শিরোনামে উঠে এসেছে বারবার। বিবাহিত ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করায় শিরোনামে উঠে এসেছিলেন হেমা।
৪৮
দীর্ঘ দাম্পত্যজীবনে একে অপরকে পাশে পেয়েছিলেন। ধর্মেন্দ্রর সদ্যপ্রয়াণে শোকে কাতর হেমা বৃহস্পতিবার মনখারাপ করা এক পোস্ট করেছেন। কিন্তু জানেন কি, ধর্মেন্দ্র নন, বরং হেমার পরিবারের পছন্দ ছিল বলিউডের অন্য একজন অভিনেতাকে। কে ছিলেন তিনি?
৫৮
বিবাহিত ও চার সন্তানের বাবা ধর্মেন্দ্রর প্রেমে মেয়ে হেমা হাবুডুবু খেলেও তাঁকে একেবারেই পছন্দ ছিল না হেমার বাবার। এমনকী ধর্মেন্দ্রকে হেমার বাবা এমনও বলেছিলেন যে, 'তুমি একজন বিবাহিত পুরুষ হয়ে কেন আমার মেয়ের সঙ্গ ত্যাগ করছ না?'
মেয়ের পাত্র হিসেবে বলিউডের স্বনামধন্য অভিনেতা জিতেন্দ্রকেই নাকি পছন্দ ছিল হেমার বাবার। কিন্তু সেই বিয়ে করতে চাননি হেমা নিজে।
৭৮
তবে ধর্মেন্দ্রও ছিলেন নাছোড়বান্দা। তিনি নিজে হেমাকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে তিনি জিতেন্দ্রকে বিয়ে না করেন।
৮৮
এখানেই শেষ নয়, 'শোলে' ছবিতে হেমার সহ-অভিনেতা সঞ্জীব কাপুরও প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সেই প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন হেমা। সেই অভিমানেই নাকি সারাজীবন অবিবাহিত ছিলেন সঞ্জীব। সব ছবি: সোশাল মিডিয়া
রাজার প্রাসাদ থেকে শাহরুখের ড্রিম হোম, এককালের ‘জন্নত’ কীভাবে হল কিং খানের ‘মন্নত’?
মন্নতের এই ইতিহাস জানেন কি?
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৯:৫৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৯:৫৭
১১০
দিল্লি থেকে মুম্বই এসে মায়ানগরীতে টিকে থাকা, অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের মনের রাস্তা খোঁজা স্ট্রাগলার ছেলেটা স্বপ্ন দেখেছিল মুম্বইয়ের চোখ ধাঁধানো প্রাসাদটা কেনার। কার কথা বলছি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন? তিনি আর কেউ নন, বলিউডের 'কিং খান' শাহরুখ খান।
২১০
কীভাবে মুম্বইয়ের বুকে মন্নতের মতো প্রাসাদোপম বাংলোর মালিক হলেন শাহরুখ? স্বপ্ন দেখার শুরুই বা কোথায় জানেন? শাহরুখ তখন জার্নি শুরু করেছেন বলিউডে। বাদশা হয়ে ওঠা তখনও হয়নি তাঁর। ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেকে প্রমাণ করার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এমন সময় 'ইয়েস বস' ছবির একটি গানের শুটিং হয়েছিল তাঁর আজকের মন্নতের সামনে। সেই সময় সেই প্রাসাদ দেখে মুগ্ধ শাহরুখ বলেছিলেন, "একদিন আমি এই প্রাসাদ কিনব।"
এরপর বয়ে গিয়েছে অনেক জল। মুম্বইয়ের অন্যতম 'ল্যান্ডমার্ক' এখন মন্নত বহু হাত বদল হয়ে এসেছিল শাহরুখের কাছে। কিন্তু জানেন কি শাহরুখের আগে এই প্রাসাদোপম বাংলোর মালিক কে ছিলেন? কীভাবে তা তৈরি হয়েছিল?
