সিনেমার প্রতিটি দৃশ্যে ক্যামেরা পজিশন, কস্টিউম, সেট ডিজাইন, সংলাপ, লাইট কী হবে, তা লেখা থাকত সত্যজিতের ডায়রিতে। যার ফল সেলুলয়েডে এক অনন্য অথচ স্বাভাবিক শিল্পকর্ম। পর্দায় জীবনকে ফুটিয়ে তুলতেন সত্যজিৎ।
২৯
অশীতিপর চুনিবালা দেবীই হয়ে উঠেছিলেন সত্যজিৎ রায়ের ইন্দির ঠাকুরণ। তাঁর সম্পর্কে একসময়ে অস্কারজয়ী পরিচালক বলেছিলেন, "ওঁর সন্ধান না পেলে পথের পাঁচালিই হত না।"