দেশপ্রেমে ভরপুর, সাধারণতন্ত্র দিবসের ছুটি কাটান এই সিনেমা-সিরিজে
কোন কোন ছবি দেখবেন?
শ্রীরাম রাঘবন পরিচালিত একাত্তর সালের বসন্তর যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি ‘ইক্কিস’। সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট অরুণ ক্ষেত্রপালের বায়োপিক। একদিকে যুদ্ধের উত্তেজনা, অন্যদিকে ব্যক্তিগত জীবনের সংঘাত - একে ঘিরেই গড়ে উঠেছে ছবির কাহিনি। একাত্তর সালের বসন্তর যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই ছবিতে শহিদ সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট পিভিসি অরুণ ক্ষেত্রপালের বাবার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ধর্মেন্দ্র। যা দর্শকদের কাছে সত্যিই যেন বাড়তি পাওনা।
আরও পড়ুন:
যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে দেশাত্মবোধক সিনেমা বলিউডে আগেও হয়েছে। তবে ফারহান আখতার অভিনীত ‘১২০ বাহাদুর’ যেন সেই তালিকায় নতুন মাইলস্টোন। ১৯৬২ সালের রেজাং লা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি ‘১২০ বাহাদুর’। চিনের বিরুদ্ধে শত প্রতিকূলতার মাঝেও ১৩ কুমায়ুন রেজিমেন্টের চ্যালি কোম্পানির ১২০ জন জওয়ান কীভাবে নিজেদের জীবন বাজি রেখে লড়েছিলেন সেই বীরত্বের গাথাই ফুটে উঠেছে রজনীশ ঘাই পরিচালিত এই ছবিতে। বক্স অফিসে খুব একটা সাড়া ফেলতে পারেনি। তবে সিনে...
আরও পড়ুন:
জালিয়ানওয়ালাবাগের ‘অভিশপ্ত’ স্মৃতি ফিরিয়েছে ‘কেশরী ২’। অক্ষয় কুমারকে দেখা গিয়েছে সি শংকরণ নায়ারের ভূমিকায়। যিনি তৎকালীন ব্রিটিশরাজ জেনারেল ডায়ারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন। শুধু তাই নয়, আদালতে দাঁড়িয়ে সমস্ত ব্রিটিশ কর্মীদের সামনেই ইংরেজ সরকারকে তুলোধোনা করেছিলেন। সেই বীর বিক্রম আইনজীবীর কাহিনিই পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন অক্ষয় কুমার। আপনি চাইলে এই ছবিটিও দেখে নিতেই পারেন।
আপনার ওয়াচলিস্টে সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারার ‘শেরশাহ’ রাখতেই পারেন। 'শেরশাহ' বিক্রম বাত্রার কোড নেম। ১৯৯৯-এ যখন কার্গিলে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বেঁধে গিয়েছে, তখন ভারতীয় ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন অকুতোভয় বিক্রম। প্রাণোচ্ছ্বল সেই তরুণের জীবন কাহিনিকেই দর্শকদের সামনে হাজির করেছেন পরিচালক বিষ্ণু বর্ধন।