মা আর দিদি ভালোবেসে ডাকেন পলিন নামেই। আর সেই পলিন হল আপনাদের সকলের পছন্দের অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী।
৭১২
মা শতরূপা সান্যাল নিজে একজন পরিচালক। ঋতাভরীর দিদি চিত্রাঙ্গদাও ফিল্মি দুনিয়ার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে।
৮১২
বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ৩২ বছরে পা রাখলেন অভিনেত্রী ঋতাভরী। সোশাল মিডিয়ায় ভাগ করেছেন তাঁর বার্থডে স্পেশাল ফটোশুটের একটি ভিডিও। হাজারো অনুরাগী তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সেই পোস্টে।
৯১২
বোনের জন্মদিনে আদুরে পোস্ট করেছেন চিত্রাঙ্গদাও। দুই বোনের বেশকিছু ছবি পোস্ট করে চিত্রাঙ্গদা লিখেছেন এমনই ' এই দিনে তাঁর জন্মদিন। আর সেই উপলক্ষ্যে প্রকৃতিও হাসতে শুরু করেছিল।
১০১২
চলতি বছরেই দীর্ঘদিনের মনের মানুষ সুমিত অরোরার সঙ্গে বাগদান সেরেছেন ঋতাভরী। সদ্য তাঁর সঙ্গেই প্যারিস বেড়াতে যাওয়ার ছবিও পোস্ট করেছিলেন ঋতাভরী। চলতি বছরেই নাকি সারবেন বিয়েটাও।
১১১২
এই জন্মদিনেরস্পেশাল ভিডিও শুটে সোশাল মিডিয়ায় ঠিক এই লুকেই ধরা দিয়েছেন ঋতাভরী চক্রবর্তী। সাজে রয়েছে রেট্রো লুকের টাচ।
১২১২
ঋতাভরীর বোল্ড লুকে মজেন নেটিজেনরা এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তাঁর সম্মোহনী লুকে ঘায়েল নেটপাড়া।
বেড়াতে গিয়ে প্রেমে পড়লেন ব্রিটিশ তরুণী। মজলেন এক ওয়েটারে সঙ্গে। প্রেমে পড়া নতুন নয়। কিন্তু প্রেমে পড়ার কারণটা অদ্ভুত।
২১০
বার্মিংহামের বাসিন্দা ২১ বছর বয়সি বেথ উইনস্টোন পরিবারের সঙ্গে গ্রিসে বেড়াতে যান। সেখানেই দেখা হয় ২৫ বছরের গ্যাবরিয়েল আলিয়ার সঙ্গে। তিনি রেস্তরাঁয় কাজ করতেন।
মাহেশের ৬২৯ বছরের রথযাত্রার প্রাক্কালে বিশেষ উৎসব পালিত হল- নবযৌবন উৎসব। এদিনই একমাত্র জগন্নাথ দেবের হাত দেখা যায় মাহেশের মন্দিরে। নবযৌবন উপলক্ষে জগন্নাথদেবকে পরানো হয় রুপোর হাত। রাজবেশে সাজানো হয় মহাপ্রভুকে।
২১০
স্নানযাত্রা যাত্রার পর জগন্নাথদেবের কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। তাই মহাপ্রভুকে একদম একান্তে মন্দিরের গর্ভগৃহে ১৫ দিনের জন্য নিভৃত বাসে রাখা হয়। এই ১৫ দিন মন্দিরের সমস্ত দরজা বন্ধ থাকে। এমনকী, ভক্তদের নাম-কীর্তন বন্ধ থাকে।
নবযৌবন উৎসবের বিশেষ মাহাত্ম্য হল জগন্নাথ দেবের হাত দর্শন। এদিন জগন্নাথ দেবের শরীরে হাত লাগানো হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এদিন জগন্নাথদেব রাজবেশে সমস্ত ভক্তদের দু'হাত ভরে আশীর্বাদ করেন।
৭১০
মাহেশের নবযৌবন উৎসবের তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছিল সকাল থেকেই। ঘড়ির কাঁটায় সাতটা বাজতে না বাজতেই মন্দিরের মূল ফটক-সহ গর্ভগৃহের দরজা খুলে দেওয়া হয় ভক্তদের জন্য।
৮১০
এদিন পুরীর জগন্নাথ মন্দিরেও পালিত হয় নবকলেবর উৎসব। এর একদিন বাদেই মূল রথযাত্রা উৎসব। কথিত রয়েছে, এই নবযৌবন উৎসবের পরেই জগন্নাথদেব রথে চড়ে ঘুরতে যান তাঁর মাসির বাড়ি।
৯১০
কিছুদিন আগে সাদরে স্নানযাত্রা পালিত হয়েছিল মাহেশে। প্রতি বছরই শ্রীরামপুরের মাহেশের মন্দিরে চন্দনযাত্রা অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষের ঢল নামে।