X ক্লাব সাঁলোর জন্য স্পেশাল এই ফটোশুট করেছিলেন ঋতাভরী। মুক্তোর এই মালায় তাঁকে সাজিয়ে তুলেছেন বাবুসোনা সাহা। ছবি তুলেছেন শিলাদিত্য দত্ত।
৪৭
মডেল হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন ঋতাভরী। তার পর শুরু হয় টেলিভিশনের যাত্রা। আজও বাংলা টেলিভিশনের দর্শকদের কাছে 'ওগো বধূ সুন্দরী' তিনি।
৫৭
দেবজিৎ ঘোষের 'তবুও বসন্ত'র মাধ্যমে ঋতাভরীর সিনেমার সফর শুরু হয়। তার পরের ছবিই সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের 'চতুষ্কোণ'। তার পর আর অভিনেত্রীকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
এখন সিনেমা বেছেই করতে ভালোবাসেন ঋতাভরী। তাই তো 'ব্রহ্মা জানের গোপন কম্মটি', 'ফাটাফাটি'র মতো সিনেমার মাধ্যমে দর্শকদের প্রশংসা আদায় করে নেন।
৭৭
এছাড়া, ১৬ বছর বয়স থেকে সল্টলেকের ‘আইডিয়াল স্কুল ফর দ্য ডেফ’-এর সঙ্গে যুক্ত ঋতাভরী। সন্তানসম স্নেহ করেন সেখানকার পড়ুয়াদের। SCUD সোসাইটি ফর সোশাল কমিউনিকেশনের সঙ্গেও যুক্ত অভিনেত্রী। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
চরম গরম। এপ্রিলেই সর্বকালীন গরমের রেকর্ড কলকাতায়। মঙ্গলবার তাপমাত্রা ছুঁল ৪৩। এমন সুপার হট সময়ে সুপার বোল্ড ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। শেয়ার করেছেন এই ছবি।
২৬
'কোথায় আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা...', এমনই মেজাজ নুসরত জাহানের। লোকসভা ভোটে এবার আর তিনি প্রার্থী নন। প্রচারেও সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। বেড়াতে গিয়ে নীল জলেই যেন পেয়েছেন শান্তি।
সময়-সুযোগ পেয়ে শ্রাবন্তীও বেড়িয়ে পড়েন। প্রকৃতির সঙ্গে পাতিয়ে নেন বন্ধুত্ব। ঝর্ণার জলে স্নান করার এই ছবিটি সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন অভিনেত্রী।
৪৬
সমুদ্রে ঘেরা শ্রীলঙ্কায় বেড়াতে গিয়েছিলেন পার্ণো মিত্র। ছবি শেয়ার করেছিলেন জানুয়ারি মাসে। তখন অবশ্য এত গরম ছিল না। তবে অভিনেত্রীর ছবিতে ছ্যাঁকা অনেকেই খেয়েছেন।
৫৬
বাংলা ছবি থেকে হিন্দি ওয়েব সিরিজ, সর্বত্র সৌরসেনীর বিচরণ। এই টলি সুন্দরীরও কিন্তু জল বেশ পছন্দ। তাই তো সমুদ্রের ধারেই ক্যামেরার সামনে ধরা দিয়েছেন বোল্ড মেজাজে।
কিছুদিন আগেই মা হয়েছেন রিধিমা ঘোষ। ছেলে ধীর ও স্বামী গৌরবকে নিয়ে সুখের সংসার তাঁর। আর গরম থেকে রেহাই পাওয়ার উপায় সুইমিং পুল। মার্চ মাসের এই মুহূর্তই যেন তাঁর প্রমাণ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
প্রথমে শোনা গিয়েছিল, তেলেঙ্গানার এক মন্দিরে গোপনেই সিদ্ধার্থের গলায় মালা দেন ‘জুবিলি’ অভিনেত্রী। সূত্রের খবর, দুজনের পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাই ছিলেন অদিতি ও সিদ্ধার্থের এই ছিমছাম বিয়েতে।
৪৮
তবে সোশাল মিডিয়ায় ধোঁয়াশা সরিয়ে বাগদানের ছবি প্রকাশ্যে এনেছেন সিদ্ধার্থ-অদিতি।
হীরামাণ্ডির প্রিমিয়ারে হাজির ছিলেন হবু বর সিদ্ধার্থ। তবে সূত্র বলছে, পাপারাজ্জিরা যখন সিদ্ধার্থকে তাঁর হবু স্বামী বলে সম্বোধন করেন, তখন মাথা নেড়ে নাকি আপত্তিও জানান অদিতি।
৭৮
এক সাক্ষাৎকারে অদিতি বলেছেন, ''যেকোনও সম্পর্কে ভালোবাসা আর সম্মানটাই আসল। এদুটো থাকলে আর সব ঠিক থাকে। তাই ভালোবাসার জন্য কোনও বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানের দরকার হয় না।''
৮৮
২০২১ সালে তামিল ছবি ‘মহা সমুদ্রম’-এ একসঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন সিদ্ধার্থ ও অদিতি। একসঙ্গে শুধু ছবিতে অভিনয় নয়। বরং নানা ফিল্মি পার্টিতেও এই দুজনকে একসঙ্গে দেখা যায়। একসঙ্গে ট্যুরেও বেরিয়ে পড়েন সিদ্ধার্থ ও অদিতি। আর এবার সেই প্রেমেরই শুভ পরিণয়।