৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫। রাতে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ৮০০-র বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইউক্রেন। মারণ হামলায় অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। ধ্বংস হয়েছে কিয়েভের সচিবালয়। ছবি: এএফপি।
২৮
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫। ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়ংকর হামলার পর ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবনে আগুন নেভানোয় ব্যাস্ত দমকলকর্মীরা। ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী জানান, রুশ হামলায় ইউক্রেনের সচিবালয় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনের ছাদ ও উপরতলা ভেঙে যাওয়ার পাশাপাশি আগুন ধরে গিয়েছে। দমকলকর্মী আগুন নেভাচ্ছেন। ছবি: এএফপি।
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫। রুশ হামলার পর একটি আবাসনের ছাদ থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখা গিয়েছে। কার্যত শুনশান রাজধানীর রাস্তাঘাট। ছবি: এএফপি।
৪৮
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫। শত্রু দেশের হামলার পর দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি স্কুটার নিয়ে এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছেন। পিছনে সরকারি ভবনের হামলার পর গোটা আকাশ ঢেকে গিয়েছে কালো মেঘে। ছবি: এএফপি।
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫। রুশ হামলায় ওডেসার একটি বহুতল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনের মাঝ বরাবর তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। ছবি: এএফপি।
৭৮
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের মাঝেই কিয়েভের আকাশে উড়তে দেখা যাচ্ছে একটি রাশিয়ান ড্রোন। কর্তৃপক্ষের দাবি, গত তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে বড় হামলা। ছবি: এএফপি।
৮৮
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫। ভয়ংকর হামলার পর ইউক্রেনের রাজধানীর রাস্তায় নেমে উদ্ধারকারী দল। আগুন নেভানোর পাশাপাশি চলছে সাফাই অভিযান। ছবি: এএফপি।
জাতীয় মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপে আবারও 'সাত তারা' পারফরম্যান্স বাংলার মেয়েদের। গত ম্যাচেই মেঘালয়কে ৭ গোলের মালা পরিয়েছিল বাংলার প্রমীলা ব্রিগেড। সোমবারও রেলওয়ের বিরুদ্ধে জাতীয় মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপ, রাজমাতা জিজাভাই ট্রফিতে সেই ধারাই বজায় রাখল বাংলা।
২৮
কৃষ্ণনগরের রায় মেমোরিয়াল ডিস্ট্রিক্ট স্টেডিয়ামে শুরু থেকে বাংলার মেয়েদের দাপুটে মেজাজে দেখা যায়। তাঁদের একের পর এক আক্রমণ আছড়ে পড়ে রেলওয়ের রক্ষণভাগে।
রেলওয়ের দুর্বল রক্ষণকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে বাংলা। শুরুতেই রিম্পা হালদার এগিয়ে দেন বাংলাকে। এরপর মৌসুমি মুর্মুর গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন দোলা মুখোপাধ্যায়ের মেয়েরা।
এখানেই শেষ নয়। রেলওয়ের জালে বল জড়ান ক্যাপ্টেন সঙ্গীতা বাসফোর। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন করেন রিম্পা হালদার। বাংলা বিরতিতে যায় ৭-০ লিড নিয়ে।
৭৮
দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনও গোল না করতে পারলেও দাপট বজায় রেখেছিল বাংলা। ম্যাচ সেরার পুরস্কার পান সুলঞ্জনা রাউল।
৮৮
রেলওয়ে ম্যাচে বাংলার হয়ে গোল করলেন রিম্পা হালদার (হ্যাটট্রিক), সুলঞ্জনা (২), মৌসুমি এবং সঙ্গীতা। ৩০তম রাজমাতা জিজাভাই ট্রফিতে বাংলার পরের ম্যাচ ১০ সেপ্টেম্বর, সিকিমের বিরুদ্ধে।
জঙ্গল ছেড়ে গ্রামে ঢুকে পড়ল বুনো হাতির দল! একটা কিংবা দুটো না, গ্রামজুড়ে রীতিমতো দাপিয়ে বেড়াল ২৫ টি হাতির দল। আলিপুরদুয়ারের মাদারিহাট ব্লকের মালঙ্গি বস্তির মানুষ রবিবার সকালে এহেন ঘটনার সাক্ষী থাকেন। তবে একসঙ্গে এতগুলি বুনো হাতির দল গ্রামে ঢুকে পড়ায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গ্রামের মানুষের মধ্যে।
২৭
তবে এমন ঘটনা নতুন নয়, মাঝে মধ্যেই হাতির দল ডুয়ার্সের বিভিন্ন জায়গায় দাপিয়ে বেড়ায়। হাতির হানায় বহু মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে গত কয়েকমাসে। শুধু তাই নয়, ফসল, ঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু হাতির সঙ্গে উত্তরের মানুষের আবেগ জড়িয়ে। কোনও হাতির মৃত্যুতে চোখে জল ফেলতে দেখা যায় সেখানকার মানুষকে।
জানা যায়, এদিন দলমনি জঙ্গল থেকে মাদারিহাট ব্লকের মালঙ্গি এলাকায় ঢোকে ওই ২৫ টি হাতির দল। বুনো হাতিগুলির সঙ্গে ছিল বেশ কয়েকটি শাবক হাতিও। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন বন দফতরের আধিকারিকরা। আসেন জলদাপাড়া অভয়ারণ্যের বনকর্মীরাও। হাতিগুলির গতিবিধির উপর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
৪৭
শুধু তাই নয়, হাতিদের সম্পূর্ণ চলাচল ক্যামেরাবন্দি করে রাখেন বন আধিকারিকরা। পাশাপাশি বুনো হাতির দলকে জঙ্গলে ফেরানোর চেষ্টাও করেন আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, স্থানীয় মানুষজন হাতির পালের ধারেকাছে না যান, সতর্কতামুলক প্রচারও চালানো হচ্ছে।
৫৭
বন আধিকারিকরা জানিয়েছেন, হাতির দল গ্যারগেন্ডা সেতুর নিচ দিয়ে গিয়ে মালঙ্গি বস্তিতে ঢুকে পড়ে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বুনো হাতির দলটি মাদারিহাট ব্লকের মালঙ্গি বস্তিতেই রয়েছেন। ফলে সবাইকে সাবধান থাকতে বলা হয়েছে বন দফতরের তরফে।
মালঙ্গি বস্তির এক বাসিন্দা, নাম কানছা লামা জানিয়েছেন, ''এদিন সকালে হাতির দল দলমনি জঙ্গল থেকে মাদারিহাট ব্লকের মালঙ্গি এলাকায় ঢোকে।'' তবে ক্ষয়ক্ষতি কিছু হয়নি বলেই জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি। বলে রাখা প্রয়োজন, হাতির হানা রুখতে ইতিমধ্যে একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে বন দফতর। জঙ্গল সংলগ্ন ৭২ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ব্যাটারিচালিত ফেন্সিং বসানোর উদ্যোগ বন দপ্তরের। ইতিমধ্যে সমীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
৭৭
শুধু তাই নয়, যেখানে আগের বেড়া বিকল হয়েছে সেখানে নতুন বেড়া বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিস্তার চর এবং জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় ভুট্টা চাষ বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বন দফতরের তরফে।