৪১০
ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায় ১৯১৪ সাল নাগাদ তৈরি হয়েছিল এই প্রাসাদ। হিমাচল প্রদেশের মান্ডির রাজা বিজয় সেন তাঁর রাজত্বকালে নির্মাণ করেছিলেন অধুনা 'মন্নত'। রাজা বিজয় সেন তাঁর স্ত্রী অর্থাৎ তাঁর রানির জন্যই নাকি তা তৈরি করেছিলেন।
৫১০
রাজা বিজয় সেনের মৃত্যুর পর এই প্রাসাদ কেনেন এক পার্সি সঙ্গীত অনুরাগী। নাম দেন 'ভিলা ভিয়েনা'। ভিয়েনা ক্লাসিক্যাল সঙ্গীতের প্রতি তাঁর অনুরাগ থেকে এই আজকের মন্নতের নামকরণ হয় 'ভিলা ভিয়েনা'। এরপর তাঁর মৃত্যুর পর এই প্রাসাদ দেখাশোনার সমস্ত দায়িত্বভার পান তাঁর পৌত্র।
পরবর্তীতে ১৯৯০ সালের শেষের দিকে এই বাংলো কেনেন ভরত শাহ নামে এক প্রযোজক। যিনি ছিলেন বিপুল ধনসম্পত্তির অধিকারী। সেই সময়েই কাকতালীয় ভাবে শাহরুখের তাঁর এই ড্রিম হাউসকে চাক্ষুষ করা। এই বাড়ি একদিন তাঁর হবে সেই স্বপ্ন বোনার শুরু।
৭১০
তবে বেশিদিন তার জন্য অপেক্ষা করতে হয়নি। ২০০১ সালে মুম্বইয়ের বুকে নিজের ড্রিম হাউস কেনেন শাহরুখ ও গৌরী। এককালের রাজার প্রাসাদ হয়ে ওঠে বলিউডের কিং'এর 'মন্নত'।
৮১০
যদিও জানা যায় যে, প্রথমে মন্নত নয়, শাহরুখ ও গৌরী স্বর্গের সমান এই বাংলোর নাম রেখেছিলেন জন্নত। পরবর্তীকালে সেই নাম তাঁরা পরিবর্তন করে রাখেন মন্নত। ১৩ কোটি টাকার বিনিময়ে ২০০১ সালে এই প্রাসাদোপম বাংলো কেনেন বাদশা।
৯১০
বর্তমানে বাড়ছে মন্নতের কলেবর। চলছে শাহরুখের বাড়ির অন্দরে জোরকদমে কাজ। নতুনভাবে নিজের বাসস্থানকে সাজিয়ে তুলছেন বাদশা।
১০১০
দিল্লির ভূমিপুত্র শাহরুখ বেড়ে ওঠার সময় দেখেছেন রাজধানীতে অধিকাংশ মানুষের বাংলো রয়েছে। সেখান থেকেই নাকি তাঁর বাংলো কেনার স্বপ্ন দেখার শুরু। আর ঠিক তাঁর সেই সিনেমার সংলাপের মতোই বলতে হয় 'কিসি চিজ কো সিদ্ধত সে চাহো তো...', অর্থাৎ মন থেকে চাইলে, স্বপ্ন দেখলে তা সত্যিও হয়। ছবি: সোশাল মিডিয়া।
পর্যটকদের জন্য দারুণ খবর, অনলাইনেই মিলবে নাথু লা-লাচেন-লাচুং-জুলুকের পারমিট! কীভাবে?
নয়া এই সিস্টেম হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৬:১৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৬:১৭
১৭
সামনেই নতুন বছর। তার আগে বছর শেষের ছুটিতে অনেকেই বেড়াতে যান। বিশেষ করে সিকিমের নাথু-লা, ছাঙ্গু উপত্যকা, লাচেন, লাচুং, জুলুকের মতো জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলো ভ্রমণ পিপাসুদের প্রথম পছন্দের তালিকায় থাকে। অনেক ক্ষেত্রে যদিও এই সমস্ত জায়গায় যাওয়ার ক্ষেত্রে পারমিটের জন্য অপেক্ষা করতে হয় পর্যটকদের। গাড়ি চালকদের উপর ভরসা করতে হয়। তবে এবার স্বস্তির খবর। পারমিট পেতে আর লাইনে দাঁড়াতে হবে না পর্যটকদের। অনলাইনেই মিলবে পরিষেবা।...
২৭
নয়া এই সিস্টেম হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল। আধিকারিকরা মনে করছেন, পাহাড়ের উঁচু পর্যটন কেন্দ্রগুলির জন্য পারমিট চালু হলে খুব সহজেই কলকাতায় বসে কোনও পর্যটক পারমিট জোগাড় করে নিতে পারবেন। এজন্য কোথাও ছুটতে হবে না। পুরো প্রক্রিয়া হবে সরকার। এক্ষেত্রে একদিকে যেমন পর্যটকদের সুবিধা হবে, অন্যদিকে আয় অনেকটাই বাড়বে বলেও মনে করছে সিকিম সরকার।
সিকিম রাজ্য পর্যটন বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব সিএস রাও বলেন, "নাথু-লা , ছাঙ্গু উপত্যকা, লাচেন, লাচুং এবং জুলুকের মতো জনপ্রিয় উঁচু এলাকাগুলোতে ভ্রমণ সহজ এবং দ্রুত করার জন্য অনলাইন পারমিটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।" কিন্তু কীভাবে হবে?
৪৭
সিএস রাও এই প্রসঙ্গে আরও জানিয়েছেন, ''পর্যটকরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। পুরোটাই হবে কিউআর কোডের মাধ্যমে। আর তা স্ক্যান করে একদিকে দ্রুত যাচাই পর্ব শেষ করা সম্ভব হবে।'' অন্যদিকে চেকপয়েন্টগুলিতে মসৃণ ক্লিয়ারেন্স নিশ্চিত পাওয়া সম্ভব হবে বলেও জানিয়েছেন সিকিম রাজ্য পর্যটন বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব। তাঁর কথায়, ''সিকিমের পর্যটন শিল্পে আধুনিকীকরণের জন্য যে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ডিজিটাল পারমিট সিস্টেম তার অন্যতম। এরফলে পর্যটকদের আরও উন্নত...
৫৭
পারমিট পাওয়ার জন্য আর কোথাও ছোটাছুটি করার প্রয়োজন হবে না। দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকেই নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমেই অনলাইনে পারমিটের জন্য আবেদন করা যাবে। সিএস রাও জানিয়েছেন, ''এই অবস্থায় আগামী দিনে সিকিম ভ্রমণে ম্যানুয়াল নথিপত্রের প্রয়োজন হবে না। সবটাই হবে ডিজিটাল ব্যবস্থায়।'' শুধু তাই নয়, নতুন ব্যবস্থায় সীমাবদ্ধ অঞ্চল পারমিট এবং সুরক্ষিত অঞ্চল পারমিট দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
সিকিমের পর্যটন ও বেসামরিক বিমান পরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী টিটি ভুটিয়া জানান, সিকিমে পর্যটন শিল্পে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী সার্কিট, আধ্যাত্মিক ও যুদ্ধক্ষেত্র পর্যটন, অ্যাডভেঞ্চার কার্যক্রম এবং পরিবেশবান্ধব গ্রামীণ পর্যটন। তিনি যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের প্রসঙ্গে জানান, ''পাকিয়ং বিমানবন্দরের পরিকাঠামো সম্পূর্ণ হলেও বিমান চলাচল এখনও শুরু হয়নি। তবে বাগডোগরা ও গ্যাংটকের মধ্যে এম-১২ হেলিকপ্টার পরিষেবা রয়েছে।''
৭৭
মন্ত্রী জানান, ''সিকিম রাজ্য পর্যটন দপ্তর বুকিং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালু করেছে। এর মাধ্যমে পর্যটকরা সরাসরি হোমস্টে এবং স্থানীয় গাইডের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।'' এছাড়াও পর্যটকদের নিরাপত্তাতেও জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন টিটি ভুটিয়া। তাঁর কথায়, ''ট্যুরিস্ট পুলিশ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোরেং জেলায় প্যারাগ্লাইডিং এবং বোল্ডারিংয়ের মতো অ্যাডভেঞ্চারের সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।'' একগুচ্ছ নয়া ব্যবস্থায় আগামী ছুটির মরশুমে পর্যটক সংখ্যা বাড়বে বলেই মনে করছে সিকিম...